বৃহস্পতিবার   ১৭ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ২ ১৪২৬   ১৭ সফর ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
পদ্মা সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ: ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রীকে জার্সি উপহার দিলেন ফিফা সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফিফা প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাউল সম্রাট লালন ফকিরের তিরোধান দিবস আজ একদিন পিছিয়ে আজ হেমন্তের শুরু ২০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুবলীগের নেতাদের বৈঠক যে কারণে প্রেমিক বা প্রেমিকা হিসাবে সাংবাদিকরাই সেরা! বাংলাদেশে কাজ করার অনেক জায়গা আছে: ফিফা সভাপতি সৌদিতে বাসে আগুন ধরে ৩৫ ওমরাহযাত্রী নিহত রাজধানীতে `ফইন্নী গ্রুপের` ৬ সদস্য আটক স্পিকারের সঙ্গে সার্বিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ক্লাসিকোর ভেন্যু পাল্টানোর অনুরোধ লা লিগার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৮ কাউন্সিলর নজরদারিতে যেমন ছিল নবিজির জীবনের শেষ মুহূর্তটি দলের নাম ভাঙিয়ে অন্যায় করতে দেবেন না মেয়র সাদিক কমছে রাতের তাপমাত্রা, প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা এসআই আকরামসহ ১১ জন জেলহাজতে মানবতাবাদী নাট্যকার আর্থার মিলারের জন্ম মুখের কথায় চলে সাইদের ‘আশ্চর্য মোটরসাইকেল’ বরিশালে জাল-ইলিশসহ ২২জেলে আটক
১৫৯

জাতীয় দলে উঠে আসা এক রুবেলের গল্প

প্রকাশিত: ৭ এপ্রিল ২০১৯  

ক্রিকেটকে বলা হয় রাজকীয় খেলা। এই ক্রিকেটে দুই ধরনের বোলিংয়ের অন্যতম একটি হলো ফাস্ট বোলিং। অপরটি হচ্ছে স্পিন বোলিং। যিনি ফাস্ট বোলিংয়ে দক্ষ বা সিদ্ধহস্তের অধিকারী, তিনি সচরাচর ফাস্ট বোলার, ফাস্টম্যান, পেস বোলার অথবা ডি নামে পরিচিত। স্বতন্ত্রভাবে ফাস্ট বোলিংয়ের কলাকৌশল প্রয়োগের ফলে বোলারকে সুইং বোলার কিংবা সীম বোলার নামেও অভিহিত করা হয়। ঠিক তেমনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফাস্ট বলার হচ্ছেন মোহাম্মদ রুবেল হোসেন।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশী সময় ধরে। ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভাল পার্রফরমেসের জন্য খুব প্রশংসিত হয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি তিনি তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারসহ নানান বিষয় নিয়ে পাঠকদের জন্য তার চুম্বক অংশ তুলে ধরা হল-

প্রশ্ন: কখন থেকে ক্রিকেট খেলার প্রতি আপনার আগ্রহ শুরু হয়?
রুবেল হোসেন: এটা তো অনেক আগের প্রশ্ন করছেন। আসলে ক্রিকেট খেলতাম অনেক ছোটবেলা থেকে। যখন আমি ক্রিকেট খেলাটা বুঝা শুরু করেছি তখন থেকেই ক্রিকেট খেলি। তখন আসলে ফাইভ স্টার বল আর টেনিস বল দিয়েই খেলতাম।

প্রশ্ন: কিভাবে এতো দূর আসলেন?
রুবেল হোসেন: আমি আসলে গ্রামীনফোন পেসার হান্ট থেকেই এই লেবেলে আসি। তার আগে আমি খুলনায় প্রিমিয়ার লিগ খেলতাম। বাগেরহাটে লিগ খেলতাম ঢাকা থার্ড ডিভিশন খেলতাম। আমি মূলত গ্রামীনফোন পেসার হান্ট থেকেই জাতীয়ব পর্যায়ে আসা।

