শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ৩০ ১৪২৬   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
আয়কর দিলেন অর্থমন্ত্রী, রিটার্ন দাখিল প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশনায় পুলিশ এখন দক্ষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিন দিনের সফরে আমিরাতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ক‌রের টাকায় দে‌শের উন্নয়ন হয় এটা পরীক্ষীত- মেয়র সা‌দিক কলকাতা টেস্ট দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়ে শেখ হাসিনাকে মোদীর চিঠি কৃষি জমি রক্ষায় কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী চার বছরের মধ্যে দারিদ্র্র্যের হার কমবে : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে ঋণ দিতে দৌড়ঝাঁপ করছে বিদেশিরা : প্রতিমন্ত্রী আজ ঝালকাঠির দুই বিচারক হত্যা দিবস পিকেএসএফ উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী আয়কর মেলা: ১১৩ কোটি থেকে লক্ষ্যমাত্রা তিন হাজার কোটি টাকা রোহিঙ্গা নিপীড়নে এবার সুচি’র বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় মামলা টেস্ট বিশ্বকাপ অভিষেকে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ আয়কর মেলা শুরু আজ রোহিঙ্গা সমস্যার পেছনে জিয়াউর রহমানের হাত ছিল: প্রধানমন্ত্রী খেলাপি ঋণ অবশ্যই আদায় করা হবে: অর্থমন্ত্রী ধেয়ে আসছে ‘বুলবুলে’র চেয়েও ভয়ানক ঘূর্ণিঝড় ‘নাকরি’ বরিশালের বর্ধিত এলাকার কাঁচাসড়ক অচিরেই পাকা করার উদ্যোগ দেশের কল্যাণে প্রয়োজনে বাবার মতো জীবন দেবো: শেখ হাসিনা বিমানে উড়ে বাংলাদেশ এল ২২৫টি গরু!
৬৯২

যক্ষা রোগ ও সচেতনতা

প্রকাশিত: ৮ ডিসেম্বর ২০১৮  

যক্ষা বা টিউবারকিউলোসিস  বা টিবি একটি সংক্রামক রোগ যার কারণ মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস (Mycobacterium tuberculosis) নামের জীবাণু। 
"যক্ষ্মা" শব্দটা এসেছে "রাজক্ষয়" থেকে। ক্ষয় বলার কারণ এতে রোগীরা খুব শীর্ণ (রোগা) হয়ে পড়েন ।

যক্ষ্মা প্রায় যেকোনও অঙ্গে হতে পারে।  তবে ব্যতিক্রম কেবল হৃৎপিণ্ড, অগ্ন্যাশয়, ঐচ্ছিক পেশী ও থাইরয়েড গ্রন্থি।
যক্ষ্মা সবচেয়ে বেশী দেখা যায় ফুসফুসে। এমনকি কিডনি, মেরুদন্ড অথবা মস্তিষ্ক পর্যন্ত আক্রান্ত হতে পারে। 
কিডনি ও মূত্রথলির যক্ষায় প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যায়, মস্তিস্কের যক্ষায় মাথা ব্যাথা হয় ও প্রচণ্ড জ্বর হতে পারে, মেরুদণ্ডের যক্ষায় পিঠ বা কোমর ব্যাথা হয়, হেপাটিক  যক্ষায় পেটের উপরের অংশে ব্যাথা হতে পারে, ত্বকের যক্ষায় ক্ষত সহজে শুকায় না, খাদ্যনালীর যক্ষায় কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। সবক্ষেত্রেই সাধারণত রোগীর ওজন কমে যায় এবং যথাসময়ে চিকিৎসা শুরু না করলে রোগী ধীরে ধীরে মৃত্যুর মুখে ধাবিত হয়। জীবাণু শরীরে ঢুকলেই কিন্তু যক্ষ্মা হয় না। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হলে যক্ষ্মা হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে।
অতীতে মানুষের যক্ষা ধরা পড়লে হতাশ হয়ে জীবন যাপন করত। কারণ তখন যক্ষার কোন ঔষধ ছিল না। ফলে মানুষ খুবই ভয় পেত। আজ আর সেই দিন নেই, যক্ষার ওষুধ নিয়মিত খাওয়ার পর তা সম্পূর্ণরুপে ভালো হয়।

