রোববার   ২০ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৫ ১৪২৬   ২০ সফর ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
ফাদার রিগনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিকেলে যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক অখ্যাত মায়োর্কার মাঠে রিয়ালের প্রথম হার টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ মাদক ব্যবসায়ী নিহত শ্রমিকের স্বার্থে কাজ করছে সরকার: শ্রম প্রতিমন্ত্রী যুবলীগ থেকে বহিষ্কার কাউন্সিলর রাজীব টেকনাফে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ রোহিঙ্গা আটক রাজীবের মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান পরিচালনা করছে র‌্যাব অস্ত্র ও মাদকসহ রাজীবকে আটক করেছে র‌্যাব কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজিব গ্রেফতার আসছে ‘জলের গান’র অ্যালবাম, থাকছে বারী সিদ্দিকীর গান বছর শেষ হলেই বাতিল হচ্ছে ২ হাজার রুপির নোট ঢাকায় আসছেন নিউইয়র্ক সিটির ৫ সিনেটর বাকেরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত দাইয়ুস জান্নাতে যাবে না ড্রাগনের রক্ত বয়ে চলেছে যে গাছ! বালিশকাণ্ডের মতো কলঙ্কজনক কাজ যেন না হয় :পরিকল্পনামন্ত্রী দলে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দেওয়া হবে না: নাসিম দোয়া পাওয়ার জন্য রাজনীতি করি : শামীম ওসমান আর্থিক সংকটে দুদিন বন্ধ জাতিসংঘ
১২

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার

প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে যাচ্ছে সরকার।প্রথম বহরমপুর, এরপর ত্রিপুরার পালাতানা, এখন ঝাড়খণ্ড থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার। কুষ্টিয়া, দক্ষিণ কুমিল্লা এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ এই তিন অঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আনা হবে।

এই তিন সাইট দিয়ে মোট আমদানি হবে ২ হাজার ৯৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, যা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। ইতোমধ্যে বহরমপুর থেকে বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয়েছে। ঝাড়খণ্ড দিয়ে আমদানির জন্য ২৮ কিলোমিটার ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালনলাইন নির্মাণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

এর জন্য ব্যয় হবে ২২৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। আগামী মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পেশ করা হচ্ছে বলে একনেক সূত্রে জানা গেছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাবনা থেকে জানা গেছে, ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গড্ডা জেলায় আদানি পাওয়ার লিমিটেড ২ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট কোল ফায়ার্ড থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করছে।

ওই প্ল্যান্ট থেকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই বিদ্যুৎ রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলসহ ঢাকার বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করবে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন একটি প্রকল্পের আওতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহসপুর থেকে বগুড়া পর্যন্ত ১০৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪০০ কেভি সঞ্চালনলাইন নির্মাণ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ওই গ্রিডের সাথে ভারত থেকে আমদানিকৃত বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংযোগ স্থাপন করবে। আর এ জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউনিয়ন থেকে একই জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়ন (সীমান্তবর্তী) পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালনলাইন নির্মাণ করতে যাচ্ছে।

তিন বছর মেয়াদে এই লাইন নির্মাণ করা হবে। আগামী ২০২১ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পটি সমাপ্ত হওয়ার কথা। প্রকল্পটি চলতি অর্থবছরের এডিপিতে বরাদ্দবিহীন অননুমোদিত প্রকল্পের তালিকায় রয়েছে।

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, আদানি পাওয়ার (ঝাড়খণ্ড) লিমিটেড (এপিজেএল) থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যাপারে গত ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড পিজিসিবি এবং ভারতের এপিজেএলের মধ্যে বিদ্যুৎ ক্রয় সম্মতি (পিপিএ) এবং বাস্তবায়ন সম্মতি (আইএ) স্বাক্ষরিত হয়।

ওই সম্মতি চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ২০২২ সালের জানুয়ারি ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পাওয়ার ইভেকুয়েশন শুরু করতে হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর ছয় মাস আগে ব্যাক ফিড পাওয়ার সরবরাহ করতে হবে। ওই লাইনের ফলে জাতীয় গ্রিডে আরো ১৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

ব্যয় বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায়, ঝাড়খণ্ড থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে ২৮ কিলোমিটার লাইন নির্মাণে প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় হবে ৫ কোটি ৭১ লাখ ৪২ হাজার টাকা। ত্রিপুরা থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে প্রতি কিলোমিটার লাইন নির্মাণের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

 

এই বিভাগের আরো খবর