রোববার   ০৫ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ২১ ১৪২৬   ১১ শা'বান ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
বেসরকারি হাসপাতাল চিকিৎসা না দিলেই ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রতি উপজেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আজ থেকে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সেনাবাহিনী মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সমালোচনা করছে বিএনপি : কাদের দেশে আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত ২৬ জন সুস্থ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনাবাহিনী কতদিন মাঠে থাকবে সরকার বিবেচনা করবে: সেনাপ্রধান ঘরে বসে পড়াশোনা করতে হবে, শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী করোনায় খাদ্য ঘাটতি হবে না : কৃষিমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখ‌ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ৬৪ জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কনফারেন্স পিপিই যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় সরকার জনগণের পাশে আছে -প্রধানমন্ত্রী ছুটিতে কর্মস্থল ছাড়া যাবে না : সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন করোনা সংকটকালে জনগণের পাশে থাকবে আ.লীগ: কাদের আমি করোনায় আক্রান্ত হইনি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নেই : আইইডিসিআর পদ্মা সেতু‌তে বসলো ২৭তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৫০ মিটার করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সব পোশাক কারখানা বন্ধের নির্দেশ পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল
৫৭

যা মানলে করোনা সংক্রমণ কঠিন হবে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২০  

করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে কাঁপছে পুরো বিশ্ব। আমরাও বাকি নেই। কারণ এরইমধ্যে দেশে সরকারি হিসাবে ২৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ২ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫ জন। 

এরইমধ্যে করোনা আক্রান্ত দেশগুলো থেকে আমাদের দেশে ফিরেছেন বিপুল জনগোষ্ঠী। তাদের কেউ কেউ হোম কোয়ারেন্টিনে থাকলেও অধিকাংশই তা ঠিকমতো মানছেন না। ফলে তৈরি হয়েছে আশংকা। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছুদিন পর আমাদের দেশ ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে পারে। 

এত আশঙ্কার মধ্যে নিজেকে নিরাপদ রাখার কোনো বিকল্প নেই। নিজেকে এবং পরিবারকে করোনার আক্রমণ থেকে বাঁচাতে হলে হতে হবে সচেতন, মানতে হবে কিছু নিয়মকানুন। 

এবার জেনে নেওয়া যাক কোন নিয়ম মানলে করোনা ভাইরাস আপনাকে খুব সহজে আক্রমণ করতে পারবে না। 

বিশেষজ্ঞদের মত, করোনা থেকে বাঁচতে প্রথম যে বিষয়টি মানতে হবে তা হলো, মুখ চোখ ও নাকে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। বাইরে থাকলে মাঝে মধ্যেই হাত সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। অফিস বা পাবলিক টয়লেটের দরজা খোলার সময় টিসু পেপার ব্যবহার করতে হবে। যেখানে বেশি মানুষের স্পর্শ লাগে সে স্থান বা জিনিস স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। তাহলেই আপনি নিরাপদ থাকবেন অনেকটাই। 

ধরুন আপনি বাইরে বের হলেন। একটা রিকশায় উঠলেন। ওই রিকশায় কিছুক্ষণ আগে যে ব্যক্তি উঠেছিলেন তিনি করোনা ভাইরাস বহন করছেন। আপনিও রিকশার সিটে হাত রাখলেন। করোনা ভাইরাস আপনার হাতে লেগে গেল। একটু পর আপনি ওই হাত দিয়ে চোখ চুলকালেন বা নাক চুলকালেন বা মুখে ঠোঁটে ছোঁয়ালেন। আর কিছুর দরকার আছে? 

আপনি একজনের সঙ্গে হাত মেলালেন তারপরই মুখে হাত দিলেন। যদি ওই ব্যক্তির হাতে ভাইরাস থেকে থাকে তাহলে আর রক্ষা নেই। 

পাবলিক পরিবহনে যাতায়াতেরও ক্ষেত্রেও সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। 

তাই যদি আপনি হাত পরিষ্কার রাখেন, মুখে হাত না দেন, তাহলে করোনা থেকে আপনি মোটামুটি ৫০ ভাগ নিরাপদ। 

বাকি ৫০ ভাগ এড়াতে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো- জনসমাবেশ এড়িয়ে চলতে হবে। প্রয়োজনের বেশি বাইরে ঘোরা যাবে না। কারো সঙ্গে গায়ে গা লাগিয়ে কথা বলা যাবে না। দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কেউ হাঁচি বা কাশি দিলে আপনার শরীর পর্যন্ত যাতে না পৌঁছে এতটা দূরত্বে থাকতে হবে। কারো সঙ্গে হাত মেলানো যাবে না। কোলাকুলি করা যাবে না। সরাসরি হাতের স্পর্শ লাগে এমন বাইরের খাবার পরিহার করতে হবে। হাত ধোয়ার মতো মোবাইল ফোনও পরিষ্কার করতে হবে। 

এছাড়া যত উপায়ে পরিষ্কার থাকা যায় এবং বাইরের পরিবেশ থেকে দূরে থাকা যায়, তাই করতে হবে। তাহলেই করোনা আপনার নাগাল নাও পেতে পারে। 

কিন্তু সমস্যা হলো প্রত্যেক মানুষই নিজের অজান্তে মুখে নাকে চোখে হাত দেয়। এটা রোধ করতে হলে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। চোখে চশমাও ব্যবহার করতে পারেন।