♦যক্ষার প্রকার:
যক্ষা ২ ধরনের- (১) সুপ্ত যক্ষা (২) সক্রিয় যক্ষা। এছাড়াও চিকিৎসার সুবিধার জন্য আরও ২টি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। (ক) ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষা (খ) মিলিয়ারী যক্ষা।

- সুপ্ত যক্ষা:
শরীরে যক্ষার জীবাণু প্রবেশ করলেও বাহককে আক্রান্ত না করলে একে বলা হয় সুপ্ত যক্ষা। বছরের পর বছর যক্ষার জীবাণু শরীরে সুপ্ত অবস্থায় বেঁচে থাকতে পারে।

- সক্রিয় যক্ষা:
শরীরে যক্ষার জীবাণু প্রবেশের পর ওই ব্যক্তির যক্ষার উপসর্গ দেখা দেওয়াকে বলে সক্রিয় যক্ষা।

- ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষা:
যক্ষা রোগে ব্যবহৃত ওষুধগুলো যদি যক্ষার জীবাণুকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে ব্যর্থ হয় তখন তাকে ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষা বলা হয়। এর কারণগুলো হলো- 
(১) অপর্যাপ্ত চিকিৎসা গ্রহণ 
(২) ভুল ওষুধ সেবন
(৩) চিকিৎসার কোর্স সম্পূর্ণ না করা।

- মিলিয়ারি যক্ষা:
শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে একই সঙ্গে যক্ষায় আক্রান্ত হওয়াকে বলে মিলিয়ারী যক্ষা।

♦যক্ষ্মা যেভাবে ছড়ায় ঃ
বাতাসের মাধ্যমে যক্ষা রোগের জীবাণু ছড়ায়। যক্ষা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে রোগের জীবাণু বাতাসে গিয়ে মিশে এবং রোগের সংক্রমণ ঘটায়।মুখ না ঢেকে কাশলে যক্ষ্মা সংক্রমণিত থুতুর ফোঁটা বাতাসে ছড়ায়।

♦রোগের লক্ষণ ও উপসর্গ ঃ
ফুসফুসে যক্ষ্মা হলে হাল্কা জ্বর ও কাশি হতে পারে। সাধারণত সন্ধ্যা বেলায় জ্বর আসে। কফ হবে।  আর সেই কফ সারবে না। সাধারণ এন্টিবায়টিক খেলেও সারবে না। একটা সময় দেখা যাবে যে কফের সঙ্গে রক্ত আসছে। অনেক ক্ষেত্রে রক্ত নাও আসতে পারে। ক্ষুধামন্দা হবে। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। সাধারণত এটা ফুসফুসের যক্ষা। কিন্তু এছাড়া অন্য কোন যক্ষার ক্ষেত্রে লক্ষ নাও থাকতে পারে। 
মুখ না ঢেকে কাশলে যক্ষ্মা সংক্রমণিত থুতুর ফোঁটা বাতাসে ছড়ায়। আলো-বাতাসহীন অস্বাস্থ্যকর বদ্ধ পরিবেশে মাইকোব্যাক্টেরিয়াম অনেকক্ষণ বেঁচে থাকে।বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট হিসেবে ৫-৬ মাস জ্বর থাকার মূল কারণ এই টিবি।

অর্থাৎ সাধারনত ফুসফুসীয় যক্ষার লক্ষনগুলো হলো-
-তিন সপ্তাহের বেশি কাশি
-জ্বর
-কাশির সাথে কফ এবং মাঝে মাঝে রক্ত বের হওয়া
- অস্বাভাবিক ওজন কমে যাওয়া
-বুকে ব্যথা, দুর্বলতা ও ক্ষুধামন্দা

