শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩০ ১৪২৬   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
বরিশালে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত বরিস জনসনকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন আগৈলঝাড়ায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত বুদ্ধিজীবী দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরের শাহাদতবার্ষিকী আজ বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা বরিশালে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস উদযাপন আজকের নবীন কর্মকর্তারাই হবেন ৪১ সালের সৈনিক : প্রধানমন্ত্রী ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে দায়িত্বশীল হতে হবে: স্পিকার বয়স্ক বাবা-মাকে না দেখলে জেল চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে যারা ফখরুল-রিজভীসহ ১৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুই মামলা আগৈলঝাড়ায় ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালন  সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে ‘কনসার্ট ফর ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এসক্যাপ অধিবেশনে যোগ দিতে শেখ হা‌সিনা‌কে আমন্ত্রণ কৃষি আধুনিক হলেই মাথাপিছু আয় বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস আজ
২৫২

বরিশালসহ গোটা দেশবাসীর নজর কেড়েছেন যুবরত্ন মেয়র সাদিক

প্রকাশিত: ৫ আগস্ট ২০১৯  

 সুন্দর পোশাক পরা, গাড়িতে চড়া, এক কথায় বিলাসিতা কার না ভালো লাগে। আর নেতা কিংবা মন্ত্রী, এমপি অথবা মেয়র হলেতো কথাই নেই। ভারিক্কি চালচলন আর কড়া নিরাপত্তা। এর ব্যতিক্রম অন্য কিছুতো ভাবাই যায় না। এমনই বিলাসিতার গন্ডি পেরিয়ে বরিশালসহ গোটা দেশবাসীর নজর কেড়েছেন এক ব্যক্তি। সাধারণের পোশাকেই নগরবাসীর দ্বারে দ্বারে ছুটে গিয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন। কখনও রিকশায় চড়ে আবার কখনও পায়ে হেঁটে এমনকি বৃষ্টিতে ভিজেও নগর ও নগরবাসীর উন্নয়ন কর্মকান্ডের তদারকি করেন তিনি। তিনি আর কেউ নন; তিনি হলেন যুবরত্ন সেরনিয়াবত সাদিক আবদুল্লাহ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাইয়ের ছেলে। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সর্বাধিক জনপ্রিয় মেয়র। রয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে।

বরিশাল মহানগরের সর্বস্তরের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রাণের স্পন্দন। দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় আওয়ামী পরিবারের সন্তানও তিনি। এতকিছুর পরেও তিনি সাধারণের বেশেই চলাফেরা করছেন। নেই কোনো অহংকার, বিলাসিতা। ভারিক্কি চলাফেরা কিংবা কড়া নিরাপত্তারও প্রয়োজন হয়না তার। কখনও পায়ে স্যান্ডেল, গায়ে টিশার্ট, ট্রাউজার পরে নগরবাসীর কাছে ছুটে যান। মেয়র নির্বাচিত হওয়ার ১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও ব্যবহার করছেন না সিটি কর্পোরেশনের গাড়ি। অযথা বিলাসিতায় অভ্যস্থ নন তিনি। রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে অনেকেই মনে করেন, একজন সাধারণ মানুষ হেঁটে যাচ্ছেন। কখনও সকাল ৭টা কখনও বা রাত ৩টা, হঠাৎ করেই তাকে দেখা যায় নগর সেবকের ভূমিকায়।

যখন নগরবাসী ঘুমিয়ে থাকেন তখন নগরবাসীর নাগরিক সুবিধা বেগবান করার জন্যই তিনি ঘুরে বেড়ান। এখানেই শেষ নয়, ২৪ ঘণ্টাই তিনি নগরবাসীর সেবা করার চেষ্টায় বিভোর থাকেন। যে কারণেই শুভাকাঙ্খীদের কাছ থেকে ইতিমধ্যে ‘যুবরত্ন’ উপাধিও পেয়েছেন। এভাবেই সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাচ্ছেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। অবশ্য সাদিকের ইচ্ছাই হল সাধারণের বেশে মানুষের সেবা করা। তিনি বিলাসিতা কিংবা সুন্দর পোশাক পরে মানুষের নগর কাড়ার প্রয়োজন মনে করেন না। পাশাপাশি তিনি ঘোষনাও দিয়েছেন আগামী নির্বাচনে ভোট চাইবেন না। কারন নরগবাসীর সেবার মাধ্যমেই তাদের অন্তরের একজন মানুষ হয়েই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহন করবেন।

