সোমবার   ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৫ ১৪২৬   ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে : নাসিম ব্যাংকের জঙ্গি অর্থায়ন নজরদারিতে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪০০ মেট্রিক টন মধু রফতানির অর্ডার পেয়েছে বাংলাদেশ : কৃষিমন্ত্রী নয় বছরে সাড়ে ৯৭ হাজার কর্মকর্তা নিয়োগ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী দেশে মোবাইল টাওয়ার রেডিয়েশনের মাত্রা ক্ষতিকর নয় : বিটিআরসি সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ২০ বছর পর আজ ঢাকায় আসছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালেদার প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদন পাইনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উহান ফেরত শিক্ষার্থীরা নজরদারিতেই থাকবেন : আইইডিসিআর রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইন্দোনেশিয়ার সহায়তা চাইলেন ড. মোমেন ইউএনও’দের মাধ্যমে রাজাকারের তালিকা করা হবে : মোজাম্মেল হক মানবপাচারে অভিযুক্ত এমপির বিষয়ে দুদককে তদন্তের আহ্বান কাদেরের হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন বিশ্বকাপজয়ী ৬ ক্রিকেটারকে নিয়ে বিসিবি একাদশ ঘোষণা মশা মারার পর্যাপ্ত ঔষধ মজুত আছে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী রহমত আলীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট রহমত আলী আর নেই নিঃস্বার্থভাবে জনগণের কাজ করুন, নেতাকর্মীদের শেখ হাসিনা কে ভোট দিল কে দিল না তা বিবেচনা করে না আ. লীগ : প্রধানমন্ত্রী আ.লীগ উন্নয়নে বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী
৪০

বিশেষ কৌশলে বাংলাদেশ থেকে ইয়াবা যাচ্ছে দুবাই, গ্রেপ্তার ১

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০১৯  

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম এলাকা থেকে ২৬ হাজার ২০টি ইয়াবাসহ আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালানকারী চক্রের সদস্য মো. নাসির উদ্দিন সরকারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১। রোববার রাতে ৩ নম্বর সেক্টরের ১৫ নম্বর রোডে একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে আচারের দুটি বয়াম থেকে এসব ইয়াবা ও একটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১ এর সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) মো.কামরুজ্জামান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে নাসির জানান দুবাইয়ের আবুধাবিতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সোহেল এই চক্রের মূল হোতা। তার বাড়ি কুমিল্লা দক্ষিণ সদর থানায়। সে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। বাংলাদেশে তার নিয়ন্ত্রণে মাদক সিন্ডিকেটে ১৫ থেকে ২০ জন রয়েছে। ২০০৮ সালে ৩ বছর মেয়াদি ভিসা নিয়ে দুবাই যায় নাসির। সেখানে আবুধাবির মোসাম্বা শহরে বহুতল ভবনের জন্য এসি তৈরীর একটি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে এসি ডাক্টিং ম্যান হিসেবে কাজ করে সে। সোহেলের সঙ্গে সেখানে তার পরিচয় হয়। সোহেল ওই প্রতিষ্ঠানে ফেব্রিকেটর হিসেবে কর্মরত ছিলো। পরবর্তীতে কোম্পানীটি বন্ধ হয়ে গেলে ২০০৯ সালের শেষের দিকে নাসির উদ্দিন দেশে ফিরে আসে। দেশে ফেরার পর সে একটি মোবাইলের দোকান দেয় কিন্তু সেখানে লোকসান হওয়ায় সে ড্রেজার মেশিনে চুক্তি ভিত্তিক মাটি কাটার কাজ শুরু করে। দেশে ফেরার পর মাঝে মাঝে সোহেলের সঙ্গে তার কথা হতো। সোহেল তাকে মোটা অঙ্কের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে মাদক ব্যবসার কথা বললে নাসির রাজি হয়। এ পর্যন্ত সে এই সিন্ডিকেটের হয়ে প্রায় ২৫টির মতো মাদকের বড় চালান দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবারহ করে। নাসির আরও জানান, মাদকের একটি চালান নিয়ে দুবাই যাওয়ার কথা ছিলো তার। এজন্য তাকে অগ্রিম ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়। বিমানবন্দরে চেকিংয়ের সময় যাতে মাদকের উপস্থিতি বোঝা না যায় সেজন্য একটি বিশেষ কৌশল অবলম্বন করা হয়। সে সোহেলের নির্দেশে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো প্রথমে কার্বন পেপারে মুড়িয়ে নেয় এরপর তার উপর কালো স্কচ টেপ দিয়ে পেচিয়ে ২টি আচার ভর্তি বয়ামের ভেতর নেয়। চালানটি নিয়ে সোমবার রাতে দুবাই যাওয়ার কথা ছিল নাসিরের। এই প্রক্রিয়ায় সিন্ডিকেটের সদস্যরা এই পর্যন্ত অসংখ্য মাদকের চালান আকাশ পথে দেশের বাইরে নিয়ে গেছে। নাসিরের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়।

এই বিভাগের আরো খবর