ফুসফুস বহির্ভূত যক্ষার লক্ষণগুলো হলো -  ★চামড়ায় যক্ষা–  চামড়া ফুলে যায়, লাল হয়ে ওঠে, ঘা হয় এবং কালো কালো দাগ হতে পারে।
★অন্ত্র ও খাদ্যনালীর যক্ষা–  লক্ষণগুলো হল পেটফাঁপা, পেটব্যথা, ক্ষুধামন্দা, বদহজম, পাতলা পায়খানা, খাবারে অরুচি ইত্যাদি।
★গ্রন্থি বা গ্লান্ড এর যক্ষা–  গ্রন্থি ফুলে যায়, লাল হয়ে যায় এবং ব্যথা হয়। শরীরের বিভিন্ন গ্রন্থির মধ্যে থেকে সাধারণত ঘাড়ের গ্রন্থিগুলোতে এই যক্ষা বেশি হতে পারে।
★অস্তিসন্ধি, হাড় অথবা শিরদাড়ার যক্ষার ক্ষেত্রে আক্রান্ত অঙ্গ ফুলে যাবে, ব্যথা হবে এবং শিরদাড়া বাঁকা হয়ে যেতে পারে।
★কিডনির যক্ষা–  পেটের পাশে, কোমড়ের উপরে ব্যথা হয়। প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তপাত হতে পারে তবে অনেক সময় তা খালি চোখে দেখা যায় না। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এবং ঘন ঘন প্রস্রাব হতে পারে।
তবে এসব লক্ষণ শুধু মাত্র প্রাথমিক ধারনার জন্য, পুরপুরি নিশ্চিত হওয়ার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ বাঞ্ছনীয়।

♦যক্ষার বিস্তার:
যক্ষা ফুসফুস থেকে অন্যান্য অঙ্গেও ছড়িয়ে পরতে পারে বিশেষ করে যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তাদের এবং বাচ্চাদের ক্ষেত্রে। তখন একে "অ-শ্বাসতন্ত্রীয় যক্ষা" (Extrapulmonary Tuberculosis) বলা হয়, যেমন প্লুরাতে প্লুরিসি, কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রেমেনিনজাইটিস, লসিকাতন্ত্রে স্ক্রফুলা, প্রজনন তন্ত্রেপ্রজনন তন্ত্রীয় যক্ষা, পরিপাক তন্ত্রে পরিপাক তন্ত্রীয় যক্ষা এবং অস্থিকলায় পট'স ডিজিস। বিশেষ ধরনের ছড়িয়ে যাওয়া যক্ষাকে বলা হয় মিলিয়ারী যক্ষা(Miliary tuberculosis)। অনেক ক্ষেত্রে ফুসফুসীয় এবং অ-ফুসফুসীয় যক্ষা একসাথে বিদ্যমান থাক্তে পারে। পৃথিবীর যক্ষ্মা রোগীদের এক তৃতীয়াংশেরও বেশী ভারতীয় উপমহাদেশবাসী।

♦যক্ষার প্রকটতা:
এটি একমাত্র জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট প্রদাহজনিত রোগ যা সারা বিশ্বে মৃত্যুর কারন হিসেবে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। যক্ষার ভয়াবহতা এমন যে, দেখা গেছে ২০১৫ সালে ১ কোটি ৮০ লক্ষ মানুষ এর কারনে মারা গিয়েছে ও ১০ কোটি ৪০ লক্ষ এর কারনে অসুস্থ হয়েছে!
১৮৮২ সালে  জার্মান বিজ্ঞানী রবার্ট কোঁখের এই রোগের কারন আবিষ্কারের পূর্ব পর্যন্ত ১৮ ও ১৯ শতকে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকাতে মহামারি হিসেবে দেখা দিয়েছিল।
রবার্ট কোঁখের এই আবিষ্কারের পরে এই রোগ নির্মূলে ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হয়, ও পরবর্তীতে বিভিন্ন ওষুধ আবিষ্কারের কারনে বিশ্ব ব্যাপী এই রোগের প্রকোপ আস্তে আস্তে কমে আসছে, এমনকি জাতিসঙ্ঘ আশা প্রকাশ করছে যে, ২০২৫ সালের মাঝে এ রোগটি সারা বিশ্ব থেকে পুরোপুরি নির্মূল হবে।

♦যক্ষার সম্ভাবনা যাদের বেশি:
জীবাণু শরীরে ঢুকলেই সবার যক্ষ্মা হয় না। যাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদের ক্ষেত্রে যক্ষ্মা বেশি হয় |
এছাড়া-
- অপুষ্টিতে ভুগলে।
- বয়স্ক ব্যক্তি।
- যক্ষায় সংক্রমিত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তি।
- যারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন করছেন।
- ডায়াবেটিস রোগীদের  টিবি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  কারন,সাধারণ মানুষের তুলনায় তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম।

