বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৬ ১৪২৬   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
র‌্যাব-৮ এর অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার কর্মবিরতি প্রত্যাহার, বরিশালে বাস চলাচল স্বাভাবিক ৭ ডিসেম্বর বিচারবিভাগীয় সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী বরিশাল বোর্ডে এসএসসিতে বৃত্তি পাচ্ছেন ১৪১৭ শিক্ষার্থী কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী আজ বরিশাল বোর্ডে এসএসসির ফরম পূরণে সময় বাড়লো জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান সবচেয়ে বেশি: পলক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাক মালিকদের ফের বৈঠক আজ চক্রান্তকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে: ওবায়দুল কাদের দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জয় দিয়ে বছর শেষ করল ব্রাজিল দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী লবণের দাম বাড়ালে জেল-জরিমানা : বাণিজ্যমন্ত্রী লবণ নিয়ে গুজবে কান দিবেন না: শিল্প মন্ত্রণালয় ২০২১ সালের মধ্যে ১০০০ উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা দেবে সরকার পদ্মাসেতুর প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৃশ্যমান সেনা কল্যাণ সংস্থার চারটি স্থাপনা উদ্বোধন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর জন্মদিন আজ মালিতে জঙ্গি হামলায় ২৪ সেনা নিহত কন্যা সন্তানের জনক হলেন তামিম বরিশালে পঞ্চম দিনে দেড় কোটি টাকার কর আদায়
৩৭

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গাজী মাজহারুল ও কুমার বিশ্বজিতের গান

প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০১৯  

আগামী বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। বিষয়টি সামনে রেখে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি গানের পরিকল্পনা আগেই করেছিলেন স্বনামধন্য সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিত।

‘হে বন্ধু বঙ্গবন্ধু, তোমার কালো ফ্রেমের চশমাটা আমায় দাও, আমি চোখে দিয়ে দেখব, তুমি কেমন করে দেশটাকে এতো ভালোবাসো’-এমন কথার একটি গান গাইতে পারায় ভীষণ আনন্দিত কুমার বিশ্বজিৎ।

তিনি বলেন, এটি শুধু একটি গান নয়, এটি তরুণ প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর ভাবনাচিন্তা, দেশপ্রেম, অসাম্প্রদায়িক মনোভাব প্রদর্শনের একটি গল্প বলা’

‘হে বন্ধু বঙ্গবন্ধু’গানের কথা লিখেছেন দেশবরেণ্য গীতিকবি গাজী মাজহারুল আনোয়ার। সংগীতায়োজন করেছেন মানাম আহমেদ, আর সুর করেছেন কিশোর। সম্প্রতি শিল্পীর উত্তরার স্টুডিওতে গানটির কণ্ঠ ধারণের কাজ শেষ হয়েছে। মিক্স মাস্টারিংয়ের জন্য মুম্বাইয়ে পাঠানো হয়েছে গানটি।

গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ শেষে বঙ্গবন্ধু যখন ক্ষমতায় এলেন, অনেকেই তার সঙ্গে দেখা করেন। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। যাবই যেহেতু দেখা করতে, মনে চাইল বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি গান লিখে নিয়ে যাই। তিনি আমাকে এমনিতেই আদর করতেন। বঙ্গবন্ধুকে মনেপ্রাণে ভালোবাসা থেকে ‘হে বন্ধু বঙ্গবন্ধু, তোমার কালো ফ্রেমের চশমাটা আমায় দাও’কবিতাটি লিখে নিয়ে যাওয়ার পর তার খুব পছন্দ হলো। শুনেছিলাম, এটি তিনি বাঁধাই করে ঘরের দেয়ালে রেখেছিলেন।

তিনি বলেন, মাস ছয়েক আগে কুমার বিশ্বজিৎ এই কবিতার খোঁজ পায়। তারপর এটিকে গানে রূপান্তর করার অনুমতি চায়। আমি বলেছি, অনুমতির কিছু নাই, গান বানাবে, এটা তো খুবই আনন্দের খবর। গানটি হবার পর শুনে খুব ভালো লাগলো।’

এই বিভাগের আরো খবর