বুধবার   ১৬ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৬ সফর ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
একাদশ সংসদের পঞ্চম অধিবেশন শুরু ৭ নভেম্বর যেখানে দুর্নীতি-টেন্ডারবাজি সেখানে অভিযান- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ন্যাম সম্মেলনে যোগ দিতে বাকু যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : প্রধান আসামির জামিন নামঞ্জুর বিএসএমএমইউয়ে বিশ্ব অ্যানেসথেসিয়া ও মেরুদণ্ড দিবস পালিত মুন্সিগঞ্জের ১৩টি সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের ধারাবাহিকতার কারণেই উন্নয়ন প্রকল্প গতিশীল: প্রধানমন্ত্রী আজ কম্বোডিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ বিশ্ব অ্যানেসথেসিয়া দিবস আজ মিনিস্ট্রিয়াল কনসালটেশনে যোগ দিতে আমিরাতে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ নিরাপদ খাদ্য নি‌শ্চিত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বরিশালে ২৭ জেলের জেল-জরিমানা কখন গোসল করা ভালো, সকালে না রাতে? জনপ্রশাসনের ৬ কর্মচারী মাসের সেরা কর্মী নির্বাচিত নতুন প্রজন্মকে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান দেশের প্রথম বাণিজ্যিক সৌর প্লান্টের উৎপাদন শুরু পাকিস্তান সফরে প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটন বদলে গেল বাংলা বর্ষপঞ্জি, বুধবার ৩১ আশ্বিন
৬৮

মনের চোখ দিয়েই অন্ধ পর্যটকের ১৩০ দেশ ভ্রমণ!

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

মানুষের ইচ্ছা শক্তিই তাকে আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলে। আর তার বাস্তব উদাহরণ ব্রিটিশ নাগরিক টনি জাইলস। অন্ধ হওয়ার পরেও নিজের ইচ্ছে শক্তি কারণে ভ্রমণ করেছেন ১৩০ টি দেশ। শুধু এখানেই শেষ নয়, বিশ্বের সবগুলো দেশ ঘুরে দেখার স্বপ্ন পোষণ করেন অন্ধ এই পর্যটক। নিজের এই শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে যেন ভ্রমণের নেশা থেকে একটুও দূরে সরাতে পারে নি। 

তবে যে ব্যক্তি চোখে দেখেন না আবার কানেও শোনে না সে কিভাবে এতগুলো দেশ ভ্রমণ করেন? এমন প্রশ্ন স্বভাবতই সবার মনে উঁকি দেয়। আর এই প্রশ্নের জবাব দিলেন স্বয়ং টনি জাইলস। 

তিনি বলেন, আমি মানুষের কথা শুনি, পাহাড়ে উঠি, সবকিছু আমি আমার স্পর্শ এবং পায়ের মাধ্যমে অনুভব করি। ওভাবেই আমি এক একটি দেশ দেখি।

গত ২০ বছরে বিভিন্ন দেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন জাইলস। আর এসময় তার এক গ্রিক তরুণীর সঙ্গে দেখা হয়। যিনি নিজেও অন্ধ এবং জাইলসের এখন ভাল বান্ধবী। গত বছর বান্ধবীর সঙ্গে রাশিয়া ঘুরে বেড়িয়েছিলেন তিনি। বিশ্বের বৃহত্তম এই দেশটির এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ট্রেন দিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন তারা। 

জাইলসের ভ্রমণের এই টাকা আসে তার বাবার পেনশনের টাকা থেকেই। যার কারণে আগে থেকেই ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে হয় তার। তার প্লেনের টিকেট কাটার জন্য তার মা তাকে সাহায্য করেন বলে বিবিসে জানান বিশেষভাবে সক্ষম এই মানুষটি। কেননা অধিকাংশ এয়ারলাইন্স কোম্পানিতেই অন্ধদের জন্য যথেষ্ট সুবিধা নেই।

এছাড়া বিভন্ন দেশে তাকে থাকার জন্য যারা সাহায্য করেন তাদের সঙ্গে আগেই কথা বলে নেন জাইলস। এ বিষয়ে তিনি জানান, আমি কোনো বই বা ট্র্যাভেল গাইড দেখে ঠিক করতে পারি না যে একটি দেশের কোথায় কোথায় আমি যাবো। ঐ তথ্যগুলো ভ্রমণের আগেই জানতে হয় আমার। তাই আমি আগে থেকেই আমার ভ্রমণের পরিকল্পনা করে ফেলি। 

এছাড়া সব অঞ্চলের স্থানীয় খাবার খাওয়াও তার ভ্রমণের অন্যতম লক্ষ্য থাকে। জাইলস অনেক দর্শনীয় জায়গায় গিয়েছেন এবং অনেক জায়গার ছবিও তুলেছেন। সেসব ছবি জাইলস নিজে হয়তো উপভোগ করতে পারেন না, তবে তার ওয়েবসাইটগুলোতে দর্শকরা সেসব ছবি দেখে বিশ্বের নানা জায়গা সম্পর্কে জানতে পারেন।

অনেকসময় মানুষ তার ভ্রমণের নেশা দেখে অবাক হয়ে যায়। কিন্তু তারা তো জানে না, একজন অন্ধ ব্যক্তিও পৃথিবীর রূপ-রস-গন্ধ উপভোগ করতে পারে, যদি তার একটা মনের চোখ তৈরি হয়। আর জাইলসের সেই মনের চোখটা আছে, যা দিয়ে তিনি গোটা দুনিয়া ঘুরে দেখতে চান।

এই বিভাগের আরো খবর