• শুক্রবার   ২২ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৮ ১৪২৭

  • || ০৮ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
সবার আগে আমি ভ্যাকসিন নেব : অর্থমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬, শনাক্ত ৫৮৪ সার্জেন্টের ওপর হামলাকারী সেই যুবক গ্রেপ্তার পিকে হালদারের দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে দুদক প্রতিক্রিয়াশীলতা বিএনপির রাজনৈতিক চরিত্র: কাদের সরকারের সাফল্যে বিএনপি উদ্ভ্রান্ত হয়ে গেছে : তথ্যমন্ত্রী বাইডেন কমলাকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন ঢাকায় পৌঁছে গেছে করোনার টিকা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে শুভ সূচনা টাইগারদের পৌর নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে গেলেই কঠোর ব্যবস্থা: কাদের রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা দিতে ভাসানচরে নতুন থানা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমে ঢাকায় টিকা কর্মসূচি শুরু হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে কোনো আপস নয়: কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬, শনাক্ত ৬৯৭ কাউন্সিলর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে: কাদের হাতিয়ায় বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও ভিডিও: ৫ জন গ্রেফতার ২৬ জানুয়ারির মধ্যে সেরামের টিকা আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পরিবার নিয়ে দেখা যায় এমন সিনেমা তৈরি করুন: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২১, শনাক্ত ৫৭৮

প্রধানমন্ত্রী জলঢাকার ১৪১ পরিবারকে ঘর দেবেন ২০ জানুয়ারি

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২১  

কেউ থাকেন অন্যের বাড়িতে, কেউ খাস জমিতে, আবার কেউ রাত কাটান রেলস্টেশন বা খোলা আকাশের নিচে। এমন চিত্র হরহামেশাই দেখা যায়। এরকম গৃহহীন মানুষের বাসস্থান নিশ্চিত করতে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় বানানো হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ঘর।

নতুন বছরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে এসব ঘর পেতে যাচ্ছে ‘জমি নেই, ঘর নেই’ এমন ১৪১টি পরিবার। আগামী ২০ জানুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অসহায় পরিবারগুলোর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চাবি হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জলঢাকা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলাটিতে মুজিববর্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের বাসস্থান নিশ্চিত করতে বিশেষ এ উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর বাস্তবায়ন ও তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব হাসান।

উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নজুড়ে ১৪১টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে গোলনায় ২৭টি, মীরগঞ্জে ২৬টি, শিমুলবাড়ীতে ২৬টি, কৈমারীতে ৪১টি, শৌলমারীতে ১৫টি ও ধর্মপালে ১২টি। প্রতিটি ঘরে ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। প্রতিটি ঘরে দুটি শয়নকক্ষ ছাড়াও রয়েছে একটি করে বারান্দা, রান্নাঘর ও বাথরুম। 

হতদরিদ্র অসহায় পরিবারগুলোর স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। এখনই উল্লাসিত ও আনন্দিত অসহায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত পরিবারগুলো। সরেজমিনে প্রকল্প দেখতে গেলে কথা হয় শেফালি, ফুলেশ্বরী, মতিরোন বেগমসহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে।

তারা বলেন, বৃদ্ধ মা-বাবা ও সন্তানদের নিয়ে রাত্রীযাপনের জন্য ভাঙাচোরা ঝুপড়ি ঘরে থেকেছি অনেকদিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের জন্য অনেক বড় সুযোগ-সুবিধা করে দিয়েছেন। তিনি যেন আমাদের মায়ের দায়িত্ব পালন করছেন।