• রোববার   ১৩ জুন ২০২১ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২৯ ১৪২৮

  • || ০১ জ্বিলকদ ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
স্কুল-কলেজে ছুটি আবার বাড়ল গণতন্ত্রের মুক্তি দিবস ১১ জুন মডেল মসজিদের মাধ্যমে ইসলামের মর্মবাণী বুঝবে মানুষ ইসলাম আমাদের মানবতার শিক্ষা দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী খুন করে কি বেহেশতে যাওয়া যায়, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন ‘লেবাস নয়, ইনসাফের ইসলামে বিশ্বাস করি’ একযোগে ৫০ মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী করোনা থেকে রক্ষা পেতে সকল রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে দক্ষিণাঞ্চলে বেশি করে সাইলো নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী গাইলেন, ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই...’ ৬৬৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন ৬ দফার মাধ্যমেই বাঙালির স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক ছয়-দফা দিবস আজ ছয় দফার প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থনে স্বাধীনতার রূপরেখা রচিত হয় দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৭৬ বাঙালির মুক্তির সনদ ৬-দফাঃ শেখ হাসিনা প্রত্যেককে তিনটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাম-আমড়া-সোনালু ও ডুমুরের চারা রোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী ৮৮ ডলার থেকে মাথাপিছু আয় ২২২৭ ডলার জলবায়ু সংকট নিরসনে যুক্তরাজ্য ভূমিকা রাখবে, আশা শেখ হাসিনার

গণশৌচাগারে বাস করা সেই পরিবার পেলো মুজিববর্ষের ঘর

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২১  

ফরিদপুরের বোয়ালমারীর গণশৌচাগারে বাস করা সেই শাহাদাত-নার্গিস দম্পতি অবশেষে ঘর পেলো। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরপর সোমবার সকাল ১১টায় বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ গণশৌচাগারে বাস করা শাহাদাত দম্পতির সাথে দেখা করে তাদের মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার 'ঘর' দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

এছাড়া কথোপকথনের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ জানতে পারেন অন্যের নিকট থেকে শাহাদাতের ২০ হাজার টাকার ঋণ নেয়া আছে। তিনি ঋণের ওই টাকাও পরিশোধের ব্যবস্থা করবেন বলে জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা সম্প্রতি তাদের (শাহাদাত দম্পতি) সম্পর্কে জেনেছি। তাদের ঘরের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। মুজিববর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের জন্য নির্মিতব্য আশ্রয়ণ প্রকল্পে তাদের একটি ঘরের ব্যবস্থা করে দেব। বোয়ালমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের সৈয়দপুরে এই প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। এ সময় শাহাদাত তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘হাসিনা অনেক বছর বাঁচুক। তার জন্যই ঘর পাইছি।’ ইউএনও স্যার ঘরের ব্যবস্থা করেছে।'

উল্লেখ্য, শাহাদাতের পৈতৃক বাড়ি মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলায় ছিলো। জন্মের সময় মাকে এবং ৬ বছর বয়সে বাবাকে হারান। পৈতৃক সম্পত্তি ছিলো না, তাই দারিদ্র্যতার কষাঘাতে এবং জীবিকার তাগিদে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আসেন। এরপর কাগজ কুড়িয়ে জীবন চালান। পরবর্তীতে বোয়ালমারী পৌরসভার মেয়র মোজাফফর হোসেন বাবলু মিয়া মাস্টার রোলে দৈনিক ১৬০ টাকা বেতনে বাজার ঝাড়ুদারের চাকরি দেন এবং বোয়ালমারী হেলিপোর্টে সরকারি জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করেন। এক পর্যায়ে ঠাঁই মেলে বোয়ালমারীর টিনপট্টিতে অবস্থিত এক গণশৌচাগারে।