• রোববার   ১১ এপ্রিল ২০২১ ||

  • চৈত্র ২৮ ১৪২৭

  • || ২৮ শা'বান ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
১২-১৩ এপ্রিল চলমান লকডাউনের নির্দেশনা জারি থাকবে: সেতুমন্ত্রী টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ ৭৭ জনের মৃত্যু অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা : আইনমন্ত্রী দু`দিন আগেই শেষ হচ্ছে বইমেলা আমাদের সামনে নির্ঘাত অশনি সংকেত : কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৭৪ জনের মৃত্যু সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে হচ্ছে দ্বিতীয় আমিনবাজার সেতু: সেতুমন্ত্রী দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী মানুষ বাঁচাতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম মাদানী আটক জনগণের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই লকডাউন দেয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী টিকাদানে বিশ্বের শীর্ষ ২০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী করোনায় আরো ৬৬ জনের মৃত্যু ৮ এপ্রিল শুরু হচ্ছে টিকার দ্বিতীয় ডোজ: স্বাস্থ্য সচিব রাজধানীতে চলাচল করা গাড়ি গণপরিবহন নয়: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ৭০৭৫ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৫২ শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবি: আরও ২১ জনের মরদেহ উদ্ধার আরো ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা আনা হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী একদিনে দেশে রেকর্ড শনাক্ত ৭০৮৭, মৃত্যু ৫৩

প্রতিমাসে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি গ্রামে পাঠান পোশাক শ্রমিকরা

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৬ মার্চ ২০২১  

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের আর্থ সামাজিক অবস্থা নিয়ে জরিপ শুরু করেছে এশিয়ান সেন্টার ফর ডেভলপমেন্ট। জরিপের প্রতিবেদন তৈরি করতে গিয়ে ২৪২টি কারখানা বাছাই করা হয়। কিন্তু ৮২ টি কারখানায় অনুমোদন না পাওয়ায় ১৬০টি কারখানার বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদন তৈরি করতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আয়সহ ৫ টি বিষয়ের ওপর তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

শনিবার (০৬ মার্চ) অনলাইন সেমিনারে প্রকাশিত জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়, পোশাক শ্রমিকরা তাদের আয় থেকে গড়ে প্রতিমাসে ১ হাজার ১১ কোটি টাকা গ্রামে পাঠান। যা অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্স হিসাবে কাজ করছে। ২০১৫ সালে পোশাক খাতে শ্রমিক ছিল ৪০ লাখ ১ হাজার জন। এরমধ্যে পুরুষ কর্মী ১৪ লাখ ১০ হাজার আর নারী ২৫ লাখ। তবে ২০২০ এ বেড়েছে মোট শ্রমিক পাশাপাশি নারীদের চেয়ে বেশি বেড়েছে পুরুষ শ্রমিক। প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২০ এ মোট শ্রমিক ৪২ লাখ ২০ হাজার। এরমধ্যে পুরুষ ১৭ লাখ ২২ হাজার আর নারী ২৪ লাখ ৯৮ হাজার। পুরুষের গড় বয়স ২৭ আর নারী কর্মীর ২৫।

দেশের ৬৩ টি জেলা থেকে কম বেশি শ্রমিকরা এসে পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তবে সবচেয়ে বেশি পোশক শ্রমিক আসেন ময়মনসিংহ ও রংপুর থেকে। শ্রমিকদের একটি বড় অংশ কারখানার কাছাকাছি বসবাস করেন। ৮১ শতাংশ পায়ে হেঁটেই কর্মস্থলে যান। বাসে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। যাতায়াতে দৈনিক গড় খরচ হয় ২৮ টাকার মতো। 

খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে শতভাগ প্রধানত ভাত খান। পাশাপাশি ৬১ শতাংশ আলু খান। শ্রমিকদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ বেশি।

কর্মী হিসাবে যোগ দেয়ার আগে ৩২ শতাংশ বেকার ছিলেন, ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ অন্যকাজ করতেন আর শিক্ষার্থী ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। গ্রেড অনুযায়ী বেতনভুক্ত শ্রমিকের ৭৩ শতাংশ অতিরিক্ত কর্মঘণ্টায় (ওভারটাইম) কাজ করেন। এখান থেকে ৮ শতাংশ টাকা জমান। ৬০ ভাগেরই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে। ব্যবহার করেন মোবাইল ব্যাংকিংও। ৪০ শতাংশ শ্রমিক ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। শ্রমিকদের ওপর ভর করে যে কারখানাগুলো বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে তারমধ্যে ৯১ শতাংশ সরাসরি রফতানি কারক, সাব কন্ট্রাক্ট ৬শতাংশ কারখানা।

প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আগের চেয়ে শ্রমিকদের জীবন মান উন্নয়ন ঘটেছে। শ্রমিকরাই এই শিল্পের প্রধান চালিকাশক্তি। তাই শ্রমিকদেরকে গুরুত্ব দিতে চান মালিকপক্ষ।