শুক্রবার   ২২ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৮ ১৪২৬   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে গড়ে তোলা হবে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে কাজ করার আহ্বান আজ বরিশালে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে যুদ্ধ জাহাজ সড়ক পরিবহন আইনের অসঙ্গতি দূর করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘বিএনপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব সৃষ্টি করছে’- কাদের অনার্স ২য় বর্ষের ২৫ নভেম্বরের পরীক্ষা স্থগিত কোন অপপ্রচারে কান না দিতে জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ‘গোলাপি’ যাত্রা রাঙ্গাতে কাল মাঠে নামছে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এখন সম্মানের দেশ: প্রধানমন্ত্রী আগৈলঝাড়ায় প্রতিবন্ধি শিশু ধর্ষণ, এক ঘন্টার মধ্যে ধর্ষক গ্রেফতার সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় আ. লীগের অভ্যর্থনা উপকমিটির সভা ইউনেস্কোর সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বরিশালে পৃথক অভিযানে ২৫ মণ জাটকা জব্দ শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা দুদকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ সশস্ত্র বাহিনী নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আইভোরি কোস্টের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ সশস্ত্র বাহিনী জাতির গর্বের প্রতীক : রাষ্ট্রপতি আজ বিশ্ব টেলিভিশন দিবস
৫৪৭

বিলুপ্তির পথে  নিপূণ কারিগর বাবুই পাখির বাসা

প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০১৮  

গ্রামবাংলার অতি পরিচিত বাবুই পাখি তার নিপুণ ছোঁয়ায় তৈরি করতো নিজ বাসা। সেই নিপুণ শৈল্পিকতা তুলে ধরেছেন কবি সাহিত্যিকরা। কালের আবর্তে এই বাবুই পাখির বাসা আজ বিলুপ্ত হতে চলেছে। এখন আর আগের মত চোখে পড়ে না বাবুই পাখির বাসা।
 নারিকেল পাতা, তালের পাতা, খেজুর পাতা, কাশের পাতা, আখের পাতা, লম্বা শক্ত ঘাস এসবের সমন্বয়ে একটি গাছে তিন প্রকারের বাসা নির্মাণ করতো বাবুই পাখি। এর মধ্যে একটি বসবাসের জন্য, একটি ডিম পেড়ে বাচ্ছা ফুটানোর জন্য এবং একটি খাবার সংগ্রহ করে রাখার জন্য। বাসা নির্মাণের জন্য তারা সাধারণত তালগাছকে বেছে নিতো। কারণ অন্যান্য গাছের ডালপালা ঝড়ে ভাঙার সম্ভাবনা বেশী। কিন্তু তালগাছের ডালপালা না থাকায় ভাঙার সম্ভাবনা কম, এক্ষেত্রেও বাবুই পাখির চরম বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পাওয়া যায়। তালগাছ দীর্ঘমেয়াদী গাছ। তাই বাণিজ্যিকভাবে তালগাছের আবাদ হয় না। গ্রামগঞ্জ থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে তালগাছ। তাই বাবুই এখন বাসা বাঁধারও জায়গা পায় না। তারপর মানুষ বনবাদাড় সাফ করে সেখানে গড়ে তুলছে সুরম্য অট্টালিকা। তাই বাবুইরা প্রজনন করতে না পারায় ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে  প্রকৃতি এই নিপুণ শিল্পী।
চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচার হাফিজুর রহমান জাহিদ বলেন, এক সময় সাড়িবদ্ধ তালগাছের ছিল বাবুই বাসা। আজ এখন আর সেই বাসা চোখে পড়েনা। বিছিন্ন দ্বীপ ঢালচর , চরকুকরি-মুকরি ও মজিব নগর এলাকার চরাঞ্চলে খেজুর ও তালগাছ নিপূণ শিল্পী বাবু পাখি বাসা বুনে বসবাস করছে। আজ কালের বিবর্তে এখন হারিয়ে যাচ্ছে বাবু পাখিরবাসা।

এই বিভাগের আরো খবর