বৃহস্পতিবার   ১৪ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৯ ১৪২৬   ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
রোহিঙ্গা সমস্যার পেছনে জিয়াউর রহমানের হাত ছিল: প্রধানমন্ত্রী খেলাপি ঋণ অবশ্যই আদায় করা হবে: অর্থমন্ত্রী ধেয়ে আসছে ‘বুলবুলে’র চেয়েও ভয়ানক ঘূর্ণিঝড় ‘নাকরি’ বরিশালের বর্ধিত এলাকার কাঁচাসড়ক অচিরেই পাকা করার উদ্যোগ দেশের কল্যাণে প্রয়োজনে বাবার মতো জীবন দেবো: শেখ হাসিনা বিমানে উড়ে বাংলাদেশ এল ২২৫টি গরু! বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্থ ২৭ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও অর্থ সহায়তা দেশে রফতানি বাড়াতে দরকার পরিবহন খাতে উন্নয়ন: বিশ্বব্যাংক মা হারানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিলেন উপমন্ত্রী শামীম মালয়েশিয়ায় বীমার আওতায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী আওয়ামী লীগে দূষিত রক্তের প্রয়োজন নেই: সেতুমন্ত্রী ঘুরে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত জয় বাংলাদেশের মেয়েদের শেখ হাসিনার নেতৃত্ব মানুষের দিন বদল হয়েছে-তথ্যমন্ত্রী ৭৫ পরবর্তীতে অনেকে উচ্ছিষ্টের লোভে দল ছেড়ে চলে গেছেন: নওফেল নকল মুদ্রা দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার ৯ বাংলাদেশ থেকে কেউ বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা চালাতে পারবে না সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেসে আসছে কোটি কোটি টাকার কোকেন! বাবার সঙ্গে কঙ্গনার সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন সুরাজ! ব্যাটসম্যানদের টেস্ট মেজাজে ব্যাট করতে হবে: দুর্জয় ববি উপাচার্যের এর সাথে গনিত অলিম্পিয়াডে বিজয়ীর সাক্ষাত
৪১

দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যাংকে রেখেছে স্কুল শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

স্কুলের ২০ লাখ ছেলে-মেয়ে এখন ব্যাংকে টাকা জমা রাখছে। তাদের জমানো এই অর্থের পরিমাণ ১ হাজার ৪৯৪ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এই বছরের জুন শেষে স্কুল শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৩০টি। গত এক বছরে (২০১৮ সালের জুন থেকে ২০১৯ সালের জুন) স্কুল ব্যাংকিং হিসাব সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ১৯৪টি। অর্থাৎ এক বছরে হিসাব সংখ্যার প্রবৃদ্ধি ২৯.৬২ শতাংশ। এই সময়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের জমানো আমানত বেড়েছে ৭৪ কোটি টাকা।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, ‘বড়দের পাশাপাশি ছোটরাও এখন ব্যাংকমুখী হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঞ্চয় প্রবণতা তৈরি করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে পুরো ব্যাংক খাতে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, স্কুল শিক্ষার্থীদের হিসাব সংখ্যা ও টাকা জমার স্থিতির দিক থেকে বেসরকারি ব্যাংকের অবদান সবচেয়ে বেশি। বেসরকারি ব্যাংকগুলো মোট ১৩ লাখ ৮৭ হাজার ৭২৫টি ব্যাংক-হিসাব খুলেছে, যা মোট স্কুল ব্যাংকিং হিসাবের ৬৯.৫২ শতাংশ।

বেসরকারি ব্যাংকগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১ হাজার ২৩৭ কোটি টাকা আমানত সংগ্রহ করেছে, যা স্কুল ব্যাংকিং হিসাবের মোট স্থিতির ৮২.৮৩ শতাংশ। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ২৩.৭৬ শতাংশ স্কুল ব্যাংকিং হিসাব খুললেও মোট স্থিতির মাত্র ১৩.২৮ শতাংশ সংগ্রহ করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, স্কুল ব্যাংকিংয়ের  মোট হিসাবের ৩৮.৬৩ শতাংশ খোলা হয়েছে গ্রামাঞ্চলে। ৬১.৩৭ শতাংশ খোলা হয়েছে শহরাঞ্চলে। গ্রামাঞ্চল ও শহরাঞ্চলে স্থিতির পরিমাণ মোট স্থিতির যথাক্রমে ২৫.৭৩ এবং ৭৪.২৭ শতাংশ।

শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি হিসাব খুলেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডে। এই ব্যাংকে ৩ লাখ ৬৯ লাখ ৬২৩ জন শিক্ষার্থী হিসাব খুলেছে, যা মোট হিসাবের ১৮.৫২ শতাংশ।

অপরদিকে স্কুল শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি টাকা জমা রেখেছে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে। এখানে তারা আমানত রেখেছে ৪৬৫.৮৮ কোটি টাকা, যা মোট আমানতের ৩১.১৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, স্কুল ব্যাংকিংয়ের মোট হিসাবে ছাত্র ও ছাত্রীর অনুপাত ৫৭:৪৩। ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্কুল ব্যাংকিং সেবাকে জনপ্রিয় করতে কোনও কোনও ব্যাংক আলাদা কাউন্টার বা ডেস্ক খুলেছে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ২০১০ সালে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঞ্চয় উদ্বুদ্ধ করতে ‘স্কুল ব্যাংকিং’ কার্যক্রমের উদ্যোগ নেন। তবে শিক্ষার্থীরা টাকা জমা রাখার সুযোগ পায় ২০১১ সাল থেকে। ২০১১ সালে ১০ টাকা দিয়ে হিসাব খোলা হলেও পরে হিসাব খুলতে ১০০ টাকা জমা রাখতে বলা হয়। এসব হিসাব সাধারণ চলতি হিসাবে রূপান্তরের সুযোগও আছে।

এই বিভাগের আরো খবর