• বুধবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ১৪ ১৪২৭

  • || ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
আগে নিলে বলবে কাউকে দিলো না: প্রধানমন্ত্রী ৪০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৫২৮ দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী চাল আমদানির ফলে বাজার স্থিতিশীল হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী ৩ কোটি ৪০ লাখ ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী করোনার প্রথম টিকা নিলেন নার্স রুনু দেশে করোনা টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ৭ ফেব্রুয়ারি একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে করোনায় ১৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৫১৫ কারও ব্যবসায়িক স্বার্থে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করেনি সরকার: কাদের দেশের প্রথম নৌপ্রধান ক্যাপ্টেন নুরুল হক আর নেই দেশে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চার লাখ ৮১ হাজার: কাদের শেখ হাসিনার আমলে কোন মানুষ গৃহহীন থাকবে না: শাহরিয়ার আলম বৈধ পথে বাড়ছে রেমিট্যান্স: পলক করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৮, শনাক্ত ৬০২ চার ফিফটিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৯৭ সব জেলায় ৪-৫ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন পৌঁছে যাবে: পাপন দেশে পৌঁছেছে সেরামের ৫০ লাখ টিকা রমজানে টিসিবির পণ্য ৩ গুণ বাড়ানো হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

জি কে শামীমের ৭ দেহরক্ষী ফের রিমান্ডে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০১৯  

আলোচিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষীর আবারও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গুলশান থানায় করা মানি লন্ডারিং মামলায় তাদের এ রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

এরআগে ১ অক্টোবর মানি লন্ডারিং মামলায় তাদের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। ওই মামলায় রিমান্ড শেষে আজ তাদের আদালতে হাজির করা হয় এবং অস্ত্র মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‍্যাব-১ এর উপরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক।

অন্যদিকে রিমান্ড বাতিল করে জামিন আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলাম তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সাত দেহরক্ষী হলেন-দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন,জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গত ২০ সেপ্টেম্বর যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে আটক করে র‌্যাব। পরদিন তাদের গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

ওই অভিযানে এক কোটি ৮০ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১৬৫ কোটি টাকার ওপর এফডিআর (স্থায়ী আমানত) পাওয়া যায়, যার মধ্যে তার মায়ের নামে ১৪০ কোটি ও ২৫ কোটি টাকা শামীমের নামে। একই সঙ্গে পাওয়া যায় মার্কিন ডলার, মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র।