মঙ্গলবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ১ ১৪২৬   ১৭ মুহররম ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রী ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করবেন আজ রোহিঙ্গা ভোটার: ইসি কর্মচারীসহ আটক ৩ রিফাত-মিন্নির নতুন ভিডিও, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ‘বিজ্ঞান-প্রযুক্তির বিকাশ ছাড়া দেশ উন্নয়ন করা সম্ভব নয়’ রোহিঙ্গা ভোটার খতিয়ে দেখতে চট্টগ্রামে কবিতা খানম আগামী ১০মাসের রোডম্যাপ তৈরি ও তার বাস্তবায়ন করবো - জয় ও লেখক ডেঙ্গুতে সরকারি হিসেবে ৬৮ জনের মৃত্যু আ. লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা ১৮ সেপ্টেম্বর বরিশাল নগরীতে আসছে স্মার্ট এলইডি লাইটিং বঙ্গবন্ধুর নাতনি টিউলিপের জন্মদিন আজ আজ থেকে ট্রাকে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি বিশ্ব ওজন দিবস আজ শিগগিরই বন্দর-ট্রেনে যুক্ত হচ্ছে ত্রিপুরা-বাংলাদেশ দিল্লিতে শেখ হাসিনা-মোদি বৈঠক ৫ অক্টোবর সারাদেশে ৭৫ প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ এ পি জে আব্দুল কালাম স্মৃতি পুরস্কারে ভূষিত শেখ হাসিনা টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ বরিশালকে যানজট মুক্ত রাখতে কাজ করছে ট্রাফিক সদস্যরা- ডিসি ট্রাফিক সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করুন : প্রধানমন্ত্রী
১১

নম্বর দেখে জেনে নিন বোতল বিষাক্ত কি না

প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

প্লাস্টিক ছাড়া আমরা জীবন ভাবতেই পারি না। ঘুম থেকে ওঠা থেকে রাতে শুতে যাওয়া পর্যন্ত- সারাদিন আমরা নানারকমভাবে প্লাস্টিকের সংস্পর্শে আসি। তার কোনোটা ভীষণভাবে ক্ষতিকারক, কোনোটা কম। কোনোটা আবার নিরাপদ। আপনার ব্যবহৃত প্লাস্টিকগুলো কোনটা কোন ক্যাটাগরিতে পড়ে জানেন? 

প্রতিটা প্লাস্টিকের গায়েই একটি ত্রিভুজাকৃতি চিহ্ন থাকে। এটা আসলে রিসাইকেল অর্থাৎ পুনর্ব্যবহারযোগ্যতার প্রতীক। অর্থাৎ আপনি রোজ যে বোতলে পানি খাচ্ছেন, যে প্লাস্টিকের মধ্যে তাজা সবজি ভরে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিচ্ছেন বা আরও কোনো দৈনন্দিন কাজে লাগাচ্ছেন সেটা কতটা নিরাপদ বা আপনার জন্য আদৌ নিরাপদ কি না তা বোঝা যাবে এই প্রতীক থেকেই। লক্ষ্য করে দেখবেন, প্রতিটা প্লাস্টিকের জিনিসের গায়ে ত্রিভুজাকৃতি এই রিসাইকেল বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্রতীকের মধ্যে একটি নম্বর থাকে। ১ থেকে ৭ পর্যন্ত নম্বরের কোনো একটি এই প্রতীকের মধ্যে থাকে। আর প্রতিটা নম্বরই আলাদা অর্থ বহন করে। কোন নম্বর থাকলে কী হতে পারে তা দেখে নিন।

নম্বর ১: ত্রিভুজাকৃতি প্রতীকের মধ্যে যদি ১ লেখা থাকে, তার অর্থ সেটা পলিইথিলিন টেরেফটালেট দিয়ে তৈরি। সাধারণত পানির বোতল, বিভিন্ন কোল্ড ড্রিঙ্কের বোতল এই রাসায়নিক দিয়ে তৈরি হয়। কোনো বোতলে ১ লেখা থাকলে তা নিরাপদ হিসেবেই গণ্য হয়। তবে তা একবারেই পুনর্ব্যবহারযোগ্য নয়। কারণ এই বোতলে সুক্ষ ছিদ্র থাকে। ফলে খুব সহজেই ব্যাকটেরিয়া ঢুকে যেতে পারে।

