বুধবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ২ ১৪২৬   ১৮ মুহররম ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
আজ গাজীপুর যাবেন প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ দূষণ: ৪ প্রতিষ্ঠানকে কোটি টাকা জরিমানা স্বর্ণজয়ী রোমান সানার মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী আরো দু’টি বোয়িং বিমান কেনার ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দির তথ্য ডাটাবেজে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: প্রধানমন্ত্রী অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী দুই মাসে এডিপি বাস্তবায়নের হার বেড়েছে ৪.৪৮ শতাংশ উদ্বোধনের দিনেই পদ্মাসেতুতে ট্রেন চলবে: রেলমন্ত্রী ৮ হাজার ৯৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকার প্রকল্প একনেকে অনুমোদন ভারতীয় কোস্টগার্ড ডিজির সঙ্গে রীভা গাঙ্গুলির বৈঠক বরিশালে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইসির চুরি যাওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার, আটক ৩ আজ মহান শিক্ষা দিবস প্রধানমন্ত্রী ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করবেন আজ রোহিঙ্গা ভোটার: ইসি কর্মচারীসহ আটক ৩ রিফাত-মিন্নির নতুন ভিডিও, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ‘বিজ্ঞান-প্রযুক্তির বিকাশ ছাড়া দেশ উন্নয়ন করা সম্ভব নয়’ রোহিঙ্গা ভোটার খতিয়ে দেখতে চট্টগ্রামে কবিতা খানম আগামী ১০মাসের রোডম্যাপ তৈরি ও তার বাস্তবায়ন করবো - জয় ও লেখক
১৯

বিশেষ কৌশলে বাংলাদেশ থেকে ইয়াবা যাচ্ছে দুবাই, গ্রেপ্তার ১

প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০১৯  

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম এলাকা থেকে ২৬ হাজার ২০টি ইয়াবাসহ আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালানকারী চক্রের সদস্য মো. নাসির উদ্দিন সরকারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১। রোববার রাতে ৩ নম্বর সেক্টরের ১৫ নম্বর রোডে একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে আচারের দুটি বয়াম থেকে এসব ইয়াবা ও একটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১ এর সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) মো.কামরুজ্জামান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে নাসির জানান দুবাইয়ের আবুধাবিতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সোহেল এই চক্রের মূল হোতা। তার বাড়ি কুমিল্লা দক্ষিণ সদর থানায়। সে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। বাংলাদেশে তার নিয়ন্ত্রণে মাদক সিন্ডিকেটে ১৫ থেকে ২০ জন রয়েছে। ২০০৮ সালে ৩ বছর মেয়াদি ভিসা নিয়ে দুবাই যায় নাসির। সেখানে আবুধাবির মোসাম্বা শহরে বহুতল ভবনের জন্য এসি তৈরীর একটি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে এসি ডাক্টিং ম্যান হিসেবে কাজ করে সে। সোহেলের সঙ্গে সেখানে তার পরিচয় হয়। সোহেল ওই প্রতিষ্ঠানে ফেব্রিকেটর হিসেবে কর্মরত ছিলো। পরবর্তীতে কোম্পানীটি বন্ধ হয়ে গেলে ২০০৯ সালের শেষের দিকে নাসির উদ্দিন দেশে ফিরে আসে। দেশে ফেরার পর সে একটি মোবাইলের দোকান দেয় কিন্তু সেখানে লোকসান হওয়ায় সে ড্রেজার মেশিনে চুক্তি ভিত্তিক মাটি কাটার কাজ শুরু করে। দেশে ফেরার পর মাঝে মাঝে সোহেলের সঙ্গে তার কথা হতো। সোহেল তাকে মোটা অঙ্কের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে মাদক ব্যবসার কথা বললে নাসির রাজি হয়। এ পর্যন্ত সে এই সিন্ডিকেটের হয়ে প্রায় ২৫টির মতো মাদকের বড় চালান দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবারহ করে। নাসির আরও জানান, মাদকের একটি চালান নিয়ে দুবাই যাওয়ার কথা ছিলো তার। এজন্য তাকে অগ্রিম ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়। বিমানবন্দরে চেকিংয়ের সময় যাতে মাদকের উপস্থিতি বোঝা না যায় সেজন্য একটি বিশেষ কৌশল অবলম্বন করা হয়। সে সোহেলের নির্দেশে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো প্রথমে কার্বন পেপারে মুড়িয়ে নেয় এরপর তার উপর কালো স্কচ টেপ দিয়ে পেচিয়ে ২টি আচার ভর্তি বয়ামের ভেতর নেয়। চালানটি নিয়ে সোমবার রাতে দুবাই যাওয়ার কথা ছিল নাসিরের। এই প্রক্রিয়ায় সিন্ডিকেটের সদস্যরা এই পর্যন্ত অসংখ্য মাদকের চালান আকাশ পথে দেশের বাইরে নিয়ে গেছে। নাসিরের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়।

এই বিভাগের আরো খবর