প্রশ্ন: যখন প্রথম জাতীয় দলে সুযোগ পেলেন তখনের অনুভূতিটা কেমন ছিল?
রুবেল হোসেন: যখন আমি জাতীয় দলে ডাক পাই তখন আমার কাছে খুবই ভালো লাগছে। জাতীয় দলের খেলা একটা গর্বের বিষয় সবার তো আর জাতীয় দলে খেলার সুযোগ হয় না। আপনি দেখবেন প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জাতীয় খেলার স্বপ্ন থাকে ইচ্ছা থাকে। আমারও তো সপ্ন ছিলো ইচ্ছা ছিলো। তাই আমি যখন জাতীয় দিলে ডাক পাই তখন আমার খুবই ভালো লাগছে।

প্রশ্ন: দেশের একজন সেরা খেলোয়াড় হিসেবে জাতীয় দল নিয়ে আপনার স্বপ্ন কি?
রুবেল হোসেন: স্বপ্ন বলতে আসলে দেখেন জাতীয় দলে আমি ১০ বছর ধরে খেলছি। আমি চাই আমি যখন খেলা ছেড়ে দিবো মানুষ যাতে বলে রুবেল যতদিন খেলেছে ভালো ক্রিকেট খেলেছে। আমার নামটা মানুষের মুখে মুখে শুনতে চাই আর যতদিন খেলবো ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই। আর ভালো ভালো ম্যাচ বাংলাদেশ দলকে উপহার দিবো।

প্রশ্ন: আগামী বিশ্বকাপ নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কি?
রুবেল হোসেন: বিশ্বকাপ নিয়ে আমার পরিকল্পনা ভিন্ন। বিশ্বকাপটা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি যদি বিশ্বকাপে সুযোগ পাই তাহলে ভালো খেলার চেষ্টা করবো আর আমি চাইবো বাংলাদেশের সামনে যদি ঐ রকম সুযোগ আসে ম্যাচ জিততেই হবে আমি সেই ম্যাচ জিতার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে চাই। সর্বশেষ ২০১৫ সালে আমি একটা ম্যাচ জয়ের ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিলাম। এরকম যদি হয় আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। অবশ্য বিশ্বকাপে সকল ফাস্ট বোলারই চায় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারে মধ্যে তার নাম থাকতে। আমিও চাইবো কয়েক জনের ভিতরে যাতে আমার নামটা থাকে।

প্রশ্ন: অবসর সময় কিভাবে কাটান?
রুবেল হোসেন: অবসর সময় মূলত আমি বাসায়ই থাকি। আমাদের মূলত এক দুই দিন পর পর খেলা থাকে তো তাই বাসায় ফ্যামিলিকেই সময় দেই।

প্রশ্ন: সংসার জীবন কেমন কাটছে?
রুবেল হোসেন: আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো।

প্রশ্ন: শীঘ্রই সন্তান নেওয়ার কোনো সম্ভাবনা আছে কি?
রুবেল হোসেন: এটা আসলে আল্লাহপাকের ইচ্ছা আল্লাহপাক যেদিন কবুল করবেন তখনিই হবে।

প্রশ্ন: আগামী বিশ্বকাপক নিয়ে দলকে কি পরামর্শ দিবেন?
রুবেল হোসেন: আমার কাছে যেটা মনে হয় আমরা সবাই যদি আমাদের নিজেদের সেরাটা দিতে পারি তাহলে হয়তোবা আমরা ভালো একটা রেজাল্ট করতে পারবো। যেহুতে সেখানে আমাদের কন্ডিশন খেলা না। ঐখানে টোটালি ডিফারেন্ট একটা কন্ডিশন। অবশ্য আমারা ঐখানে অনেক আগেই যাবো তাহলে সব কিছুর সাথে আমারা আমাদের মিলিয়ে নিতে সুযোগ পাবো। আর আমাদের খেলোয়ার যদি মাঠে সেরাটা দিতে পারে তাহলে আমাদের টিমটা ভালো রেজাল্ট পাবে। আমাদের পেস বোলাররা যারা যাবে যারা সুযোগ পাবে তাদের জন্য অনেকটা চ্যালেঞ্জিং হবে।

এই বিভাগের আরো খবর