বৃহস্পতিবার   ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৭ ১৪২৬   ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
এনামুল বাছিরের পদোন্নতির আবেদন হাইকোর্টে খারিজ জাপানের সঙ্গে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সুস্থ যুব সমাজের বিকল্প নেই : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদহার পুনর্বিবেচনা করা হবে : অর্থমন্ত্রী মুঠোফোন প্রতারক জিনের বাদশা গ্রেফতার করোনাভাইরাস নিয়ে গুজবে কান দিবেন না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাগর তীরে উঁচু স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও না করলে দেশ আরো এগিয়ে যেত : তথ্যমন্ত্রী শহীদ দিবসে জঙ্গি হামলার কোনো সম্ভাবনা নেই : ডিএমপি কমিশনার দেশে ব্রয়লারসহ কোন পশু-পাখির মধ্যে করোনা পাওয়া যায়নি : আইইডিসিআর বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশ এখন অনুকরণীয়: শ ম রেজাউল ওআইসিকে শক্তিশালী করতে চাই: ড. মোমেন ধর্ষকদের ধরিয়ে দিন, কঠোর ব্যবস্থা নেবো: প্রধানমন্ত্রী টাকা না থাকলে এত উন্নয়ন কাজ করছি কীভাবে : প্রধানমন্ত্রী সব ব্যথা চেপে রেখে দেশের জন্য কাজ করছি : প্রধানমন্ত্রী ট্রেনে খোলা খাবার বিক্রি ও প্লাস্টিকের কাপ নিষিদ্ধ হচ্ছে চলতি বছরে জিপিএ-৪ কার্যকর হচ্ছে মজুদ গ্যাসে চলবে ২০৩০ সাল পর্যন্ত : খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী গুজব-অপপ্রচার রোধে কাজ করছে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি : তথ্যমন্ত্রী সব কারখানায় ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের নির্দেশ
১১৯

`ডব্লিউ পজিশনে` বসা ক্ষতিকর অভ্যাস!

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

বাচ্চাদের প্রিয় কাজগুলোর মধ্যে প্লাস্টিকের খেলনা কামড়ানো, মাটি মুখে দেয়া, মাটিতে খেলা ছাড়াও আরো নানান কিছু রয়েছে। তারা জানে না কোন জিনিসটা তাদের জন্য ভাল এবং কোন জিনিসটা তাদের জন্য খারাপ। আর এসব কাজে বাঁধা দিলেই ঘটে বিপত্তি।

আপনি যতই তাদের সুরক্ষিত রাখতে চান না কেন, অনুচিত কাজগুলো তারা করতে চাইবেই। এসব কাজের ফলে তাদের কি কি অসুবিধা হতে পারে তা তারা বুঝে না। তাই তাদের সব সময় বড়দের নজরদারিতে রাখতে হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠিক তেমনি ডব্লিউ (W) পজিশনে বসা বাচ্চাদের জন্য অনুচিত। তাই যদি কখনও কোনো বাচ্চাকে W পজিশনে বসতে দেখেন সাথে সাথে তাকে থামাবেন!

কেন? চলুন জেনে আসি-

এই বিশেষ পজিশনে বসলে পায়ের গোড়ালি শরীরের পেছনের দিকে এবং হাঁটু সামনের দিকে অবস্থান করে।  এতে হাঁটুর অংশে একটা V এর আকৃতি নেয় এবং দুই পা মিলিয়ে W এর আকার নেয়।

এখন বলবো এভাবে বসার ফলে প্রথমত, শরীরে খুব জলদি ক্লান্তি চলে আসে। কারণ এই পদ্ধতিতে বসলে প্রচুর শক্তি খরচ হয়। তাই বাচ্চারা অলস অনুভব করবে!

এটা বাচ্চাদের পায়ের অঞ্চলকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। পায়ের পেশিকে টান টান করে দিবে, যা বাচ্চাদের জন্যে মোটেও ভাল না।

এটা লম্বা সময় ধরে বসলে আরো খারাপ ফল নিয়ে আসবে। এভাবে দীর্ঘসময় বসে থাকলে বাচ্চার স্নায়ুবিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। স্নায়ুবিক সমস্যা মানেই মগজের সঙ্গে জড়িত এবং এটা কখনই এড়িয়ে যাওয়ার মত বিষয় নয়।

এর ফলে পায়ের পেশি অসাড় করে দিবে এবং পায়ের অঙ্গবিন্যাস নষ্ট করে দিতে পারে। কারণ পায়ের পেশি এবং হাড় অনেক নরম হয়।

বাচ্চারা দীর্ঘদিন ধরে এভাবে বসার ফলে শরীর সমন্বয় এবং ভারসাম্য হারাবে। এর সঙ্গে সঙ্গে ঘটতে পারে হিপ ডিসপ্লেসিয়া বা কোমরের হাড়ের পাশাপাশি পায়ের হাড়ের অবস্থান পরিবর্তন। এর ফলে একটা স্বতঃস্ফূর্ত শিশুর ভবিষ্যৎ একেবারে বদলে যেতে পারে।

তাই আপনাদের বলবো যখনই কোনো শিশুকে W পজিশনে বসতে দেখবেন সঙ্গে সঙ্গে তার বসার পজিশন পরিবর্তন করে দিন। আর সবারই তো জানা আছে, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভাল। একটা বাচ্চার সুরক্ষার চেয়ে বড় আর কিছু কী হতে পারে?