♦যক্ষ্মা প্রতিরোধ করার উপায়:
১। জন্মের পর পর প্রত্যেক শিশুকে বিসিজি টিকা দেয়া 
২। হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় রুমাল ব্যবহার করা 
৩। যেখানে সেখানে থুথু না ফেলা
৪। রোগীর কফ থুথু নির্দিষ্ট পাত্রে ফেলে তা মাটিতে পুঁতে  ফেলা।

♦যক্ষার ঝুঁকি:
যদি সময়মত ও নিয়ম মত চিকিৎসা না করা হয়, তবে যক্ষা ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে– যদিও বাতাসবাহিত রোগ হওয়ার কারনে মূলত ফুসফুসে সংক্রমণ হয়ে থাকে, কিন্তু যক্ষার জীবাণু রক্তের সাথে মিশে শরীরের অন্যান্য স্থানে প্রভাব ফেলে। যেমন–
- মেনিনজাইটিস
- স্নায়ুতন্ত্রের ব্যাথা
- অস্থিসন্ধির ক্ষয় ও তীব্র ব্যাথা
- যকৃত ও কিডনি ( বৃক্ক) বিকল
- হৃদরোগ ইত্যাদি।

♦যক্ষার চিকিৎসা :
দেখা গেছে যে,  বয়স ভেদে সঠিক মাত্রার, সঠিক সময়ের ও সঠিক এন্টিবায়োটিক এর মাধ্যমে যক্ষা পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব।
কখনও কখনও যক্ষায় আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও পরীক্ষায় যক্ষা ধরা পড়ে না। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে যক্ষার ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। এতে কোন ক্ষতি হয়না। যক্ষার ওষুধ সেবনের ফলে কিছু পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। যেমন- বমিবমি ভাব অথবা বমি, লাল বা কমলা রঙের প্রস্রাব ইত্যাদি। এতে ভয়ের কিছু নেই। 
ওষুধের কোর্স শেষ হলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো এমনিতেই চলে যাবে। তাই সবচে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ওষুধের কোর্স সঠিকভাবে সম্পন্ন করা। এটি ঠিকমত না করলে এম ডি আর টিবির সৃষ্টি হতে পারে। তাই ডট পদ্ধতি ( ডাইরেক্টলি অবসারভড থেরাপি বা সরাসরি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে চিকিৎসা) কাম্য, এর মাধ্যমে পরিবারের সদস্য বা চিকিৎসা সহকারীরা আক্রান্ত ব্যাক্তির ওষুধ সেবনের ব্যাপারে সবসময় পরিচর্যা করেন ও ওষুধ নিয়মিতকরন নিশ্চিত করেন

♦যক্ষার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৬ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সারা বিশ্বে যক্ষা প্রবণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশেরঅবস্থান ৩০ তম। প্রতিবছর সারা দেশে প্রায়৩,৬২,০০০ নতুন  যক্ষার রোগী শনাক্ত হচ্ছে, এর প্রায় ৭৩,০০০ মারা যাচ্ছেন এর প্রকোপে।অন্যদিকে, বছরে প্রায় ৯,৭০০ এম ডি আর  যক্ষার রোগী শনাক্ত হচ্ছে।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল টিবি প্রোগ্রামের আওতায় ২০৩০ সালের মাঝে যক্ষার কারনে ৯০ শতাংশ মৃত্যুহার ও ৮০ শতাংশ প্রকোপ কমিয়ে আনারলক্ষ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তা ছাড়াওদেশজুড়ে বিনামূল্যে যক্ষারোগ নির্ণয়, রোগী সনাক্তকরণ ও চিকিৎসা প্রদানের জন্য বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি ও সহকারী অঙ্গসংগঠন, মেডিকেল কলেজ, গ্রাম, উপজেলা, থানা, জেলাও বিভাগীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্র কাজ করে আসছে। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আস্তে আস্তে টিবি বা যক্ষা আক্রান্তের সংখ্যা  কমে আসছে। উপমহাদেশের মাঝে বাংলাদেশের অবস্থান  প্রথম যা এম ডি আর যক্ষার দ্রুত চিকিৎসার ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ  সাফল্য লাভ করেছে।
বাংলাদেশের সব স্তরের সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্র, সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কিছু এনজিওতে বিনামূল্যে যক্ষার পরীক্ষা করানো হয় এবং বিনামূল্যে ওষুধ বিতরন করা হয়।