সোমবার   ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৫ ১৪২৬   ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
ব্যাংকের জঙ্গি অর্থায়ন নজরদারিতে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪০০ মেট্রিক টন মধু রফতানির অর্ডার পেয়েছে বাংলাদেশ : কৃষিমন্ত্রী নয় বছরে সাড়ে ৯৭ হাজার কর্মকর্তা নিয়োগ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী দেশে মোবাইল টাওয়ার রেডিয়েশনের মাত্রা ক্ষতিকর নয় : বিটিআরসি সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ২০ বছর পর আজ ঢাকায় আসছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালেদার প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদন পাইনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উহান ফেরত শিক্ষার্থীরা নজরদারিতেই থাকবেন : আইইডিসিআর রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইন্দোনেশিয়ার সহায়তা চাইলেন ড. মোমেন ইউএনও’দের মাধ্যমে রাজাকারের তালিকা করা হবে : মোজাম্মেল হক মানবপাচারে অভিযুক্ত এমপির বিষয়ে দুদককে তদন্তের আহ্বান কাদেরের হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন বিশ্বকাপজয়ী ৬ ক্রিকেটারকে নিয়ে বিসিবি একাদশ ঘোষণা মশা মারার পর্যাপ্ত ঔষধ মজুত আছে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী রহমত আলীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট রহমত আলী আর নেই নিঃস্বার্থভাবে জনগণের কাজ করুন, নেতাকর্মীদের শেখ হাসিনা কে ভোট দিল কে দিল না তা বিবেচনা করে না আ. লীগ : প্রধানমন্ত্রী আ.লীগ উন্নয়নে বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী চীন থেকে দেশে আসা সবাই সুস্থ : আইইডিসিআর
৩৪৪

কোটি টাকার বাড়ি থেকে ৮২ বছরের মাকে তাড়ালেন ব্যাংকার ছেলে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০১৯  

স্বামী মারা গেলেন কবছর হলো। তিনি কোটি টাকার একটি বাড়ি রেখে গেছেন। আর সেই বাড়িতে ব্যাংকার ছেলে ও তার স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন মা শেফালী রাণী রায়। তার বয়স এখন ৮২ বছর। তবে মাকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন ছেলে ও তার স্ত্রী। কোনো উপায় না পেয়ে তিনি বাড়ির পাশের একটি মন্দিরে আশ্রয় নিয়েছেন।  

নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলায় পোদ্দারপাড় গ্রামে মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে। মা শেফালী রাণী রায়। স্বামী চিত্তরঞ্জন রায়। বড় ছেলে শংকর কুমার রায় কৃষি ব্যাংক ফরিদপুর জেলা শাখার সাবেক ম্যানেজার। স্বামী মারা যাওয়ার পর এই ছেলের সঙ্গেই থাকতেন মা শেফালী রাণী রায়। রাতভর নির্যাতনের পর মঙ্গলবার ভোরে শংকর রায় ও তার স্ত্রী শেফালীকে ঘর থেকে বের করে দেন। সরাদিন এই মন্দিরেই কেটেছে তার। এখবর জানাজানি হলে সাংবাদিকরাও ছুটে আসেন।

সেখানে দেখেন অসহায় মা শেফালী এক বুক যন্ত্রণা নিয়ে মন্দিরের মেঝেতে শুয়ে আছেন। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন।

পোদ্দারপাড়া এলাকার কালু বলেন, শেফালী রাণীর দুই ছেলে। বড় ছেলে শংকর রায় কৃষি ব্যাংক ফরিদপুর এলাকায় ম্যানেজার হিসাবে চাকরি করেছেন। বর্তমানে অবসরে আছেন। অপর ছেলে বিশ্বনাথ রায় যশোরে মোটর পার্টেসের ব্যবসা করেন। শেফালী রাণীর চার মেয়ে। কনিকা রায়, মিনতি রায়, মনিকা রায় ও ছবি রাণী রায়। মেয়েদের সকলেরই ভাল পাত্রস্থ হয়েছে। শংকর রায় পিতার রেখে যাওয়া প্রায় কোটি টাকা দামের পোদ্দারপাড়ায় দোতলা বাড়িতে বসবাস করেন। কিন্তু সেই কোটি টাকার বাড়িতে একটু আশ্রয় মেলেনি মা শেফালীর।

 

লোহাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিকদার নজরুল ইসলাম বলেন, শংকর সাহা নিজ মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। ভোর থেকেই ওই মা মন্দিরে আশ্রয় নেয়।

শংকর রায় সাংবাদিকদের বলেন, মা রাগ করে বাড়ি থেকে বের হয়ে এসেছেন। আমি মাকে নিতে এসেছি।

লোহাগড়া থানার ওসি মো. মোকাররম হোসেন বলেন, কোন অভিযোগ পাইনি। তবে, বিষয়টি যেহেতু মানবিক। অবশ্যই খোঁজ-খবর নিয়ে সঠিক তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই বিভাগের আরো খবর