শনিবার   ২৩ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৮ ১৪২৬   ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
সরকার আলেমদের সঙ্গে নিয়ে দেশের উন্নয়ন করতে চায়: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নরসিংদীর এমপি বুবলীকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার চালের বাজার অস্থিতিশীল করলে কাউকে ছাড় নয়: খাদ্যমন্ত্রী ভারত মুক্তিযুদ্ধের সময় পাশে ছিল তা ভুলিনি: প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের নৈতিক শিক্ষা খুবই প্রয়োজন: পরিকল্পনামন্ত্রী আ’লীগে অনুপ্রবেশকারী-সন্ত্রাসীদের স্থান নাই: শিল্পমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে গুজব বন্ধে বিধিমালা হচ্ছে- তথ্যমন্ত্রী শুক্রবারের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে: কাদের ঘণ্টা বাজিয়ে খেলার উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে গড়ে তোলা হবে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে কাজ করার আহ্বান আজ বরিশালে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে যুদ্ধ জাহাজ সড়ক পরিবহন আইনের অসঙ্গতি দূর করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘বিএনপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব সৃষ্টি করছে’- কাদের অনার্স ২য় বর্ষের ২৫ নভেম্বরের পরীক্ষা স্থগিত কোন অপপ্রচারে কান না দিতে জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ‘গোলাপি’ যাত্রা রাঙ্গাতে কাল মাঠে নামছে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এখন সম্মানের দেশ: প্রধানমন্ত্রী আগৈলঝাড়ায় প্রতিবন্ধি শিশু ধর্ষণ, এক ঘন্টার মধ্যে ধর্ষক গ্রেফতার সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী
৩১

পৃথিবী জরুরি অবস্থার মুখোমুখি

প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০১৯  

 

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে এখন জরুরি অবস্থার মুখোমুখি পৃথিবী। এ বিষয়ে একমত পোষণ করে একটি গবেষণা প্রতিবেদনকে স্বীকৃতি দিয়েছেন বিশ্বের ১৫৩টি দেশের প্রায় ১১ হাজার বিজ্ঞানী।

দীর্ঘ ৪০ বছরের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে করা জলবায়ুর গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে পৃথিবী এখন জরুরি অবস্থার মুখোমুখি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকটের বিষয়টি আমলে নিতে ব্যর্থ হয়েছে বিশ্বের দেশগুলো।

সংকট মোকাবেলায় আমূল ও স্থায়ী পরিবর্তন ছাড়া বিশ্ব অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। তাই প্রতিবেদনটিতে সতর্ক করা হয়েছে। খবর বিবিসি।

গবেষকরা বলেছেন, পুরো বিশ্বের হুমকির মাত্রা সম্পর্কে সতর্ক করার তাদের নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

সংকটের প্রকৃত স্বরূপ দেখানোর জন্য গবেষকরা বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেছেন, যা ‘গত ৪০ বছরের জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ চিহ্নগুলোর সচিত্র সংকলন’।

গবেষকদের দেওয়া এ তথ্যে উঠে এসেছে, বিশ্বব্যাপী বৃক্ষ আচ্ছাদিত স্থান হ্রাস, মানুষ ও প্রাণীকূলের সংখ্যা বৃদ্ধি, মাথাপিছু মাংস উৎপাদন এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার।

এই গবেষক দলের প্রধান সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. থমাস নিউসাম বলেছেন, জরুরি অবস্থার অর্থ হচ্ছে যদি আমরা কার্বন নিঃসরণ, গবাদিপশু উৎপাদন, ভূমির বিনাশ এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার না কমাই, তাহলে পরিস্থিতি এখনকার চেয়ে আরও বেশি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

সংকট মোকাবিলায় বিজ্ঞানীরা এখনই তেল ও গ্যাসের স্থানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি , কার্বন নিঃসৃত জ্বালানি নির্ভর অর্থনীতি ও প্রবৃদ্ধি থেকে সরে আসামিথেন, হাইড্রোফ্লুরোকার্বনের ব্যবহার কমিয়ে আনা,  বন, তৃণভূমি ও ম্যানগ্রোভ বন যেগুলো বিপুল পরিমাণ কার্বন শোষণ করে তার পরিমাণ বাড়ানো, জমির বিনাশ ঠেকানো, মানুষের খাদ্যভ্যাস বদলে ফেলতে হবে বিশেষ করে মাংসে আসক্তি কমানো, খাদ্য অপচয় কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

ড. নিউসাম থমাস নিউসাম বলেন, আমরা কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বাড়িয়েছি, তাপমাত্রা বাড়িয়েছি। বিগত ৪০ বছর ধরে আমরা এটা জেনেও ঠেকানোর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি ও নিচ্ছি না। আগামী দিনগুলোতে আমরা যে ভয়াবহ সমস্যায় পড়তে যাচ্ছি সেটা বুঝতে রকেট বিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর