শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১২ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
বরিশালে নদীভাঙন রক্ষা বাঁধের বালু চুরির দায়ে গ্রেপ্তার ১ বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ফিলিস্তিন বিশ্ববাসীর কাছে বঙ্গবন্ধু টানেল একটি অনন্য দৃষ্টান্ত: স্পিকার বরিশালে স্টুডেন্ট ক্যাবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত কোন সিপাহির বাঁশির হুইসেলে এদেশ স্বাধীন হয়নি - শ.ম রেজাউল করিম নাসিরুদ্দিন শাহ ও অনুপম খেরের বাকযুদ্ধ বরিশালে চারলেন সড়কের সঙ্গে হচ্ছে বাইপাস আকাশ থেকে মোবাইলে পদ্মাসেতুর ছবি তুললেন প্রধানমন্ত্রী চীনের রহস্যময় ভাইরাস বাদুড় ও সাপ হয়ে মানবদেহে! `শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বের কারণে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি` এত গুণ পুদিনা পাতার? হাঁসের মাংসের কালিয়া দেশ গঠনে ক্যাডেটদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে-সেনাপ্রধান মুজিববর্ষ ঘিরে বিদেশিদের মধ্যেও আগ্রহ বাড়ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পাখি মেলা শিগগিরই মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরকে পেছনে ফেলবো: অর্থমন্ত্রী শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য মানবসম্পদ তৈরি: শিক্ষা সচিব মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যেই আ’লীগ কাজ করে যাবে-শেখ হাসিনা আগৈলঝাড়ায় জি আর মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার বানারীপাড়ায় তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আইফোন উদ্ধার করলেন ওসি
৫৯

ঘুরে আসুন ময়নামতি ওয়ার সেমেট্রি

প্রকাশিত: ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯  

পুরাকীর্তি ও ঐতিহাসিক স্থাপনার জন্য আলোচিত জেলা কুমিল্লা। জেলাটির বিভিন্ন স্থানে এমন কিছু নিদর্শন আছে যেগুলোতে প্রতিনিয়ত ভিড় জমান দেশি-বিদেশি পর্যটকরা। আর আজকের লেখাতে থাকছে ময়নামতি ওয়ার সেমেট্রি এর কথা।

ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত একটি কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি। ১৯৪১-১৯৪৫ সালে বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে যে ৪৫০০০ কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন, তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মায়ানমার (তৎকালীন বার্মা), আসাম এবং বাংলাদেশের ৯টি রণ সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশে দুটি কমনওয়েলথ রণ সমাধিক্ষেত্র আছে, যার অপরটি চট্টগ্রামে অবস্থিত। প্রতিবছর প্রচুর দর্শনার্থী যুদ্ধে নিহত সৈন্যদের প্রতি সম্মান জানাতে এসকল রণ সমাধিক্ষেত্রে আসেন।

ময়নামতি রণ সমাধিক্ষেত্র মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৩৯-১৯৪৫) নিহত ভারতীয় (তৎকালীন) ও বৃটিশ সৈন্যদের কবরস্থান। এটি ১৯৪৩-১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছে। কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের খুব কাছেই এই যুদ্ধ সমাধির অবস্থান। এই সমাধিক্ষেত্রটি Commonwealth War Graves Commission (CWGC) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ও তারাই এই সমাধিক্ষেত্র পরিচালনা করেন। প্রতি বছর নভেম্বর মাসে সকল ধর্মের ধর্মগুরুদের সমন্বয়ে এখানে একটি বার্ষিক প্রার্থণাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

ময়নামতি তখনকার সময়ে একটি ক্ষুদ্র গ্রাম হলেও তৎকালিন সেনাবাহিনীর একটি বড় ঘাঁটিতে পরিনত হয়। এখানে স্থাপিত হয় বড় একটি হাসপাতাল। এছাড়া কুমিল্লা ছিল যুদ্ধ-সরঞ্জাম সরবরাহের ক্ষেত্র, বিমান ঘাঁটি, আর ১৯৪৪ সালে ইম্‌ফলে স্থানান্তরিত হবার আগে চতুর্দশ সেনাবাহিনীর সদরদপ্তর। এই সমাধিক্ষেত্রের ৭৩৬টি কবর আছে। এর মধ্যে অধিকাংশ হলেন সেসময়কার হাসপাতালের মৃত সৈনিকরা। সমাধিক্ষেত্রের প্রবেশমুখে একটি তোরণ ঘর রয়েছে, যাতে সমাধিক্ষেত্রের ইতিহাস ও বিবরণ লেখা আছে। ভেতরে প্রশস্ত পথ রয়েছে, যার দুই পাশে ফলকযুক্ত সমাধি।

প্রতিটি সমাধি সৈনিকদের নাম, মৃত্যুর তারিখ, পদবি লেখা আছে। এখানে ২৩ জন বিমান সৈনিকের একটি গণসমাধি রয়েছে। একটু এগোলোই চোখে পড়বে সিঁড়ি দেওয়া বেদি, যার উপরে রয়েছে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র প্রতীক ক্রুশ।

যেভাবে যাবেনঃ
রাজধানীর সায়েদাবাদ থেকে বাসযোগে কুমিল্লার স্টেশন শাসনগাছায় নামবেন। সেখান থেকে সহজেই আপনি ময়নামতি ওয়ার সেমেট্রি যেতে পারেন।অবসর সময়ে আমরা অনেক জায়গায় ঘুরতে যেতে চাই তো তেমনি একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা জায়গা হচ্ছে এই ময়নামতি ওয়ার সেমেট্রি। আপনি চাইলে আপনার অবসর সময়ে ঘুরে আসতে পারেন।

এই বিভাগের আরো খবর