শুক্রবার   ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৫ ১৪২৬   ০৪ রজব ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ দিয়েছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মশা যেন ভোট খেয়ে না ফেলে, নতুন মেয়রদের প্রধানমন্ত্রী তাপস-আতিককে শপথ পড়ালেন প্রধানমন্ত্রী আমার কাছে রিপোর্ট আসছে, কাউকে ছাড়ব না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় কিস্তির ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা বিটিআরসিকে দিল রবি মাধ্যমিক পর্যন্ত বিজ্ঞান বাধ্যতামূলকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর নজরদারি বাড়াতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আজকের স্বর্ণপদক প্রাপ্তরা ২০৪১ এর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর যে কোন অর্জনের পেছনে দৃঢ় মনোবল এবং আত্মবিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পেলেন ১৭২ শিক্ষার্থী আজ ১৭২ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন অশান্ত দিল্লিতে কারফিউ, নিহত ১৭ পিকে হালদারসহ ২০ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ বহাল ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় ১৪ দিনেই ভালো হচ্ছেন করোনা রোগী : আইইডিসিআর মুশফিক-নাঈমে ইনিংস ব্যবধানে দূর্দান্ত জয় টাইগারদের আগৈলঝাড়ায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ রিফাত হত্যা মামলার আসামি সিফাতের বাবা গ্রেফতার
৬৭

কূটনৈতিকদের সঙ্গে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে প্রধান বাধা তারেক!

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

দীর্ঘদিন পর কূটনৈতিকদের সঙ্গে বসলো বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্ট। দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কূটনৈতিকদের ব্রিফ করার জন্যই ড. মঈন খানের বাসভবনে বৈঠকের আয়োজন করা হয়। কিন্তু বহুদিন পরে সে বৈঠকে নতুন করে আবারও তারেক রহমানের প্রসঙ্গ আসায় বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি বলেই জানা গেছে।

বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার উপস্থিত ছিলেন। তিনিই মূলত কূটনৈতিকদের মধ্যে থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। যেখানে বিএনপিতে তারেকের ভূমিকা, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে তার সম্পর্কসহ বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির তরফ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের তরফ থেকে ড. কামাল।

সূত্র বলছে, অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে রবার্ট মিলার বিএনপিতে তারেকের ভূমিকার কথা জানতে চান। তিনি তারেকের ব্যাপারে তিনটি প্রশ্ন করেন। প্রথম প্রশ্ন ছিলো- বিএনপি গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন দণ্ডিত অপরাধী একটি দলের নেতৃত্বে থাকতে পারে কি না? দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিলো, বিএনপিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কোনো পদ আছে কি না? এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তারেক রহমান অন্য সিনিয়র নেতাদের মতামত নেন কি না? তৃতীয়ত, জামায়াতসহ বিভিন্ন জঙ্গি এবং সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে তারেক রহমানের সংশ্লিষ্টতার যে অভিযোগ এবং তথ্য প্রমাণাদি রয়েছে সে ব্যাপারে বিএনপি নেতাদের বক্তব্য কী?

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে প্রশ্নে রবার্ট মিলার ড. কামালের কাছে জানতে চান তারেকের নেতৃত্বে বিএনপির সঙ্গে তিনি ঐক্য করছেন কেন? ড. কামাল হোসেন উত্তরে বলেন, তিনি তারেকের সঙ্গে ঐক্য করেননি। তিনি বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করছেন এবং এই ঐক্যে তারেক রহমানের কোনো ভূমিকা নেই। কিন্তু মির্জা ফখরুলের উত্তরের সঙ্গে ড. কামালের উত্তরের সামঞ্জস্যতা না পেয়ে কূটনীতিকরা কিছুটা বিব্রত হয়েছেন বলে জানা যায়।

এদিকে বৈঠকের পর বিভিন্ন কূটনৈতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এ ব্যাপারে তাদের অসন্তোষ এবং আপত্তির কথা জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৈঠকে উপস্থিত একজন কূটনৈতিক বলেন, আমরা এ পর্যন্ত চার দফা বৈঠকে তারেকের ব্যাপারে সুস্পষ্ট আপত্তি উত্থাপন করেছি। আমরা বলেছি যে, একটা শক্তিশালী বিরোধী দলের স্বার্থেই তারেক রহমানের মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের সরে যাওয়া উচিত। সর্বোপরি তিনি যেহেতু দেশে নেই, ফলে দেশের রাজনীতিতে তার না থাকাই উত্তম। কিন্তু বিএনপিকে বারবার বলার পরও বিএনপি এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বা নিতে পারছে না। একাধিক কূটনৈতিকরা বলেছেন যে, যতক্ষণ তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত নেতা হিসেবে থাকবেন ততক্ষণ বিএনপিকে সমর্থন দেওয়া বা বিএনপির দাবি দাওয়ার প্রতি সহানুভূতি জানানোর কোনো সুযোগ নেই। কারণ আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী, একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে সহযোগিতা করার কোনো রেওয়াজ কূটনৈতিকদের নেই।

এই বিভাগের আরো খবর