শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩০ ১৪২৬   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
বরিশালে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত বরিস জনসনকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন আগৈলঝাড়ায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত বুদ্ধিজীবী দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরের শাহাদতবার্ষিকী আজ বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা বরিশালে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস উদযাপন আজকের নবীন কর্মকর্তারাই হবেন ৪১ সালের সৈনিক : প্রধানমন্ত্রী ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে দায়িত্বশীল হতে হবে: স্পিকার বয়স্ক বাবা-মাকে না দেখলে জেল চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে যারা ফখরুল-রিজভীসহ ১৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুই মামলা আগৈলঝাড়ায় ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালন  সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে ‘কনসার্ট ফর ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এসক্যাপ অধিবেশনে যোগ দিতে শেখ হা‌সিনা‌কে আমন্ত্রণ কৃষি আধুনিক হলেই মাথাপিছু আয় বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস আজ
৬১

বাবুগঞ্জে ধর্ষণ শেষে হত্যা: দুই বন্ধুর যাবজ্জীবন 

প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০১৯  

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের আরজি কালিকাপুর গ্রামে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষন শেষে শ্বাসরোধে হত্যা মামলায় দুই বন্ধুকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এক লাখ টাকা (২ লাখ টাকা) করে জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই মাসের দন্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। রোববার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বাদী ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানার এসআই সিদ্দিকুর রহমান। দন্ডপ্রাপ্ত আসামী হচ্ছে ঃ আরজি কালিকাপুর গ্রামের সেন্টু খানের ছেলের মনির খান এবং একই এলাকার কালাম মীরার ছেলে রুবেল মীরা। রায় ঘোষণাকালে প্রধান আসামী মনির উপস্থিত থাকলেও রুবেল পলাতক।

নির্যাতিত মুক্তা ধর্ষকদের প্রতিবেশী এবং একই এলাকার খলিল ঘরামীর মেয়ে। সে আরজি কালিকাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারি কৌশলী ফয়জুল হক ফয়েজ জানান, ধর্ষকদের পরিবারের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল নির্যাতিত মুক্তার পরিবারের। ২০১২ সালের ২৯ জুলাই রাতে মুক্তা পার্শ্ববর্তী তার বান্ধবী সুমীর বাসায় টেলিভিশন দেখতে যায়। টেলিভিশ দেখে আর সে ফিরে আসেনি। পরদিন সুমীদের বাড়ির রান্নাঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মুক্তার লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে অপমৃত্যু মামলা দায়ের হলেও পরবর্তীতে ফরেনসিক রিপোর্টে ধর্ষন এবং হত্যার আলামত পাওয়া যায়।

হত্যা ও ধর্ষনের আলামত পাওয়ার পর এসআই সিদ্দিকুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এয়ারপোর্ট থানার দুই এসআইকে পর্যায়ক্রমে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হলেও তারা ফাইনাল রিপোর্ট দেয়ায় বাদী নারাজী দিলে আদালত সর্বশেষ সিআইডিতে মামলাটি হস্তান্তর করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয় ওসি আল মামুন উল ইসলামকে।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মনির ও রুবেলকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশীটে উল্লেখ করা হয় ঘটনার দিন রাতে সুমীর বাসা থেকে বের হওয়ার পর পূর্ব থেকে ওৎপেতে থাকা মনির ও রুবেল নির্যাতিত মুক্তাকে তুলে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর গলাটিপে হত্যার করে লাশ সুমীদের বাড়ির রান্নাঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখে। ২৬ জনের সাক্ষ্য শেষে বিচারক ওই রায় দেন।

এই বিভাগের আরো খবর