• রোববার   ১১ এপ্রিল ২০২১ ||

  • চৈত্র ২৮ ১৪২৭

  • || ২৮ শা'বান ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
বাজেটে স্বাস্থ্য ও কৃষি খাত গুরুত্ব পাবে: অর্থমন্ত্রী দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আ. লীগের নিজস্ব ইতিহাস তৈরির কারখানা নেই: কাদের জেএমবির ভারপ্রাপ্ত আমিরের ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ লকডাউনে কোথাও উন্নয়ন কাজ বন্ধ থাকবে না: পরিকল্পনামন্ত্রী ফেসবুকে ‘উসকানিমূলক’ স্ট্যাটাস: গ্রেফতার হেফাজতের লোকমান আমিনী পুরো বিশ্বেই শান্তির সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে চায় বাংলাদেশ: মোমেন ১২-১৩ এপ্রিল চলমান লকডাউনের নির্দেশনা জারি থাকবে: সেতুমন্ত্রী টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ ৭৭ জনের মৃত্যু অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা : আইনমন্ত্রী দু`দিন আগেই শেষ হচ্ছে বইমেলা আমাদের সামনে নির্ঘাত অশনি সংকেত : কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৭৪ জনের মৃত্যু সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে হচ্ছে দ্বিতীয় আমিনবাজার সেতু: সেতুমন্ত্রী দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী মানুষ বাঁচাতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম মাদানী আটক জনগণের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই লকডাউন দেয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী টিকাদানে বিশ্বের শীর্ষ ২০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

৭ এপ্রিল ১৯৭১

যশোর খুলনা নড়াইলসহ বিভিন্ন অঞ্চল মুক্তিবাহিনীর দখলে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৭ এপ্রিল ২০২১  

শাহাবউদ্দিন আহমদ ও আমজাদ উল হক ১৯৭১ সালে নয়াদিল্লীস্থ পাকিস্তান দূতাবাসের দুজন কর্মকর্তা ছিলেন। এইদিনে তারা দুজন পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করে বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেন। তারাই বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য ঘোষণাকারী প্রথম কূটনৈতিক।

মুসলিম লীগ নেতা এ. সবুর খান ঢাকায় সামরিক আইন প্রশাসক লে. জেনারেল টিক্কা খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। জামায়েত ইসলামীর প্রাদেশিক আমীর গোলাম আজম, গোলাম সারোয়ার ও মওলানা নূরুজ্জামান ঢাকায় এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি পূর্ব পাকিস্তানের দেশ প্রেমিক জনসাধারণ ভারতীয় অনুপ্রবেশকারীদের (মুক্তিযোদ্ধাদের) যেখানেই দেখবে সেখানেই তাদের ধ্বংস সাধন করবে। দুষ্কৃতকারীদের (মুক্তিযোদ্ধাদের) দমনে নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীকে এ ব্যাপারে সহযোগিতার জন্য আমরা সবার প্রতি অনুরোধ জানাই।’

ইসলামিক রিপাবলিক পার্টির সভাপতি মওলানা নূরুজ্জামান খান ঢাকায় এক বিবৃতিতে বলেন, ‘পাকিস্তান সেনাবাহিনী দুষ্কৃতকারীদের (মুক্তিযোদ্ধাদের) দমনে নিয়োজিত। দেশপ্রেমিক নাগরিকরা দেশরক্ষায় তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা করুন।’

সমগ্র সিলেট অঞ্চল মুক্তিবাহিনীর দখলে চলে আসে। পাকসেনারা সিলেট বিমান বন্দর ও লাক্কাতুরা চাবাগানের আশেপাশে আশ্রয় নেয়। বিকালে পাকসেনারা নড়াইল-যশোর রোড দাইতলায় মুক্তিযোদ্ধদের প্রতিরোধ ব্যুহতে আক্রমণ চালায়। মুক্তিবাহিনীর পাল্টা আক্রমণে পাকসেনারা টিকে থাকতে না পেরে পিছিয়ে যায়। এ যুদ্ধে পাকবাহিনীর আনুমানিক ৩০ জন নিহত হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ হতাহত হয়নি।

পার্বতীপুরের অবাঙালিরা নিকটবর্তী গ্রামগুলোতে ব্যাপকহারে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে এবং নিরীহ গ্রামবাসীকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
নীলফামারী পাকবাহিনীর দখলে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধারা খানসামাতে অবস্থান নেয়। মুক্তিযোদ্ধারা পাকসেনার দখলকৃত খুলনা রেডিও স্টেশনের উপর আক্রমণ চালায়। একরাতব্যাপী এ যুদ্ধে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাৎ বরণ করেন। পাকসেনারা খুলনার দৌলতপুরের রঘুনাথপুর গ্রামে হামলা চালায় এবং সেখানে বহুলোককে হত্যা করে।

যশোর সদরের ৮ মাইল পূর্ব-উত্তর কোণে লেবুতলা গ্রামে পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল গুলি বিনিময় হয়। কয়েক ঘন্টার এ সংঘর্ষে পাকবাহিনীর ৫০ জন সৈন্যের মৃত্যু ও প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করে যশোর সেনানিবাসে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। নীলফামারীতে পাকসেনারা পূর্ণ সামরিক সম্ভারসহ সুবেদার মজিদের বাহিনীর উপর আক্রমণ চালায়। এ পাকবাহিনীর ৮ জন নিহত হয়। মুক্তিযোদ্ধারা ক্ষতি স্বীকার করলেও অটুট মনোবল নিয়ে দেবীগঞ্জে এসে অবস্থান নেয়। মুক্তিযোদ্ধাদের একটি প্লাটুন কালুর ঘাট থেকে লালমণিরহাট পর্যন্ত এলাকায় পাকবাহিনীর সহযোগী সশস্ত্র অবাঙালিদের উপর আক্রমণ চালিয়ে ২১ জনকে হত্যা করে।