• বৃহস্পতিবার   ০৪ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ১৯ ১৪২৭

  • || ২০ রজব ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৬১৪ সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরা বন্ধ করতে হবে: বনমন্ত্রী ৪ কোটি ডোজ করোনার টিকা সংগ্রহ করা হবে: জাহিদ মালেক ১০ বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী মানুষকে খাদ্য সরবরাহ-সময়মতো ভ্যাকসিন দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭, শনাক্ত ৫১৫ মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করেছে বিএনপি: সেতুমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর নীতির ভিত্তিতেই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি: ড. মোমেন প্রেস ক্লাবের সংঘর্ষে ছাত্রদলের ১৩ জন রিমান্ডে ঢাবির ১২ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার দেশবিরোধী একটি মহল সরকার হটানোর ষড়যন্ত্র করছে: কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৮, শনাক্ত ৫৮৫ মুশতাকের মৃত্যুর কারণ তদন্তে বেরিয়ে আসবে: তথ্যমন্ত্রী আজ থেকে ২ মাস ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ দেশে কোনো গরিব মানুষ থাকবে না : তথ্যমন্ত্রী বেসরকারি চিকিৎসা সেবা ব্যয় নির্ধারণ শিগগিরই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাটকা সংরক্ষণে কাল থেকে ৬ জেলায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৮, শনাক্ত ৩৮৫ আমরা শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ৬০ কর্মদিবস পর পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

মর্গে মৃত নারীদের ধর্ষণ: সেই মুন্না চারদিনের রিমান্ডে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২১  

মর্গে রাখা নারীদের ধর্ষণের অভিযোগে করা পৃথক দুই মামলায় গ্রেফতার মুন্না ভগতের দুইদিন করে মোট চারদিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) এএসআই ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

মামলার সুষ্টু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে এবং প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও ধর্ষণের ঘটনায় মূল হোতাকে  শনাক্ত করার জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার এসআই মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম পৃথক দুই মামলায় আসামি মুন্নার সাতদিন করে মোট ১৪ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। এরপর আদালত শুনানি শেষে দুই মামলায় দুইদিন করে মোট চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানার এসআই মো. আল আমিন বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এরপর গত ২৫ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানার এসআই সনজিৎ কুমার ঘোষ বাদী মুন্নার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন।

এদিকে গত ২০ নভেম্বর সিআইডির করা মামলায় আসামি মুন্না আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এদিন মুন্না স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে 
ঢাকা মহানগর হাকিম মো. মামুনুর রশিদের আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর  তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ১৯ নভেম্বর সিআইডির ইন্সপেক্টর জেহাদ হোসেন বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। 

মামলার সূত্রে জানা যায়, মুন্না ভগত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম জতন কুমার লালের সহযোগী হিসেবে কাজ করতো। দুই-তিন বছর ধরে সে মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল। এরকম একটি অভিযোগ পেয়ে মুন্নার বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না মৃত নারীদের ধর্ষণের কথা স্বীকার করে।

মামলার বাদী সিআইডির ইন্সপেক্টর জেহাদ হোসেন জানান, মুন্না চার বছর ধরে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গের লাশকাটা ঘরে কাজ করে। ঢাকায় তার থাকার জায়গা নেই। সে মর্গেই থাকে। লাশকাটা ঘরেই ঘুমায়। যেসব মৃত তরুণীকে সে ধর্ষণ করেছে তাদের বয়স অনূর্ধ্ব ২০। ভালো লাশের দিকেই তার নজর ছিল। আত্মহত্যাজনিত কারণে যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদেরই সে ধর্ষণ করেছে। সড়ক দুর্ঘটনা বা অন্যান্য কারণে মৃত্যুর পর যেসব লাশ বিকৃত হয়ে যায় তাদের দিকে মুন্নার নজর ছিল না।