মঙ্গলবার   ১২ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৮ ১৪২৬   ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
ঘূর্ণিঝড় বুলবুল : কৃষি ফসলের ক্ষতি ২৬৩ কোটি টাকা চার দিনের সফরে আজ নেপাল যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ট্রেন দুর্ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক শুধু কৃষিতে নির্ভর না করে শিল্প উৎপাদন বাড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রেল দুর্ঘটনা: সংশ্লিষ্টদের সতর্ক হওয়ার নির্দেশ ৬ ঘণ্টা পর চালু হলো ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল যোগাযোগ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবারকে ১ লাখ,আহতদের ১০ হাজার দেয়ার ঘোষণা নুসরাত হত্যা:ফাঁসির আসামিদের পাঠানো হলো কুমিল্লা কারাগারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুর্ঘটনাস্থলে রেলমন্ত্রী দুই ট্রাভেল এজেন্সিতে র‌্যাবের অভিযান, ১০৫০ পাসপোর্ট জব্দ কসবায় ট্রেন সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক আজ ভয়াল ১২ নভেম্বর দুটি বড় ধরনের ঘূর্নিঝড় মোকাবেলা করতে হলো সাদিক আবদুল্লাহকে সংসদে বাংলাদেশের পতাকবাহী জাহাজ (সুরক্ষা) বিলের রিপোর্ট উপস্থাপন মডেল ফার্মেসী উদ্বোধন করেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মুজিব বর্ষ উদযাপনে ভারতের আগ্রহ রয়েছে: রাম মাধব বাংলা বন্ড চালু বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি বড় পদক্ষেপ:অর্থমন্ত্রী ইন্দো-প্যাসিফিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ মোমেনের ২০২০ সালের হজ নিয়ে সৌদির সাথে বাংলাদেশের চুক্তি ১ ডিসেম্বর সম্প্রচারের অপেক্ষায় ১১টি বেসরকারি টিভি
৭৩৬

কোরবানির কিছু জরুরি বিধান

প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০১৯  

প্রত্যেক মুসলমানদের উপর কোরবানির কিছু জরুরি বিধান রয়েছে ঃ

(১) কোনো ব্যক্তি যদি পশু কেনার করার সময় শরিক না নেয়ার ইচ্ছা থাকে, পরবর্তীতে শরিক নিতে চায়, তাহলে ক্রেতা গরিব হলে শরিক নিতে পারবে না, ধনী হলে পারবে।

(২) যার সব উপার্জন বা অধিকাংশ উপার্জন হারাম, তাকে শরিক হিসেবে নিলে অন্যদের কোরবানিও নষ্ট হয়ে যাবে।

(৩) যদি কোরবানির পশু কেনার সময় সব অংশীদারের ওয়াজিব কোরবানি আদায় করার নিয়ত থাকে, তাহলে পশু খরিদ করার পর ৭ জন পর্যন্ত নতুন অংশীদার নেয়া যাবে। কিন্তু যদি তাদের মধ্য থেকে একজন নফল কোরবানি করার ইচ্ছা করেন, তাহলে আর অতিরিক্ত শরিক নেয়া যাবে না।

তাই শরিক নেয়ার বিষয়টি পশু খরিদ করার আগেই চূড়ান্ত করে নেয়া উচিত।

ঋণ করে কোরবানি করা

কোনো ব্যক্তির ওপর সম্পদের হিসাবে কোরবানি করা ওয়াজিব। কিন্তু তার কাছে নগদ অর্থ নেই, আবার সে কোরবানির জন্য সম্পদ বিক্রিও করতে চায় না, তাহলে সে প্রয়োজনে ঋণ করে হলেও কোরবানি করবে। যেমন সে তার অন্য প্রয়োজনে ঋণ করে থাকে।

মৃত ব্যক্তির নামে কোরবানি

মৃত ব্যক্তির নামে কোরবানি করা জায়েজ আছে। এটি হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। এক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তি সওয়াবের অধিকারী হবেন এবং এ কোরবানির গোশত সাধারণ কোরবানির মতো যা ইচ্ছা তা-ই করতে পারবে- খেতেও পারবে আবার দানও করতে পারবে।

তবে কোরবানি যদি মৃত ব্যক্তির ওসিয়তের ভিত্তিতে হয়, তাহলে সে কোরবানির গোশত কোরবানিদাতার ওপর খাওয়া জায়েজ নয়, বরং তা সদকা করে দিতে হবে।

জীবিত মানুষের নামে কোরবানি

জীবিত মানুষ একজন অপরজনের পক্ষ থেকে কোরবানি করলে কোরবানি শুদ্ধ হয় এবং যার পক্ষ থেকে করা হয়েছে, সে তার সওয়াব পেয়ে যায়। আর যদি তার নির্দেশক্রমে হয়, তাহলে তার ওয়াজিব কোরবানি আদায় হয়ে যায়।

এই বিভাগের আরো খবর