বুধবার   ০১ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ১৭ ১৪২৬   ০৭ শা'বান ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
ঘরে বসে পড়াশোনা করতে হবে, শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী করোনায় খাদ্য ঘাটতি হবে না : কৃষিমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখ‌ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ৬৪ জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কনফারেন্স পিপিই যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় সরকার জনগণের পাশে আছে -প্রধানমন্ত্রী ছুটিতে কর্মস্থল ছাড়া যাবে না : সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন করোনা সংকটকালে জনগণের পাশে থাকবে আ.লীগ: কাদের আমি করোনায় আক্রান্ত হইনি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নেই : আইইডিসিআর পদ্মা সেতু‌তে বসলো ২৭তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৫০ মিটার করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সব পোশাক কারখানা বন্ধের নির্দেশ পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জনসমাগম করবেন না: প্রধানমন্ত্রী অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেন না : প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মুক্তি পেলেন খালেদা জিয়া সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী আজ থেকে একসাথে দু`জন রাস্তায় হাঁটতে পারবে না
৭৯

খালেদাকে দেখতে হাসপাতালে নেতাদের ভিড়,করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০২০  

মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দিয়েছে সরকার। কিন্তু সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে হাসপাতালে বেগম জিয়াকে রিসিভ করতে গিয়ে জটলা পাকান বিএনপি নেতারা। এতে করে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ভয় করছেন বিশেষজ্ঞরা।

জানা গেছে, বেগম জিয়াকে রিসিভ করতে যাওয়া শামীম ইস্কান্দার এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল অন্যতম করোনায় আক্রান্ত বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় তাদের সংস্পর্শে এসে বেগম জিয়াও যে অসুস্থ হয়ে পড়বেন না, সেটি নিয়েও দেখা দিয়েছে শঙ্কা।

একাধিক সূত্র মারফত জানা যায়, ইদানীং প্রতিটি সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুলকে কাশি দিতে দেখ যায়। আর এই কারণে অনেকেই মনে করছেন মির্জা ফখরুল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। অপরদিকে ফেনীতে এখন পর্যন্ত বিদেশ থেকে ২০ হাজার প্রবাসী আসলেও তাদের অধিকাংশ কোয়ারেন্টাইন না মানায় অনেকেই বলছেন কোনো প্রকারের সাবধানতা গ্রহণ না করায় খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। কারণ তিনি গত সপ্তাহেই ফেনীতে জরুরি কাজে গিয়েছিলেন।

এছাড়া ইতালি থেকে আসা একাধিক বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীরা কোয়ারেন্টাইন না মেনে খালেদা জিয়াকে দেখতে আসায় বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন এই ভিড়ে অবাধে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিভুরঞ্জন সরকার বলেন, সমগ্র পৃথিবী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতিটি মানুষকেই অন্তত তিন ফিট দূরত্ব বজায় রাখতে। কিন্তু খালেদা জিয়াকে হাসপাতাল থেকে রিসিভ করে আনার সময় বিএনপির নেতারা ঘেঁষাঘেঁষি করে দাঁড়িয়েছেন। যার ফলে কারো শরীরে করোনাভাইরাস থাকলে তা ছড়িয়ে পড়বে মুহূর্তের মধ্যে। এছাড়া বিএনপির অধিকাংশ নেতাকে ঘটনাস্থলে মাস্ক পরতে দেখা যায়নি। যার ফলে দেশের মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে পারে যেকোন সময়ে। এমতাবস্থায় দেশে যদি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে এর দায় অবশ্যই বিএনপি নিতে হতে পারে।

তবে বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ২ বছর এক মাস ১৬ দিন পর বিএনপির সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেত্রী মুক্তি পেয়েছেন। এ সময় বিএনপির নেতারা অতি উৎসাহী হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ভিড় জমায়। তবে আমাদের নেতাকর্মীরা কিছুটা হলেও সচেতন ছিলেন। এরপরও যদি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে তাহলে সেটিকে দুর্ভাগ্য বলব।

বিষয়টিকে দুঃখজনক আখ্যা করে রাজনৈতিক বিশ্লেষক এ আরাফাত বলেন, বিএনপির এমন আচরণ নিতান্তই স্বার্থপরতার পর্যায়ে পড়ে। দেশের এমন ক্রান্তিলগ্নে বিএনপির এমন আচরণ বাংলাদেশকে বিপদে ফেলতে পারে। পরে যদি সমগ্র বাংলাদেশ কোভিট ১৯ এ আক্রান্ত হয়, এর দায় বিএনপিকেই নিতে হবে।

এই বিভাগের আরো খবর