নগরীর জনৈক রিকশাচালক আবদুস ছত্তার বলেন, একজন নগর পিতাকে এভাবে সাধারণ মানুষের মতো করে চলাচল করতে এরপূর্বে কখনও দেখিনি। দেখিনি পায়ে স্যান্ডেল, ট্রাউজার-টিশার্ট পরে নগরবাসীর কাছে ছুটে যেতে। বিগত দিনের মেয়ররা চাকচিক্যের চলাচলেই অভ্যস্থ ছিলেন। যেটা আমাদের বর্তমান মেয়রের নেই। তার শুধু একটাই কাজ- নগরবাসীর সেবা করা। নগরবাসীর কাছে ছুটে যেতে তার সাজসজ্জার প্রয়োজন পড়েনা। এমনকি হাসপাতালে গিয়েও নগরবাসীর খোঁজ খবর নিতে দেখা যায় তাকে।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বেলায়েত হাসান বাবলু বলেন, সেরনিয়াবত সাদিক আবদুল্লাহ রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। জন্মের পর থেকেই তিনি ক্ষমতার খুব কাছাকাছি থেকেছেন। তার বাবা এবং দাদা মন্ত্রী ছিলেন। তিনিও এখন মেয়র। তারপরেও ক্ষমতার অপব্যবহার করেন না। তিনি সাধারণ মানুষের সাথে মিশতে পছন্দ করেন, ভালো বোঝেন তাদের ভাষা। নির্বাচনের পূর্বে ঘোষণা দিয়েছিলেন- মেয়র নির্বাচিত হলে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের কথা শুনবেন, তাদের জন্য কাজ করবেন। মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ঠিকই তিনি তার কথা রেখে সাধারণ জনগণের কাছে ছুটে যাচ্ছেন। জনগণের চাহিদাই তার ইচ্ছা। ব্যক্তিগত কোনো ইচ্ছা নেই তার।

গভীর রাতে রাস্তায় ঘুরতে বের হওয়া প্রসঙ্গে বাবলু বলেন, দিনের বেলায়ও তিনি নগরবাসীর কাছে গিয়ে খোঁজ খবর নেন। এছাড়াও রাতের বেলায় নগরীর এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত ঘুরে নগরীর প্রকৃত দৃশ্য দেখেন, বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন এবং সমাধান করেন। সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সৌন্দর্য পিপাসু মানুষ। তাই নগরীর সৌন্দর্য কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় সেই পরিকল্পনা নিয়েই কাজ করেন। তিনি সুন্দর পোশাক পরাকে সৌন্দর্য হিসেবে গণ্য করেন না, নগরীর সৌন্দর্যই তার কাছে প্রকৃত সৌন্দর্য।

সাধারণ একজন মানুষ মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ প্রসঙ্গে বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি কাজল ঘোষ বলেন, সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অভিমত- দেশ ও বরিশালের উন্নয়নের জন্য কোনো কাজকেই ভয় পাননা তিনি। জনগণের মাঝেই থাকতে চান। মানুষের ভালোবাসাকে জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন ভেবে বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে চান। এক্ষেত্রে কেবলমাত্রে সুন্দর পোশাক পরাকেই প্রকৃত সৌন্দর্য মনে করেন না। তাৎক্ষণিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সেবা করাকেই প্রকৃত সৌন্দর্য হিসেবে গণ্য করেন তিনি। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ সব সময়ই বলে থাকেন আমি নগর পিতা হতে আসিনি, আমি নগরীর সেবক হতে চাই।

এই বিভাগের আরো খবর