• রোববার   ১৩ জুন ২০২১ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২৯ ১৪২৮

  • || ০১ জ্বিলকদ ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
স্কুল-কলেজে ছুটি আবার বাড়ল গণতন্ত্রের মুক্তি দিবস ১১ জুন মডেল মসজিদের মাধ্যমে ইসলামের মর্মবাণী বুঝবে মানুষ ইসলাম আমাদের মানবতার শিক্ষা দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী খুন করে কি বেহেশতে যাওয়া যায়, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন ‘লেবাস নয়, ইনসাফের ইসলামে বিশ্বাস করি’ একযোগে ৫০ মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী করোনা থেকে রক্ষা পেতে সকল রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে দক্ষিণাঞ্চলে বেশি করে সাইলো নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী গাইলেন, ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই...’ ৬৬৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন ৬ দফার মাধ্যমেই বাঙালির স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক ছয়-দফা দিবস আজ ছয় দফার প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থনে স্বাধীনতার রূপরেখা রচিত হয় দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৭৬ বাঙালির মুক্তির সনদ ৬-দফাঃ শেখ হাসিনা প্রত্যেককে তিনটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাম-আমড়া-সোনালু ও ডুমুরের চারা রোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী ৮৮ ডলার থেকে মাথাপিছু আয় ২২২৭ ডলার জলবায়ু সংকট নিরসনে যুক্তরাজ্য ভূমিকা রাখবে, আশা শেখ হাসিনার

থ্যালাসেমিয়া, ভয়াবহ রোগটি নিয়ে যা জানতে হবে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৮ মে ২০২১  

থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে সারা বিশ্বের মানুষকে সচেতন করতে প্রতি বছর ৮মে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস পালন করা হয়। থ্যালাসেমিয়া একটি রক্তের ভয়ানক রোগ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগটি বংশগত।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রধানত জিনগত সমস্যা থেকেই এই রোগ হয়। বংশানুক্রমিকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই রোগ হলে শরীরে স্বাভাবিকভাবে রক্ত তৈরি হয় না। হিমোগ্লোবিনে ত্রুটি থেকে যায়। লোহিত রক্ত কণিকার আয়তন ছোট হয়। তাই রোগাক্রান্তকে অন্য রক্তদাতার রক্ত গ্রহণ করতে হয়।  থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ১৫ থেকে ৩০দিন অন্তর রক্ত পরিবর্তন করতে হয়।

সাধারণত শিশু জন্মের ১-২ বছরের মধ্যে থ্যালাসিমিয়া রোগ ধরা পড়ে। এর লক্ষণগুলো হল- ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, দুর্বলতা, ঘন ঘন ইনফেকশন, শিশুর ওজন বৃদ্ধি না পাওয়া, জন্ডিস, খিটখিটে মেজাজ ইত্যাদি।  

উপসর্গগুলো দেখা দিলে এইচপিএলসি বা ‘হাই পাওয়ার লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফি’পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয়ের করা যায়।  
থ্যালাসেমিয়ায় থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় সচেতনতা ও সঠিক চিকিৎসা। এছাড়াও যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ-

•    বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া যে থ্যালাসেমিয়ার বাহক কি না
•    খেয়াল রাখতে হবে দু’জন থ্যালাসেমিয়ার বাহক যেন বিয়ে না করেন
•    বিয়ের পরে যদি দেখা যায় স্বামী অথবা স্ত্রীর মধ্যে এক জন এই রোগের বাহক তা হলে অবশ্যই অন্য জন রক্তপরীক্ষা করাতে হবে
•    যদি দেখা যায়, স্বামী ও স্ত্রী দু’জনেই থ্যালাসেমিয়ার বাহক তা হলে গর্ভাবস্থায় ৮ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে ভ্রূণের পরীক্ষা করান।  

তবে মনে রাখতে হবে, রোগটি কিন্তু ছোঁয়াচে বা সংক্রামকও নয়। এক জন থ্যালাসেমিয়া রোগীর দেহের রক্ত যদি অন্যের শরীরে দেওয়া হয় তা হলেও ওই ব্যক্তির থ্যালাসেমিয়া হবে না। থ্যালাসেমিয়া রোগীর সঙ্গে যৌন সংসর্গেও এই রোগ ছড়ায় না।