রোববার   ২০ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৫ ১৪২৬   ২০ সফর ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
ফাদার রিগনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিকেলে যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক অখ্যাত মায়োর্কার মাঠে রিয়ালের প্রথম হার টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ মাদক ব্যবসায়ী নিহত শ্রমিকের স্বার্থে কাজ করছে সরকার: শ্রম প্রতিমন্ত্রী যুবলীগ থেকে বহিষ্কার কাউন্সিলর রাজীব টেকনাফে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ রোহিঙ্গা আটক রাজীবের মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান পরিচালনা করছে র‌্যাব অস্ত্র ও মাদকসহ রাজীবকে আটক করেছে র‌্যাব কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজিব গ্রেফতার আসছে ‘জলের গান’র অ্যালবাম, থাকছে বারী সিদ্দিকীর গান বছর শেষ হলেই বাতিল হচ্ছে ২ হাজার রুপির নোট ঢাকায় আসছেন নিউইয়র্ক সিটির ৫ সিনেটর বাকেরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত দাইয়ুস জান্নাতে যাবে না ড্রাগনের রক্ত বয়ে চলেছে যে গাছ! বালিশকাণ্ডের মতো কলঙ্কজনক কাজ যেন না হয় :পরিকল্পনামন্ত্রী দলে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দেওয়া হবে না: নাসিম দোয়া পাওয়ার জন্য রাজনীতি করি : শামীম ওসমান আর্থিক সংকটে দুদিন বন্ধ জাতিসংঘ
৪৮

বরিশালে মৌসুম শেষে মিলছে নদীর ইলিশ

প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ইলিশ মৌসুমের বাকি আছে আর মাত্র ২২ দিন। আর এই শেষ ভাগে নদীতে ইলিশ মিললেও সাগরের ইলিশ না আসায় দাম তেমন কমছে না। সপ্তাহ জুড়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ থেকে ৬শ’ মণ করে নদীর ইলিশ মিলছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল বৃহৎ পাইকারি বাজার পোর্টরোডে মৎস্য আড়তদার সমিতির প্রচার সম্পাদক ইলিশ ব্যবসায়ী ইয়ার উদ্দিন সিকদার।

তিনি জানান, বর্তমানে নদীতে ইলিশ মিললেও সাগরের ইলিশের দেখা মিলছে না। ফলে দামও আশানুরূপ কমছে না। গতকাল সোমবার পাইকারি এ বাজারে এক কেজি সাইজের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৪০ হাজার টাকা প্রতি মণ, ১২শ’ থেকে সাড়ে ১২শ’ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। দেড় কেজি ওজনের সবচেয়ে বড়ো সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ৬৫ হাজার টাকা দরে। ৬শ’ থেকে সাড়ে ৯শ’ গ্রামের প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৩২ হাজার টাকায়। ৫শ’ থেকে ৬শ’ গ্রামের ইলিশ ২৫ হাজার ও ছোটো সাইজের ইলিশ প্রতি মণ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে গতকাল সরেজমিনে পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ ইলিশের পেটে ডিম ভর্তি। এছাড়া ছোটো সাইজের জাটকা ইলিশ এখানকার বাজারে বেশি বিক্রি হচ্ছে।

বরিশাল জেলা মৎস্য আড়তদার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নীরব হোসেন টুটুল জানান, এবার বছরের বেশির ভাগ সময়ই ইলিশ শূন্য ছিল এ পাইকারি বাজার। গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে সমুদ্রের কিছু ইলিশ আসলেও আর ইলিশের দেখা মিলছিল না। তবে কয়েক দিন ধরে নদ-নদী ও সাগরের মোহনা থেকে জেলেরা ইলিশ নিয়ে মোকামে আসছেন। নদ-নদীর এ ইলিশ চাহিদার তুলনায় খুবই নগণ্য, তাই দাম কমছে না। তিনি বলেন, বৈরী আবহাওয়া কেটে যাওয়ায় সাগরমুখে ট্রলার ছেড়ে গেছে। এ ট্রলার ফিরলে ও নদীতে মাছ মিললে দাম কিছুটা কমবে।

মেঘনা, তেতুলিয়া ও কীর্তনখোলাসহ বিভিন্ন নদীতে মৌসুমের শেষভাগে ইলিশ মিলতে শুরু করায় জেলে পরিবারগুলো ক্ষতি পুষিয়ে ওঠতে শুরু করেছে। এই জেলেরা সাগরে গিয়ে ইলিশ শিকার করেন না। তারা দীর্ঘ ৪/৫ মাস ধার-দেনা করে নদী চষে বেড়িয়েছেন কিন্তু ইলিশের দেখা পাননি। এখানকার বৃহত্ আড়ত মেসার্স মাহিমা এন্টারপ্রাইজে ইলিশ বিক্রি করতে আসা জেলে ইউসুফ মাঝি জানান গত ৭ দিনে তিনি ইলিশ বিক্রি করে ধার-দেনা পরিশোধ করেছেন। একাধিক জেলে জানান, গত কয়েকদিন ধরে নদীতে ও সাগরের মোহনায় ইলিশ মিলছে।

গত এক সপ্তাহ নগরী ও আশপাশের এলাকা থেকে ইলিশ কিনতে আসা ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে দাম একটু চড়া থাকায় অনেকেই ছোটো সাইজের ইলিশ কিনেছেন। আর বড়ো সাইজের ইলিশ ধনী ক্রেতারা কিনে বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে নিয়ে যাচ্ছেন।

অধিদপ্তরের বরিশালের মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) ড. বিমল চন্দ্র দাস জানান, ডিমওয়ালা মা-ইলিশ রক্ষায় আগামী ৯ অক্টোবর শুরু হচ্ছে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। এ সময় ডিম ছাড়তে সমুদ্রের লোনা পানি ছেড়ে নদ-নদীর মিঠাপানিতে আসছে ডিমওয়ালা ইলিশ। নিষেধাজ্ঞার আগে ও পরে নদ-নদী এবং সাগর মোহনায় জেলেদের জালে ইলিশ মিলবে বলে আশা করেন তিনি। ডিমওয়ালা মা-ইলিশ রক্ষা কার্যক্রম সফল হলে পরবর্তী বছর আরো ইলিশ পাওয়া যাবে বলে মনে করেন তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর