সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৭ ১৪২৬   ২৩ মুহররম ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
বাচ্চাকে মারধর করায় থানা ঘেরাও হনুমানের! জাতীয় নারী দাবায় শীর্ষস্থানে রানী হামিদ ইউজিসির কাঠগড়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ ভিসি ক্যাসিনোতে মিলল ধর্মীয় উপাসনা সামগ্রী! বিজয়নগর সায়েম টাওয়ার থেকে ১৭ জুয়ারী আটক ১৩ নেপালিকে মোটা অংকের বেতনে রাখা হয় জুয়া চালাতে স্পা সেন্টার থেকে আটক ১৬ নারী, ৩ পুরুষ আরও ১০ লক্ষ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান করা হবে- পলক আবুধাবি থেকে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী অজুহাতে কাজ আটকে রাখলে কঠোর ব্যবস্থা: গণপূর্তমন্ত্রী ব্যাংক নোটের আদলে টোকেন ব্যবহার করা যাবে না ঢাকা আসছেন বিশ্ব ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জাতিসংঘের দূত খিলক্ষেতে বোমা হামলা: ৫ জেএমবির ১২ বছরের দণ্ড আরামবাগ-দিলকুশা ক্লাবে জুয়ার সরঞ্জাম উদ্ধার ভিক্টোরিয়া ক্লাব থেকে নগদ টাকা ও মদের বোতল উদ্ধার সৌদিতে শিরশ্ছেদ করে ১৩৪ জনের মৃত্যুদণ্ড শিশুদের কোলবালিশের ভেতর থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার! মতিঝিলে ৪ ক্লাবে পুলিশের অভিযান রিমান্ডে খালেদ ও শামীমের কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য ঢাকায় বাংলাদেশ-ভারত নৌবাহিনী প্রধানের সাক্ষাত
১৪

বরিশালে মাদক মামলায় ৫ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  


 বরিশালে মাদক মামলায় পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- শহরের কাউনিয়া খালপাড় সংলগ্ন এলাকার মৃত কামরুল গাজীর ছেলে সজল ওরফে সাজন গাজী, নতুন বাজার আদি শ্মশান সংলগ্ন এলাকার সাগর মজুমদারের ছেলে জনি মজুমদার ও তার বড় ভাই সুজন মজুমদার, বিএম স্কুল এলাকার আলী হোসেন মৃধার ছেলে জুম্মান হোসেন মৃধা ও পটুয়াখালী পৌর শহরের পুরান বাজার এলাকার মৃত কালাচান ধরের ছেলে কাজল ধর ওরফে বিকাশ ধর।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২০ মার্চ নতুন বাজার এলাকায় ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত ওই পাঁচজনকে আটক করে। এসময় সজলের কাছ থেকে এক হাজার পিস ইয়াবা, জনির কাছ থেকে দুইশ’ পিস ও বাকি তিনজনের প্রত্যেকের কাছ থেকে একশ’ পিস করে মোট দেড় হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ২১ মার্চ কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন ডিবির ফিরোজ আহমেদ। তদন্তে সত্যতা পেয়ে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক কাজী মাহবুবুর রহমান একই বছরের ২৯ এপ্রিল পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

মামলায় ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক সজলকে ১২ বছর কারাদণ্ড, পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেন। এছাড়া জনিকে সাত বছর কারাদণ্ড, পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।

অপরদিকে জুম্মান, সুজন ও কাজলকে ছয় বছর করে কারাদণ্ড, পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় আসামি সজল পলাতক ছিলেন। বাকি চারজন উপস্থিত ছিলেন। সজল পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

এই বিভাগের আরো খবর