মঙ্গলবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৪ ১৪২৬   ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
করোনা ভাইরাস: সর্বত্র সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইসলামে শূকর নিষিদ্ধের বিষয়টি যেভাবে সমর্থন করে বিজ্ঞান আমেরিকা ও ইসরায়েলের কমান্ডাররাও পালানোর পথ খুঁজে পাবে না নেহা-আদিত্যর বিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি সোয়া ৯ কোটি টাকা আত্মসাতে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা এবার বিএনপি ছাড়ছেন কোষাধ্যক্ষ সিনহা! নারীর নিরাপত্তায় ৪৮ হাজার এলইডি লাইট লাগানোর প্রতিশ্রুতি আতিকের নির্বাচনী কার্যালয়ে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক হাতিরঝিল—বনশ্রী হয়ে চট্টগ্রাম রোডে মিলবে পৃথক চারলেন ব্যাংককের ইমিগ্রেশন হচ্ছে শাহ আমানত বিমানবন্দরেও মেহেন্দিগঞ্জে ড্রেজার মেশিন সহ দুজন আটক, কারাদন্ড চীনে আটকে পড়াদের দেশে ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইট পাঠাবে সরকার গৌরনদীতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী বাবুল গ্রেফতার বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান অর্জনের স্থান, র‌্যাগিং করার নয়- রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ-পাকিস্তানের টি টোয়েন্টি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত বরিশাল নগরীতে ৫৫০ পিস ইয়াবাসহ বিক্রেতা গ্রেপ্তার বরিশাল পুলিশের চার থানায় যুক্ত হল পরিদর্শক অপারেশন পদ ৬৬ বলে সেঞ্চুরি করলেন বরিশালের ইমান বরিশালে ইয়াবা বিক্রেতার ১০ বছরের কারাদণ্ড ক্যালিফোর্নিয়ায় হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় বাস্কেটবল তারকা নিহত
১২৩

দেশে প্রথমবার বুক না কেটে ‘ভাল্ব’ প্রতিস্থাপন

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি ২০২০  

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে বুক না কেটে এক রোগীর ‘এওর্টিক ভাল্ব’ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

হৃৎপিণ্ড মানব দেহে রক্ত সঞ্চালন করে। এই রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়ায় হৃৎপিণ্ডে বিভিন্ন ধরনের ভাল্ব থাকে, এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূণর্ ভাল্বটি হল ‘এওর্টিক ভাল্ব’। যে ভাল্ব দিয়ে হৃৎপিণ্ড থেকে শরীরে রক্ত সঞ্চালিত হয়। এই ভাল্বটি সরু হয়ে গেলে এওর্টিক স্টেনোসিস হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত শরীরে সঞ্চালন করতে পারে না এবং রোগী হাঁটলে শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ও অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। এ সব উপসর্গ দেখা দিলে দুই বছরের মধ্যে বেশিরভাগ রোগী মারা যায়।

জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. প্রদীপ কুমার বলেন, এই রোগের দুই ধরনের চিকিৎসা আছে। একটি হল বুক কেটে ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা। এ পদ্ধতিতে রোগীকে সম্পূর্ণ অজ্ঞান করতে হয়। রোগীর বুকের হাড়কে কাটতে হয় এবং প্রক্রিয়াটি ঝুঁকিপূর্ণ। এ ছাড়া পরিপূর্ণ সুস্থ হতে রোগীর কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। আর আমরা যেটা করেছি তা হল, বুক না কেটে এবং অজ্ঞান না করে পায়ের কুচকি দিয়ে ‘এওর্টিক ভাল্ব’ প্রতিস্থাপন করেছি। এটা কম ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি জানান, গত রোববার তার নেতৃত্বে এবং হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ৬০ বছর বয়সী এক নারী রোগীর শরীরে সফলভাবে ‘এওর্টিক ভাল্ব’ প্রতিস্থাপন করেন। যা বাংলাদেশে এই প্রথম। এর আগে এমনটা আর কেউ করেননি।

ডা. প্রদীপ কুমার বলেন, এ পদ্ধতিতে অপারেশনের পর এক রোগী ২-৩ দিনের মধ্যে বাসায় চলে যেতে পারেন এবং এক সপ্তাহের মধ্যে কাজে যোগদান করতে পারেন। বর্তমানে রোগীটি সম্পূর্ণ সুস্থ আছে।

তিনি বলেন, এওর্টিক স্টেনোসিস পদ্ধতিতে রোগীরা অপেক্ষাকৃত কম খরচে এই চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারবে। ইতিপূর্বে এই ধরনের রোগীদের দেশে এ চিকিৎসা পদ্ধতি না থাকার কারণে বিদেশে অনেক উচ্চমূল্যে এই চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করতে হতো। আমরা আশা করছি, যদি এই চিকিৎসা পদ্ধতি পরিপূর্ণভাবে বাংলাদেশে চালু হয়, তাহলে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

এই বিভাগের আরো খবর