বৃহস্পতিবার   ২৩ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৯ ১৪২৬   ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
ছাত্রীদের টিফিনের টাকায় বঙ্গবন্ধুর হাজারো ছবি কক্সবাজার সৈকতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ স্বর্ণদ্বীপ যাচ্ছেন ভারতে শিরোপা জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা সারওয়ার আলীকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার ধনী হতে চাইলে রপ্ত করুন এই ১২টি অভ্যাস নিরাপদে লাহোর পৌঁছেছেন টাইগাররা আজ আইসিজেতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় ক্যাসিনো ব্রাদার্সের ১৩০ ফ্ল্যাটের খোঁজ ফার্নিচার রপ্তানি ১০ কোটি ডলার ছাড়াবে ৭০০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, রেলের ৫ একর জায়গা উদ্ধার মাদক মামলায় বিক্রেতার ১২ বছর কারাদণ্ড নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু-রাজ্জাকের জন্ম কৃষি সেক্টরে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় ব্রুনাই পেশায় ৫০ বছর পূর্ণ হওয়া ১৭ আইনজীবীকে সংবর্ধনা উচ্চশিক্ষার গুণগত মান সংরক্ষণ করতে হবে: রাষ্ট্রপতি সরকারের ধারাবাহিকতায় গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের ৮ ধাপ অগ্রগতি ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয় বাস্তব : প্রধানমন্ত্রী এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ শুক্রবার টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া যাচ্ছেন শিল্পমন্ত্রী
৭৪

কেন মুহাররমের নয় তারিখও সিয়াম পালন করবেন?

প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 

ইমাম নববি (রহ.) বলেন, মুহাররমের নয় তারিখ সিয়াম মুস্তাহাব হবার হিকমত প্রসঙ্গে আমাদের সাথি এবং অন্যান্য আলিমরা বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করেছেন—

এক. এর উদ্দেশ্য হলো, ইহুদিদের বিরোধিতা করা। কারণ তারা কেবল একটি অর্থাৎ মুহাররমের দশ তারিখ সিয়াম পালন করতো।

দুই. আশুরার দিনের সিয়ামকে অন্য আরেকটি সিয়ামের সম্পৃক্ত করা। যেমনিভাবে এককভাবে জুময়ার দিন সিয়াম পালন করা থেকে নিষেধ করা হয়েছে। ইমাম খাত্তাবি ও অন্যান্যদের মত এটি। 

তিন. দশ তারিখের সিয়ামের ক্ষেত্রে চন্দ্র গণনায় ত্রুটি হয়ে ভুলে পতিত হবার আশঙ্কা থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে। হতে পারে গণনায় নয় তারিখ, কিন্তু বাস্তবে তা দশ তারিখ। 

আহলে কিতাবের বিরোধিতাই এর মধ্যে সর্বাধিক শক্তিশালী কারণ। শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়া (রহ.) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বহু হাদিসে আহলে কিতাবদের সাদৃশ্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। যেমন, আশুরার ক্ষেত্রে তিনি বলেছেন,

لَئِنْ عِشْتُ إلَى قَابِلٍ لاَصُومَنَّ التَّاسِعَ

‘যদি আমি আগামি বছর বেঁচে থাকি, তাহলে অবশ্যই নয় তারিখও সিয়াম রাখব।’ 

ইমাম ইবনু হাজার আসকালানি (রহ.) উপরোক্ত হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেছেন যে, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নয় তারিখে সিয়াম পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করার উদ্দেশ্য এই নয় যে, তিনি কেবল নয় তারিখেই সিয়াম পালনের  ইচ্ছা করেছেন বরং তাঁর উদ্দেশ্য হচ্ছে, দশ তারিখের সিয়ামের সাথে নয় তারিখের সিয়ামকে সংযুক্ত করা। সাবধানতা বশত কিংবা ইহুদি-খৃস্টানদের বিরোধিতার জন্যে। এটিই অগ্রগণ্য মত। সহিহ মুসলিমের কিছু বর্ণনাও এদিকেই ইঙ্গিত করে। [আসকালানি, ফাতহুল বারি, ৪/২৪৫]

শুধু দশ তারিখ সিয়াম রাখার বিধান

ইমাম ইবনু তাইমিয়া (রহ.) বলেন, ‘আশুরার সিয়াম এক বছরের গুনাহের কাফফারা আর শুধুমাত্র আশুরার একদিন সিয়াম পালন মাকরুহ হবে না।’ [ইবনু তাইমিয়্যাহ, আল-ফাতাওয়া আল-কুবরা]

ইবনু হাজার হায়সামি রচিত তুহফাতুল মুহতাজ গ্রন্থে আছে, ‘আশুরার ক্ষেত্রে কেবল দশ তারিখ একটি সিয়াম রাখাতে কোনো অসুবিধা নেই।’

এই বিভাগের আরো খবর