শুক্রবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৬   ০৮ রবিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
দেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে চলছে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপিপন্থিদের হট্টগোল কলঙ্কজনক-আদালত অবমাননা অন-অ্যারাইভাল ভিসাসহ বাংলাদেশ-ভারতের নৌপথে খুলছে অনেক জট ‘বিশ্বসুন্দরী’র রোমান্টিক গান নিয়ে হাজির সিয়াম-পরী মেয়েদের রৌপ্য, বাকী জিতেছেন ব্রোঞ্জ আইনজীবী তালিকাভুক্তি নিবন্ধন পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি পদক পাচ্ছেন ডিজিসহ বিজিবির ৬০ সদস্য আখেরাতের জীবন চিরস্থায়ী ডাক ও টেলিযোগাযোগের নতুন সচিব নূর-উর রহমান অপরাধীদের স্থান আওয়ামী লীগে নেই: ওবায়দুল কাদের গৌরনদীতে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে বিনা মুল্যে সার ও বীজ বিতরন হ‌লি আ‌র্টিজান মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ কিডনি দান করা যাবে, কেনাবেচা যাবে না: হাইকোর্ট বাংলাদেশে কোনো আর্থিক সংকট নেই: স্পিকার টেলিযোগাযোগ বিভাগে নতুন সচিব, ট্যারিফ কমিশনে চেয়ারম্যান গণতন্ত্র এখন মজবুত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠিত: রাষ্ট্রপতি বাড়াবাড়ির একটা সীমা থাকা দরকার: প্রধান বিচারপতি তরুণদের মেধাশ্রম মানব কল্যাণে ব্যয় করার আহ্বান বিএনপির কাছে কোনো প্রতিষ্ঠান নিরাপদ নয়: আইনমন্ত্রী
১৩৫

ফিল্ড আম্পায়ারের হাতে থাকছে না ‘নো বল’

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০১৯  

ক্রিকেটে নো বল বিতর্কের শেষ নেই। অনেক সময়ই ফিল্ড আম্পায়ারদের চোখ এড়িয়ে যায় নো বল। যা প্রভাব ফেলে ম্যাচের উপর। এসব বিতর্ক থেকে বের হতেই মাঠের আম্পায়ারদের ওপর পায়ের নো বল দেয়ার ক্ষমতা রাখছে না আইসিসি।

নির্ধারিত সীমানা পার হয়ে গেলে যে নো বল হবে তার সিদ্ধান্ত এখন থেকে টিভি আম্পায়ার নেবেন। জনপ্রিয় ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আইসিসি’র জেনারেল ম্যানেজার (ক্রিকেট অপোরেশনস) জিওফ অ্যালারডাইস বলেন, ‘২০১৬ সালে যে পদ্ধতি আনা হয়েছিল তা আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি আমরা। তৃতীয় আম্পায়ার বোলারের পায়ের নো বলের দিকে নজর রাখবেন। বোলিংয়ের সময় বোলারের পা পড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ছবি চলে যাবে তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে। তিনি জানাবেন মাঠের আম্পায়ারকে যে সেটি নো বল ছিল কি না। তিনি কিছু না জানালে বলটিকে নো বল ঘোষণা করা যাবে না।’

এর আগে, ২০১৬ সালে ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার একটি একদিনের ম্যাচে পরীক্ষামূলকভাবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু সে সময়ে তা খুব বেশি কার্যকর হয়নি। 

এক পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, ‘২০১৮ সালে শুধুমাত্র ছেলেদের একদিনের ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেই ৮৪ হাজারের বেশি বল করা হয়েছে। এত বিশাল সংখ্যক ডেলিভারি নজরে রাখা খুবই কঠিন মনে হয়েছে আইসিসির কাছে। তাই আপাতত পরীক্ষামূলকভাবেই এই বছর কিছু কিছু ম্যাচে এই পদ্ধতি ব্যবহারের কথা ভাবছে আইসিসি।’

আইসিসি যদি এই পদ্ধতি পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে সফলতার দেখা পায়, তবে স্থায়ীভাবে পায়ের নো বল ঘোষণার জন্য টিভি আম্পায়ারকেই মূল দায়িত্ব দেয়া হবে। ক্রিকেটকে আরও নির্ভুল ও নিখুঁত করে তোলার চেষ্টা থেকেই এমন পরিকল্পনা নিয়েছে আইসিসি।

এই বিভাগের আরো খবর