• শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১৫ ১৪২৭

  • || ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
কারিগরি-জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা হবে : শিক্ষামন্ত্রী ১২ বছরে ৪৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীত: কাদের রায়হান হত্যা: এএসআই আশেক এলাহী গ্রেফতার করোনার কারণে ২০২১ সালে হবে না বই উৎসব: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত ব্লকচেইন আগামী প্রযুক্তির নিরাপদ ভিত্তি: পলক করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩, শনাক্ত ১৪৯৩ স্কুল বাস সার্ভিসে নারী চালক সম্পৃক্ত করা জরুরি: সেতুমন্ত্রী দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক সেনাবাহিনী: প্রধানমন্ত্রী ৩ দিনের রিমান্ডে ইরফান ও সহযোগী জাহিদ প্রকল্পের বিরুদ্ধে মামলা হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২০, শনাক্ত ১৩৩৫ রিফাত হত্যা: অপ্রাপ্তবয়স্ক ৬ জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড হাজী সেলিমের ছেলের ১ বছরের কারাদণ্ড করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৫, শনাক্ত ১৪৩৬ সাংসদ হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান গ্রেপ্তার কেউ অপরাধ করলে তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিল মালিক, পাইকার ও ফড়িয়ারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: কৃষিমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩, শনাক্ত ১৩০৮ পদ্মা সেতুতে বসলো ৩৪তম স্প্যান

টাঙ্গাইলে গণধর্ষণ মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২০  

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণের পর গণধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।  

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।

একই সঙ্গে দণ্ডিত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামের সুনিল চন্দ্র শীলের ছেলে সাগর চন্দ্র শীল, দিগেন চন্দ্র শীলের ছেলে গোপি চন্দ্র শীল, চারালজানি গ্রামের বাদল চন্দ্র মনিঋষির ছেলে সঞ্জিত চন্দ্র মনিঋষি, সুনিল মনিঋষির ছেলে সুজন মনিঋষি এবং মনিন্দ্র চন্দ্রের ছেলে রাজন চন্দ্র।

তাদের মধ্যে সঞ্জিত চন্দ্র মনিঋষি ও গোপি চন্দ্র শীল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষনার পর তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বাকি তিন আসামি জামিনে বের হয়ে আত্মগোপন করেছেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌশুলী (পিপি) একেএম নাছিমুল আক্তার জানান, ২০১২ সালে সাগর শীলের সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভূঞাপুরের এক মাদ্রাসা ছাত্রীর পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে ওই বছরের ১৫ জানুয়ারি সাগর ভূঞাপুর এসে ওই ছাত্রীকে কৌশলে মধুপুরে নিয়ে যান। মধুপুরের চারালজানি গ্রামে রাজনদের বাড়িতে নিয়ে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চান সাগর। কিন্তু বিয়েতে রাজি না হওয়ায় সাগর তাকে ধর্ষণ করেন। পরে সেখানে মেয়েটিকে আটকে রাখা হয়। ১৭ জানুয়ারি রাতে মধুপুরে বংশাই নদীর তীরে নিয়ে মেয়েটিকে সাগরসহ পাঁচজন পালাক্রমে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যান। পরদিন (১৮ জানুয়ারি) সকালে স্থানীয়রা মেয়েটিকে উদ্ধার করে। পরে তার অভিভাবকরা এসে তাকে বাড়ি নিয়ে যায়। ওইদিনই (১৮ জানুয়ারি) ওই ছাত্রী নিজে বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে ভূঞাপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের দিনই পুলিশ আসামি সুজনকে গ্রেফতর করে। সুজন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে অন্য  আসামিরাও গ্রেফতার হন।

তদন্ত শেষে ভূঞাপুর থানার পুলিশ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করার পর ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় বৃহস্পতিবার এ রায় দেন আদালত।  

মামলার বাদিকে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার পক্ষ থেকে আইনগত সহায়তা দেওয়া হয় বলে জানান সংস্থাটির জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী আতাউর রহমান আজাদ।  

তিনি জানান, রায়ে তারা সন্তুষ্ট। ন্যায্য বিচার তারা পেয়েছেন। অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী গোলাম মোস্তফা মিয়া জানান, রায়ে তারা সন্তুষ্ট হতে পারেননি। এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।