নম্বর ২: যে সমস্ত প্লাস্টিকের বোতল অস্বচ্ছ পলিথিন দিয়ে তৈরি, তাতে ২ নম্বর লেখা থাকে। ডিটারজেন্ট বোতল, দুধের বোতল লক্ষ্য করলে দেখবেন, তাতে ২ লেখা থাকে। এই নম্বরের অর্থ নিরাপদ। কারণ তাতে ব্যাকটেরিয়া তৈরি হওয়ার আশঙ্কা খুব কম। তবে পুনর্ব্যবহারযোগ্য নয় এটাও।

নম্বর ৩: তেলের বোতল, কলের পাইপের মতো প্লাস্টিকে ৩ নম্বর লেখা থাকে। এগুলো খুবই ক্ষতিকারক। লক্ষ্য রাখবেন, উনুনের পাশে যেন একেবারেই এই প্লাস্টিক না থাকে। বিশেষ করে মাইক্রোওয়েভ ওভেনের মধ্যে ভুল করেও এই প্লাস্টিক ঢোকাবেন না। এটা আপনার বা আপনার পরিবারের জন্য বিষ। এই উপাদান রক্তে মিশলে দেহে হরমোনের ভারসাম্য পর্যন্ত নষ্ট করে দেয়।

নম্বর ৪: উপাদান লো ডেনসিটি পলিইথিলিন। সাধারণত এগুলো নিরাপদ এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্যও। অর্থাৎ একবারের বেশি ব্যবহার করা যেতেই পারে।

নম্বর ৫: ওষুধের বোতল, কেচআপের বোতল বা সিরাপের বোতল যেগুলো পলিপ্রোপাইলিন দিয়ে তৈরি, তার গায়ে নম্বর ৫ লেখা থাকে। এগুলো সুরক্ষিত এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য।

নম্বর ৬: পলিস্টাইরিন বা স্টাইরোফোম দিয়ে তৈরি প্লাস্টিকের দ্রব্যে নম্বর ৬ লেখা থাকে। এই বোতল থেকে ক্ষতিকারক স্টাইরিন নির্গত হয়। যা থেকে ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে। তাই ৬ নম্বর লেখা প্লাস্টিকের দ্রব্য ব্যবহার বন্ধ করা উচিত।

নম্বর ৭: আইপড, কম্পিউটার, খাবারের কন্টেনার, বাচ্চাদের ফি়ডিং বোতল যে উপাদান দিয়ে তৈরি সেগুলো নম্বর ৭-এর ক্যাটেগরিতে পড়ে। এগুলো সাধারণত ক্ষতিকারক বিসফেনল এ দিয়ে তৈরি। যা থেকে স্নায়ুর সমস্যা দেখা দেয়। বাচ্চাদের ফিডিং বোতল কেনার সময় অবশ্যই দেখে নেওয়া জরুরি তাতে কী নম্বর লেখা রয়েছে।

মনে রাখবেন ২, ৪ এবং ৫ নম্বর লেখা থাকলে সেগুলো তুলনামূলক নিরাপদ। নম্বর ১ লেখা বোতলও নিরাপদ হিসাবেই গণ্য হয়। ৬ এবং ৭ ভীষণ ভাবে ক্ষতিকর। তাই ৬ এবং ৭ লেখা নম্বরের বোতল অবশ্যই এড়িয়ে চলুন।

আরও একটি বিষয় জেনে রাখা দরকার, মাইক্রোওয়েভেবল প্লাস্টিক মানেই তা কিন্তু নিরাপদ নয়। এর অর্থ তা মাইক্রোওয়েভের তাপ সহ্য করতে সক্ষম। তা থেকে ক্ষতিকারক রাসায়নিক বেরিয়ে শরীরে বিষক্রিয়া ঘটাতেই পারে।