শুক্রবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৪ ১৪২৬   ২০ মুহররম ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি : প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগকে সংযমের সঙ্গে চলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি দলের সাক্ষাত অবৈধ জুয়ার আড্ডা বা ক্যাসিনো চলতে দেওয়া হবে না: ডিএমপি কমিশনার পটুয়াখালীতে ধর্ষণ মামলার বাদীকে পেটানো প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার-৪ শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণ শুক্রবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ফকিরাপুলের ক্যাসিনো থেকে আটক ১৪২ জনের জেল রাজধানীর তিনটি ক্যাসিনোতে র‌্যাবের অভিযান জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ রিয়াদের ফিফটিতে টাইগাররা ১৭৬ রানের লক্ষ্য দিলো জিম্বাবুয়েকে টস হেরে ব্যাটিং এ বাংলাদেশ রিফাত হত্যা : পলাতক ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রোহিঙ্গা সংকট : ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ আমাদের কাজই হচ্ছে জনগণকে সেবা দেয়া : প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন বাংলাদেশের পক্ষে: মোমেন আজ গাজীপুর যাবেন প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ দূষণ: ৪ প্রতিষ্ঠানকে কোটি টাকা জরিমানা স্বর্ণজয়ী রোমান সানার মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী আরো দু’টি বোয়িং বিমান কেনার ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী
২৩

কূটনৈতিকদের সঙ্গে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে প্রধান বাধা তারেক!

প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

দীর্ঘদিন পর কূটনৈতিকদের সঙ্গে বসলো বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্ট। দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কূটনৈতিকদের ব্রিফ করার জন্যই ড. মঈন খানের বাসভবনে বৈঠকের আয়োজন করা হয়। কিন্তু বহুদিন পরে সে বৈঠকে নতুন করে আবারও তারেক রহমানের প্রসঙ্গ আসায় বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি বলেই জানা গেছে।

বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার উপস্থিত ছিলেন। তিনিই মূলত কূটনৈতিকদের মধ্যে থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। যেখানে বিএনপিতে তারেকের ভূমিকা, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে তার সম্পর্কসহ বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির তরফ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের তরফ থেকে ড. কামাল।

সূত্র বলছে, অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে রবার্ট মিলার বিএনপিতে তারেকের ভূমিকার কথা জানতে চান। তিনি তারেকের ব্যাপারে তিনটি প্রশ্ন করেন। প্রথম প্রশ্ন ছিলো- বিএনপি গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন দণ্ডিত অপরাধী একটি দলের নেতৃত্বে থাকতে পারে কি না? দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিলো, বিএনপিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কোনো পদ আছে কি না? এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তারেক রহমান অন্য সিনিয়র নেতাদের মতামত নেন কি না? তৃতীয়ত, জামায়াতসহ বিভিন্ন জঙ্গি এবং সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে তারেক রহমানের সংশ্লিষ্টতার যে অভিযোগ এবং তথ্য প্রমাণাদি রয়েছে সে ব্যাপারে বিএনপি নেতাদের বক্তব্য কী?

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে প্রশ্নে রবার্ট মিলার ড. কামালের কাছে জানতে চান তারেকের নেতৃত্বে বিএনপির সঙ্গে তিনি ঐক্য করছেন কেন? ড. কামাল হোসেন উত্তরে বলেন, তিনি তারেকের সঙ্গে ঐক্য করেননি। তিনি বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করছেন এবং এই ঐক্যে তারেক রহমানের কোনো ভূমিকা নেই। কিন্তু মির্জা ফখরুলের উত্তরের সঙ্গে ড. কামালের উত্তরের সামঞ্জস্যতা না পেয়ে কূটনীতিকরা কিছুটা বিব্রত হয়েছেন বলে জানা যায়।

এদিকে বৈঠকের পর বিভিন্ন কূটনৈতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এ ব্যাপারে তাদের অসন্তোষ এবং আপত্তির কথা জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৈঠকে উপস্থিত একজন কূটনৈতিক বলেন, আমরা এ পর্যন্ত চার দফা বৈঠকে তারেকের ব্যাপারে সুস্পষ্ট আপত্তি উত্থাপন করেছি। আমরা বলেছি যে, একটা শক্তিশালী বিরোধী দলের স্বার্থেই তারেক রহমানের মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের সরে যাওয়া উচিত। সর্বোপরি তিনি যেহেতু দেশে নেই, ফলে দেশের রাজনীতিতে তার না থাকাই উত্তম। কিন্তু বিএনপিকে বারবার বলার পরও বিএনপি এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বা নিতে পারছে না। একাধিক কূটনৈতিকরা বলেছেন যে, যতক্ষণ তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত নেতা হিসেবে থাকবেন ততক্ষণ বিএনপিকে সমর্থন দেওয়া বা বিএনপির দাবি দাওয়ার প্রতি সহানুভূতি জানানোর কোনো সুযোগ নেই। কারণ আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী, একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে সহযোগিতা করার কোনো রেওয়াজ কূটনৈতিকদের নেই।

এই বিভাগের আরো খবর