বুধবার   ১৬ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৬ সফর ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
একাদশ সংসদের পঞ্চম অধিবেশন শুরু ৭ নভেম্বর যেখানে দুর্নীতি-টেন্ডারবাজি সেখানে অভিযান- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ন্যাম সম্মেলনে যোগ দিতে বাকু যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : প্রধান আসামির জামিন নামঞ্জুর বিএসএমএমইউয়ে বিশ্ব অ্যানেসথেসিয়া ও মেরুদণ্ড দিবস পালিত মুন্সিগঞ্জের ১৩টি সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের ধারাবাহিকতার কারণেই উন্নয়ন প্রকল্প গতিশীল: প্রধানমন্ত্রী আজ কম্বোডিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ বিশ্ব অ্যানেসথেসিয়া দিবস আজ মিনিস্ট্রিয়াল কনসালটেশনে যোগ দিতে আমিরাতে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ নিরাপদ খাদ্য নি‌শ্চিত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বরিশালে ২৭ জেলের জেল-জরিমানা কখন গোসল করা ভালো, সকালে না রাতে? জনপ্রশাসনের ৬ কর্মচারী মাসের সেরা কর্মী নির্বাচিত নতুন প্রজন্মকে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান দেশের প্রথম বাণিজ্যিক সৌর প্লান্টের উৎপাদন শুরু পাকিস্তান সফরে প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটন বদলে গেল বাংলা বর্ষপঞ্জি, বুধবার ৩১ আশ্বিন
১৩০

বাকেরগঞ্জে মিড ডে মিলে শিক্ষার্থীরা পেল দুপুরের খাবার

প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০১৯  

কলসকাঠী বিএম একাডেমী প্রাঙ্গনে মাটির থালা নিয়ে অপেক্ষারত ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী। কিছু সময়ের মধ্যে তাদের মাঝে ৪/৫টি বড় ড্যাগে করে আসে খিচুড়ী। তিন ধরনের ডাল, পাচ রকমের সব্জি আর কলে ছাটা চালের তৈরী খিছুরী দেখে লোভ সামলাতে পারছিলেন না শিক্ষার্থীরা। কোন অনুষ্ঠান কিংবা বিশেষ কোন আয়োজনের জন্য এই খাবার তৈরী করা হয়নি। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পরিচালনা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মিড ডে মিলের(দুপুরের খাবার) খাবার ছিলো ওই খিছুরি।  সোমবার বরিশালের জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান শিক্ষার্থীদের মুখে খাবার তুলে দিয়ে এই মিড ডে মিলের আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করেন। সপ্তাহে পাঁচদিন এই মিড ডে মিল চলবে বলে জানিয়েছে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক কুমার পাল। এসময় বিদ্যালয় ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার আনোয়ার হোসেন, বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাধবী রায়, উপজেলা শিক্ষা অফিসার আকমল হোসেন, কলসকাঠী ইউপি চেয়ারম্যান আ. রাজ্জাক তালুকদার, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আ. সালাম প্রমুখ। জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান বলেন, এ অঞ্চলের অধিকাংশ শিক্ষার্থী দরিদ্র। অর্থ ব্যায় করে তাদের পক্ষে বিদ্যালয়ে বসে খাবার খাওয়া সম্ভব না। বিদ্যালয় কতৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের জন্য নিজ অর্থে যে খাবারের ব্যাবস্থা করেছেন তা সত্যি মহতি উদ্যোগ। তবে এই উদ্যোগ চলমান রাখতে হবে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে। বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক দীপক কুমার পাল বলেন, নিজেদের বাড়ির বাগানের শাক-সবজী এনেছিল শিক্ষার্থীরা। কেউ এনেছিল লাউ ডগা, পুঁইশাক। কেউ এনেছিল ঢেঁড়স। সেই সব শাক-সবজী দিয়ে হল খিচুড়ি। সোমবার মিড ডে মিলে তা দেওয়া হল শিক্ষার্থীদের। মিড ডে মিলে ‘ভেজ প্রোটিন’ বা উদ্ভিজ্জ প্রোটিন দিতে হবে রোজ। সঙ্গে ভাত- ডাল- তরকারি। মেনুতে আনাজের পরিমাণ বাড়াতে হবে। স্কুলে এই চেষ্টাও হয় পরে স্কুল ঠিক করে, শিক্ষার্থীদের কাছে শাক-সবজীর গুরুত্ব বোঝানো হবে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক দীপক কুমার পালের কথায়, ‘সেই ভাবনা থেকেই এই উদ্যোগ।’ স্কুলের সহ-শিক্ষক সৈয়দ লোকমান হোসেনের কথায়, ‘শিক্ষার্থীদের জানানো হয়েছিল, যে যতটুকু পারবে বাড়ির বাগানের শাক-সবজী আনবে। সেই মতো শিক্ষার্থীরা সবজী আনে। এর ফলে তাদের মধ্যে সচেতনতাও গড়ে উঠবে।’ ওইদিন স্কুলে মিড ডে মিলের মেনু ছিল শুরুতে পাতিলেবু, শাকভাজা। পরে ভাত, ডাল, নবরত্ন, আর শেষ পাতে চাটনি। 

এই বিভাগের আরো খবর