• বুধবার   ২১ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৭

  • || ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
বিপদে নিজেদের একা ভাববেন না: আইনমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৪, শনাক্ত ১৫৪৫ এনু-রুপনের জামিন আবেদনের রুল খারিজ মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল রায়হান হত্যা: ৫ দিনের রিমান্ডে কনস্টেবল টিটু ১২ বছরের ব্যর্থতার জন্য বিএনপির নেতৃত্বের পদত্যাগ করা উচিত বিদেশে পালালেও এসআই আকবরকে ফিরিয়ে আনা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিপত্র জারি : ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণা করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২১, শনাক্ত ১৬৩৭ জনগণের ভাষা বুঝে না বলেই বিএনপি ব্যর্থ: কাদের ২৫ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করবে টিসিবি: বাণিজ্যমন্ত্রী পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ৩০ অক্টোবর সরকারের আশ্বাসে ইন্টারনেট-ডিশ সংযোগ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত স্থগিত ইন্টারনেট-ক্যাবল টিভি বন্ধের সিদ্ধান্ত স্থগিত করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩, শনাক্ত ১২০৯ কৃষি গবেষণা বিনিময়ের উপর জোর দিতে হবে: কৃষিমন্ত্রী ৬০ মিশনে দূতাবাস অ্যাপ চালু করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ১৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬০০ টাঙ্গাইলে গণধর্ষণ মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ভূমিহীনদের ২ শতাংশ জমি দেয়া হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

পানি ভবন উদ্বোধন বৃহস্পতিবার

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০  

রাজধানীর গ্রিন রোডে নির্মিত পানি ভবন বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উদ্বোধন করা হচ্ছে। এদিন সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভবনটি উদ্বোধন করবেন।

বুধবার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ভবনটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৬১ কোটি টাকা। ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী ১২ তলাবিশিষ্ট পানি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। এই ভবনে হবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিস।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব প্রকৌশলীদের নকশায় প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার বর্গফুট বিশিষ্ট এ ভবনের নির্মাণে লেগেছে প্রায় সাড়ে চার বছর। কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পানি ভবনে সোলার প্যানেল, সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, রেইন ওয়াটার রিজার্ভারের মতো পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাসহ ৫৩৬ জন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন অডিটরিয়াম, ৪৫০০ বর্গফুটের হেলিপ্যাড, ৩৭৬টি গাড়ি পার্কিংসহ অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মৃতিবিজড়িত পুকুরটি (২১ হাজার ৪৮৪ বর্গফুট) সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং ২০ হাজার ৬২৫ বর্গফুটের একটি জলাধার নির্মাণ করা হয়েছে।

১৯৫৪ এবং ১৯৫৫ সালের উপর্যুপরি ভয়াবহ বন্যার পর জাতিসংঘের অধীনে গঠিত ক্রুগ মিশনের সুপারিশে সেচ ব্যবস্থা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণসহ পানি সম্পদের উন্নয়ন এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় পূর্ব পাকিস্তান পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ইপিওয়াপদা) গঠিত হয়। ১৯৭২ সালে ইপিওয়াপদার ‘পানি উইং’ নিয়ে ‘বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড’ (বাপাউবো) নামে স্বতন্ত্র সংস্থা সৃষ্টি হয়।