শুক্রবার   ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৫ ১৪২৬   ০৪ রজব ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ দিয়েছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মশা যেন ভোট খেয়ে না ফেলে, নতুন মেয়রদের প্রধানমন্ত্রী তাপস-আতিককে শপথ পড়ালেন প্রধানমন্ত্রী আমার কাছে রিপোর্ট আসছে, কাউকে ছাড়ব না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় কিস্তির ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা বিটিআরসিকে দিল রবি মাধ্যমিক পর্যন্ত বিজ্ঞান বাধ্যতামূলকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর নজরদারি বাড়াতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আজকের স্বর্ণপদক প্রাপ্তরা ২০৪১ এর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর যে কোন অর্জনের পেছনে দৃঢ় মনোবল এবং আত্মবিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পেলেন ১৭২ শিক্ষার্থী আজ ১৭২ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন অশান্ত দিল্লিতে কারফিউ, নিহত ১৭ পিকে হালদারসহ ২০ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ বহাল ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় ১৪ দিনেই ভালো হচ্ছেন করোনা রোগী : আইইডিসিআর মুশফিক-নাঈমে ইনিংস ব্যবধানে দূর্দান্ত জয় টাইগারদের আগৈলঝাড়ায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ রিফাত হত্যা মামলার আসামি সিফাতের বাবা গ্রেফতার
৭৬

ডায়ালাইসিস কখন দরকার ?

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০১৯  

দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে ডায়ালাইসিস চিকিৎসায় যখন ওষুধ দ্বারা রোগীর কোনো উন্নতি হয় না তখনই রোগীকে ডায়ালাইসিস চিকিৎসার অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে। দীর্ঘমেয়াদি কিডনি বিকল হওয়া অর্থাৎ 'ক্রনিক রেনাল ফেইলিওর' শেষ স্তরে বা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস করা হয়ে থাকে। আর এই কার্যক্ষমতা যখন ৯৫ ভাগের বেশি থাকে না, তখনই ডায়ালাইসিস চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
শতকরা ৫০ ভাগ ডায়ালাইসিস রোগী হার্টের জন্য আর শতকরা ১৫ ভাগ ইনফেকশনজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করে থাকেন। এই চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। একটি রোগীকে এই চিকিৎসায় বেঁচে থাকতে বার্ষিক ব্যয় প্রায় তিন লাখ টাকা। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশে ক্রনিক রেনাল ফেইলিওর রোগীদের শতকরা ২০ ভাগের কম রোগী এই ডায়ালাইসিস চিকিৎসা পেয়ে থাকেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপাতালে বিনামূল্যে ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া মিরপুর ২ নম্বরের কিডনি ফাউন্ডেশন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে। ডায়ালাইসিসের সময় হেপাটাইটিস, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস, এইডস এসব ভয়ানক রোগের সংক্রমণ যেন না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে।

ডায়ালাইসিস দুই ধরনের : হেমোডায়ালাইসিস ও পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস
পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস :এই পদ্ধতিতে দুই লিটার ডায়ালাইসিস ফ্লুইড একটি নলের সাহায্যে পেটের পেরিটোনিয়াল ক্যাভিটিতে প্রবেশ করানো হয় এবং ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর আবার বের করে নেওয়া হয়। এভাবে ৪৮-৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত ডায়ালাইসিস চালানো হয়। ফলে শরীরের দূষিত পদার্থগুলো বের হয়ে আসে এবং রোগীর সুস্থতা ফিরে আসে। 
হেমোডায়ালাইসিস (রক্তের মাধ্যম) :হেমোডায়ালাইসিসের উদ্দেশ্য হচ্ছে কিডনি অকেজো হওয়ার ফলে রক্তে জমাকৃত রাসায়নিক পদার্থকে বাইরে বের করে দেওয়া।
এই চিকিৎসা দ্বারা তিন থেকে চার সপ্তাহ কয়েকবার ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক কিডনি অকেজো (অ্যাকুইট রেনাল ফেইলিওর) রোগীদের সম্পূর্ণ ভালো করা সম্ভব।
দীর্ঘমেয়াদি কিডনি অকেজো রোগীদের নিয়মিত ডায়ালাইসিস করার জন্য এ-ভি ফিস্টুলা তৈরি করতে হয়।
সাধারণত হাতের কবজিতে এই ফিস্টুলা তৈরি করা হয়। ফিস্টুলা করার তিন থেকে চার সপ্তাহ পর এর মাধ্যমে ডায়ালাইসিস করা যায়।