• বুধবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ১৩ ১৪২৭

  • || ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
৭ ফেব্রুয়ারি একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে করোনায় ১৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৫১৫ কারও ব্যবসায়িক স্বার্থে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করেনি সরকার: কাদের দেশের প্রথম নৌপ্রধান ক্যাপ্টেন নুরুল হক আর নেই দেশে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চার লাখ ৮১ হাজার: কাদের শেখ হাসিনার আমলে কোন মানুষ গৃহহীন থাকবে না: শাহরিয়ার আলম বৈধ পথে বাড়ছে রেমিট্যান্স: পলক করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৮, শনাক্ত ৬০২ চার ফিফটিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৯৭ সব জেলায় ৪-৫ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন পৌঁছে যাবে: পাপন দেশে পৌঁছেছে সেরামের ৫০ লাখ টিকা রমজানে টিসিবির পণ্য ৩ গুণ বাড়ানো হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী রেশম শিল্পের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে: পাটমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২০, শনাক্ত ৪৭৩ অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক‌্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: কাদের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়মিত ক্লাস হবে: শিক্ষামন্ত্রী ঢাকা শুধু বাসযোগ্য নয়, বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হবে: তাজুল করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২২, শনাক্ত ৪৩৬ সবার আগে আমি ভ্যাকসিন নেব : অর্থমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬, শনাক্ত ৫৮৪

বরিশাল বিভাগে শেষ হলো ১৭০৬ জনের হোম কোয়ারেন্টিন

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৩১ মার্চ ২০২০  

 


বরিশাল বিভাগে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকাদের মধ্যে এরইমধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৭০৬ জন। এদের মধ্যে অধিকাংশেই বিদেশফেরত বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। ১৪ দিন বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের এদের কোনো শারীরিক অবনতি দেখা না দেওয়ায় তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ছয় জেলায় মোট ২ হাজার ৯০০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। এর মধ্যে মোট ১ হাজার ৭০৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বরগুনা জেলায় হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে থাকা তিনজনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ফলে এ পর্যন্ত বিভাগটিতে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে মোট ১ হাজার ৭০৯ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগটির মধ্যে বরিশাল, বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলায় কাউকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়নি। বাকি তিন জেলায় ৬০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে এবং বিভাগের ছয় জেলায় মোট ১৬১ জনকে গত ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঁচ জন ও ভোলা ও বরগুনায় এক জন করে রোগী আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস  জানান, করোনা ভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডগুলোতে রোগী ভর্তি করা হলেও বিভাগের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়নি। শেবাচিম হাসপাতালে মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া বিভাগটির জন্য শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য পলিমারজ চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) মেশিন এসে পৌঁছেছে। এটি স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।