শুক্রবার   ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৮ ১৪২৬   ২৬ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
উন্নত দেশ গড়তে বেসরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুজিববর্ষে বিএনপিকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে: কাদের ভণ্ডপীরসহ ৯ জনের কারাদণ্ড প্রধানমন্ত্রী সব সময় শিক্ষাকে গুরুত্ব দেন: পরিকল্পনামন্ত্রী মুজিব বর্ষে নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন করা হবে: শিল্প প্রতিমন্ত্রী আসন্ন সেচ মৌসুমে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা নেই : বিদ্যুৎ বিভাগ একুশে পদক হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুক্রবার একুশে পদক মেধা ও মনন চর্চার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করবে : রাষ্ট্রপতি আজ একুশে পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী এনামুল বাছিরের পদোন্নতির আবেদন হাইকোর্টে খারিজ জাপানের সঙ্গে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সুস্থ যুব সমাজের বিকল্প নেই : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদহার পুনর্বিবেচনা করা হবে : অর্থমন্ত্রী মুঠোফোন প্রতারক জিনের বাদশা গ্রেফতার করোনাভাইরাস নিয়ে গুজবে কান দিবেন না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাগর তীরে উঁচু স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও না করলে দেশ আরো এগিয়ে যেত : তথ্যমন্ত্রী শহীদ দিবসে জঙ্গি হামলার কোনো সম্ভাবনা নেই : ডিএমপি কমিশনার দেশে ব্রয়লারসহ কোন পশু-পাখির মধ্যে করোনা পাওয়া যায়নি : আইইডিসিআর
৩১

তিন বছরের মধ্যে পেঁয়াজ রফতানি করব: বাণিজ্যমন্ত্রী

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

পেঁয়াজের আমদানি নির্ভরতা কমাতে উৎপাদনের ওপর জোর দিয়েছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে এবছর থেকে ১৫-৩০ শতাংশ উৎপাদন বেশি হবে বলে জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেছেন, আগামী ৩ বছরের মধ্যে আমরা পেঁয়াজ রফতানিতে সমর্থ হব।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী একথা বলেন।

পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি ও সংকটের কারণ ব্যাখা করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর আমাদের ২৫-২৬ লাখ টন পেঁয়াজ প্রয়োজন। দেশে যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় তা দিয়ে চাহিদা মেটানো সম্ভব হয় না। তাই প্রতিবছর ৮-৯ লাখ টন পেঁয়াজ আমাদের আমদানি করতে হয়। আর সেই আমদানি করা পেঁয়াজের ৯০ শতাংশই ভারত থেকে আসে। কিন্তু গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর হঠাৎ ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। তাদের দেশে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০০-১৫০ টাকা হয়ে যায়। যে কারণে আমাদের এখানেও একটা সংকট তৈরি হয়।

তিনি বলেন, আমরা মিয়ানমার থেকে চাহিদার ১৫ শতাংশ এবং বাকি পেঁয়াজ তুরস্ক থেকে আমদানি করে থাকি। কিন্তু তা আসতেও তো প্রায় ৫০ দিন লেগে যায়। প্রতিদিন দেশের চাহিদা ৬ হাজার টন হলেও বাজারে আমদানি ছিল দেড় হাজার টন। যার জন্য পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকে না। তবে আমরা নিজেরা উৎপাদন করছি, এবছর ১৫-৩০ শতাংশ পেঁয়াজ বেশি উৎপাদন হবে। আমরা আগামী তিন বছরের মধ্যে আমদানি থেকে পেঁয়াজ রফতানিতে সমর্থ হব।

এই বিভাগের আরো খবর