বৃহস্পতিবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৪ ১৪২৬   ০৩ রজব ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
দ্বিতীয় কিস্তির ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা বিটিআরসিকে দিল রবি মাধ্যমিক পর্যন্ত বিজ্ঞান বাধ্যতামূলকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর নজরদারি বাড়াতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আজকের স্বর্ণপদক প্রাপ্তরা ২০৪১ এর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর যে কোন অর্জনের পেছনে দৃঢ় মনোবল এবং আত্মবিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পেলেন ১৭২ শিক্ষার্থী আজ ১৭২ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন অশান্ত দিল্লিতে কারফিউ, নিহত ১৭ পিকে হালদারসহ ২০ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ বহাল ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় ১৪ দিনেই ভালো হচ্ছেন করোনা রোগী : আইইডিসিআর মুশফিক-নাঈমে ইনিংস ব্যবধানে দূর্দান্ত জয় টাইগারদের আগৈলঝাড়ায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ রিফাত হত্যা মামলার আসামি সিফাতের বাবা গ্রেফতার কুষ্টিয়ায় জগো বাহিনীর প্রধানের ফাঁসি, ১১ জনের যাবজ্জীবন এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ করোনামুক্ত: আইইডিসিআর লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে থেকে দায়িত্ব পালন করতে বললেন রাষ্ট্রপতি নাঈমুল আবরার হত্যা : ৪ আসামিকে গ্রেফতারের নির্দেশ আইন মেনেই বিদেশি কম্পানিকে এদেশে ব্যবসা করতে হবে- প্রধান বিচারপতি
৭৪

পৌণে দুশো বছর পরও সাগরতলে অবিকৃত ফ্রাঙ্কলিনের জোড়া জাহাজ

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 ইংল্যান্ড থেকে পৃথিবীর উত্তর-পশ্চিম কোণ বরাবর নতুন পথ খুঁজতে সমুদ্রাভিযানে বের হন ব্রিটিশ নাবিক জন ফ্রাঙ্কলিন। ১৮৪৫ সালে তিনি এরিবাস ও টেরর নামে ২টি জাহাজ নিয়ে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ রহস্যজনকভাবে ২টি জাহাজসহ নিখোঁজ হন ফ্রাঙ্কলিনসহ ১২৯ যাত্রী। এর ১৭৪ বছর পর জট খুলছে রহস্যে মোড়া সেই সমুদ্রাভিযানের। ২০১৪ ও ২০১৬ সালে ওই ২টি জাহাজের খোঁজ পাওয়া যায়। দূরনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র দিয়ে সেগুলোর ভেতরের পরিস্থিতি দেখেন বিজ্ঞানীরা। তারা দেখতে পান, জাহাজের ভেতরের জিনিসপত্র ভালো অবস্থায় রয়েছে। আর তাই বিজ্ঞানীদের ধারণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালালে ওই ২ জাহাজের যাত্রীদের শেষদিনগুলোর পরিস্থিতি এবং সে সময় অভিযানে ওই ২ জাহাজ কী কী পর্যবেক্ষণ করেছিলো, তা জানা সম্ভব হবে। 

জন ফ্রাঙ্কলিন ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির কর্মকর্তা ছিলেন। বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের ওই ২ জাহাজে ৩ বছরের খাবার মজুদ ছিলো। ইতিহাস থেকে জানা যায়, ইউরোপ থেকে ১৮৪৫ সাল পর্যন্ত যতগুলো সমুদ্রাভিযান হয়েছিলো, তার মধ্যে এটাই ছিলো সবচেয়ে সুপরিকল্পিত। স্কটল্যান্ডের অর্কনেদ্বীপ ও গ্রিনল্যান্ডে নোঙর ফেলার পর ওই ২ জাহাজ আর্কটিক কানাডার উদ্দেশে রওনা দেয়। তাদের পরিকল্পনা ছিলো আর্কটিক কানাডার বিভিন্ন প্রণালির গোলকধাঁধা ভেদ করে প্রশান্ত মহাসাগরে পৌঁছানো।