সোমবার   ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১১ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
পতাকার মর্যাদা ধরে রাখতে সেনা সদস্যদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান জুয়ার আসর থেকে আটক ২৬ দুই ইউনিভার্সিটিকে ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের সহযোগী র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার দৃশ্যমান পদ্মা সেতুর পৌনে চার কিলোমিটার সারা দেশে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত ইংরেজি উচ্চারণে বাংলা বলার সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর উন্নত দেশ গড়তে বেসরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুজিববর্ষে বিএনপিকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে: কাদের ভণ্ডপীরসহ ৯ জনের কারাদণ্ড প্রধানমন্ত্রী সব সময় শিক্ষাকে গুরুত্ব দেন: পরিকল্পনামন্ত্রী মুজিব বর্ষে নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন করা হবে: শিল্প প্রতিমন্ত্রী আসন্ন সেচ মৌসুমে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা নেই : বিদ্যুৎ বিভাগ একুশে পদক হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুক্রবার একুশে পদক মেধা ও মনন চর্চার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করবে : রাষ্ট্রপতি আজ একুশে পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী এনামুল বাছিরের পদোন্নতির আবেদন হাইকোর্টে খারিজ জাপানের সঙ্গে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সুস্থ যুব সমাজের বিকল্প নেই : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ
২৩

বিএনপির সন্দেহের তালিকায় যে চার নেতা

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২০ জানুয়ারি ২০২০  

শত চেষ্টা করেও জনগণের সামনে নিজেদের গ্রহণযোগ্য ইমেজ তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছে বিএনপি। মূলত বিএনপির কিছু বিশ্বাসঘাতকের কারণেই পদে পদে মুখ থুবড়ে পড়েছে তারা এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিভুরঞ্জন সরকার বলেন, বিএনপি নেতাদের মধ্যে অনেক বিশ্বাসঘাতক রয়েছে। যার প্রথম সারিতেই আছেন ড. কামাল হোসেন। বিএনপির তরুণ দুই মেয়র প্রার্থীকে সমর্থন দেয়ার দুদিন পরেই জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগননা অনুষ্ঠানে তাকে দেখা গেছে। ক্ষণগননা অনুষ্ঠানে কামাল হোসেনের উপস্থিতি নিয়ে বিএনপির মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিএনপির সিনিয়ররা মনে করছেন, তার কারণেই ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে বিএনপির এই ভরাডুবি হয়েছে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারিতে ড. কামাল হোসেনের ভূমিকা কি হবে তা তারা সন্দেহের চোখে দেখছেন বলেই মনে হয়।ইশরাকের প্রচারণা এর ছবির ফলাফল

বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে রাজনৈতিক বিশ্লেষক এ আরাফাত বলেন, বিএনপিতে অনেক বিশ্বাস ঘাতক রয়েছে। অনেকে মির্জা ফখরুলকে সন্দেহ করেন। কেননা মির্জা ফখরুল ইসলামের কারণেই বিএনপি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছিল। তিনিই সরকারের সঙ্গে আঁতাত এবং গোপন লেনদেনগুলো করে থাকেন যে কারণে বিএনপি আবার সংসদে গেছে।

এছাড়া, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জন্য মির্জা আব্বাস বা তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারেক রহমানের নির্দেশে সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। মির্জা আব্বাস এটা কখনোই মন থেকে মেনে নিতে পারেননি। যদিও নির্বাচনী প্রচারণায় মির্জা আব্বাস এবং তার স্ত্রীকে দেখা যাচ্ছে। স্ত্রীকে নিয়ে তিনি বিভিন্ন প্রচারণায় অংশগ্রহণ করছেন। এখানেই সাদেক হোসেন খোকার ঘনিষ্ঠদের সন্দেহ। তাদের মতে সাদেক হোসেন খোকার পুত্রের শুভাকাঙ্খি কখনো মির্জা আব্বাস হতে পারে না। কাজেই এই নির্বাচনে অংশ নিয়ে কার্যত তিনি ইশরাককে ডুবানোর মিশনে নেমেছেন কিনা তা নিয়েই চলছে নানা গুঞ্জন।

এই বিভাগের আরো খবর