বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৬ ১৪২৬   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
শাহজালালে পৌঁছেছে পাকিস্তানের ৮২ টন পেঁয়াজ ক্রিকেটের সঙ্গে টেনিসও এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : চার্জ গঠন ২৮ নভেম্বর বরিশালে ৪৫ টাকা দরে টি‌সি‌বির পেঁয়াজ বি‌ক্রি, উপচেপড়া ভিড় র‌্যাব-৮ এর অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার কর্মবিরতি প্রত্যাহার, বরিশালে বাস চলাচল স্বাভাবিক ৭ ডিসেম্বর বিচারবিভাগীয় সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী বরিশাল বোর্ডে এসএসসিতে বৃত্তি পাচ্ছেন ১৪১৭ শিক্ষার্থী কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী আজ বরিশাল বোর্ডে এসএসসির ফরম পূরণে সময় বাড়লো জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান সবচেয়ে বেশি: পলক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাক মালিকদের ফের বৈঠক আজ চক্রান্তকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে: ওবায়দুল কাদের দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জয় দিয়ে বছর শেষ করল ব্রাজিল দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী লবণের দাম বাড়ালে জেল-জরিমানা : বাণিজ্যমন্ত্রী লবণ নিয়ে গুজবে কান দিবেন না: শিল্প মন্ত্রণালয় ২০২১ সালের মধ্যে ১০০০ উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা দেবে সরকার পদ্মাসেতুর প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৃশ্যমান সেনা কল্যাণ সংস্থার চারটি স্থাপনা উদ্বোধন
১২

বরিশালে ধর্ষণ মামলায় স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনকে কারাদণ্ড

প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০১৯  


বরিশালে অপহরণের পর ধর্ষণ মামলায় স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনকে পৃথক ধারায় কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মামলায় দু’জনকে যাবজ্জীবন ও একজনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি সবাইকে অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।
বুধবার (০৫ নভেম্বর) বিকেলে বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বরিশাল নগরের রুপাতলী চরের বাড়ি এলাকার নজরুল ইসলাম খান ও তার স্ত্রী নাছিমা বেগম নাছরিন এবং সাগরদী ওয়াপদা কলোনি এলাকার শাকিল আহমেদ।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালের ৯ জুন মামলার তিন নম্বর আসামি নাছিমা বেগম ওরফে নাছরিন বাদীর ১৯ বছরের মেয়েকে চাকরি দেয়ার কথা বলে বাসা থেকে ডেকে নেন। এরপর লঞ্চে ভুক্তভোগীকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
ঢাকা নেয়া থেকে শুরু করে পথে বিভিন্ন স্থানে মামলার এক ও দুই নম্বর আসামি নজরুল ইসলাম খান ও শাকিল আহমেদ ভুক্তভোগীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে ২০০৩ সালের ২০ জুন একটি মামলা দায়ের করেন।  কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মাহিয়া খানম ওই বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
সাত জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত বুধবার মামলার রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে মামলার এক ও দুই নম্বর আসামি নজরুল ইসলাম খান ও শাকিল আহমেদকে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯ এর ৩ ধারায় (গণধর্ষণ) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও চার বছরের কারাদণ্ড এবং ২০০০ এর ৭ ধারায় (অপহরণ) ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে দু’বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অপরদিকে মামলার এক নম্বর আসামি নজরুল ইসলাম খানের স্ত্রী, তিন নম্বর আসামি নাছিমা বেগম ওরফে নাছরিনকে ২০০০ এর ৭ ধারায় (অপহরণ) ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে দু’বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।  
আদালতের বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান জানিয়েছেন, দণ্ডপ্রাপ্তরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর