• বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৮ ১৪২৭

  • || ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২১৯৮ বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড ফাইজারের ভ্যাকসিন অনুমোদন দিলো যুক্তরাজ্য করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩১, শনাক্ত ২২৯৩ ঘরোয়া অনুষ্ঠানের কথাও পুলিশকে জানাতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ৭ জানুয়ারি ভাস্কর্য নিয়ে উস্কানি ছড়ালে সরকার বসে থাকবে না: তথ্যমন্ত্রী চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, ২৮ প্রতারক আটক করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৯, শনাক্ত ১৭৮৮ মূর্তি আর ভাস্কর্য এক নয়: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বিএনপির গণতন্ত্র হচ্ছে ‘মুখে শেখ ফরিদ আর বগলে ইট’: কাদের ঢাকা থেকে পায়রাবন্দর পর্যন্ত রেললাইন নিয়ে যাব: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত ওস্তাদ শাহাদাত হোসেন খান আর নেই করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৬, শনাক্ত ১৯০৮ ভ্যাকসিনের জন্য ৫০ শতাংশ টাকা ছাড়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৭, শনাক্ত ২২৯২ কিংবদন্তি ফুটবলার ম্যারাডোনা আর নেই এসআই আকবরকে পালাতে সহায়তাকারী ২ পুলিশ বরখাস্ত করোনায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু ডিসেম্বরেই এইচএসসির ফল: শিক্ষামন্ত্রী

ব্যারিস্টার রফিক-উল হক মারা গেছেন

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২০  

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের রক্ত শূন্যতা ও প্রস্রাবের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত জটিলতা দেখা দেয়ায় মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

পরে ১৭ অক্টোবর তিনি কিছুটা সুস্থবোধ করলে সকালের দিকে রিলিজ নিয়ে বাসায় ফিরে যান। অবস্থার অবনতি হলে এদিন দুপুরের পরপরই ফের তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গত জুনে ডায়াবেটিকের পরিমাণ কমে যাওয়ায় আদ-দ্বীন হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। তখন তিনি পল্টনের বাসায় অবস্থান করে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেন।

১৯৩৫ সালের ২ নভেম্বর কলকাতার সুবর্ণপুর গ্রামে ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের জন্ম। তিনি ১৯৯০ সালের ৭ এপ্রিল থেকে একই বছরের ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। তিনি ছিলেন রাষ্ট্রের ষষ্ঠ প্রধান আইন কর্মকর্তা।