শনিবার   ২৩ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৮ ১৪২৬   ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
কলকাতা থেকে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে হিযবুত তাহরীরের আঞ্চলিক প্রধান আটক সরকার আলেমদের সঙ্গে নিয়ে দেশের উন্নয়ন করতে চায়: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নরসিংদীর এমপি বুবলীকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার চালের বাজার অস্থিতিশীল করলে কাউকে ছাড় নয়: খাদ্যমন্ত্রী ভারত মুক্তিযুদ্ধের সময় পাশে ছিল তা ভুলিনি: প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের নৈতিক শিক্ষা খুবই প্রয়োজন: পরিকল্পনামন্ত্রী আ’লীগে অনুপ্রবেশকারী-সন্ত্রাসীদের স্থান নাই: শিল্পমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে গুজব বন্ধে বিধিমালা হচ্ছে- তথ্যমন্ত্রী শুক্রবারের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে: কাদের ঘণ্টা বাজিয়ে খেলার উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে গড়ে তোলা হবে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে কাজ করার আহ্বান আজ বরিশালে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে যুদ্ধ জাহাজ সড়ক পরিবহন আইনের অসঙ্গতি দূর করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘বিএনপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব সৃষ্টি করছে’- কাদের অনার্স ২য় বর্ষের ২৫ নভেম্বরের পরীক্ষা স্থগিত কোন অপপ্রচারে কান না দিতে জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ‘গোলাপি’ যাত্রা রাঙ্গাতে কাল মাঠে নামছে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এখন সম্মানের দেশ: প্রধানমন্ত্রী
৮১

কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা এসআই আকরামসহ ১১ জন জেলহাজতে

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০১৯  

 


নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ‘ডাকাত’ সাজিয়ে কিশোর শামছুদ্দিন মিলনকে (১৬) পিটিয়ে হত্যা মামলার আসামি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকরাম উদ্দিন শেখসহ ১১ জনকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত।

আকরাম উদ্দিন শেখ বুধবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে নোয়াখালী-৪ নম্বর আমলি আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নবণীতা গুহ এ আদেশ দেন। একই আদালত মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে আরও ১০ আসামিকে জেলহাজতে পাঠান।

কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল হক  জানান, মিলন হত্যা মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় এসআই আকরাম উদ্দিন বুধবার দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

একই আদালতে মঙ্গলবার বিকেলে ১০ আসামি আত্মসমর্পণ করলে তাদেরও জেলহাজতে পাঠানো হয়। ওই ১০ জন হলেন- আজিজুল হক, আহছান উল্যা, আকবর হোসেন ওরফে সুমন, দেলোয়ার হোসেন ওরফে স্বপন, সালাহ উদ্দিন ওরফে মিলন, ওমর ফারুখ, মো. সবুজ, আবুল খায়ের ওরফে লিটু, নুর উদ্দিন ওরফে বাবু ও মো. সেলিম।

এ মামলায় আরও আট আসামি ইতিপূর্বে গ্রেফতার হন, তবে তারা এখন জামিনে আছেন। এছাড়া এখনো নয় আসামি পলাতক রয়েছেন।

২০১১ সালের ২৭ জুলাই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর কাঁকড়ার টেকের বাজার এলাকায় ‘ডাকাত’ সাজিয়ে কিশোর শামছুদ্দিন মিলনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ গাড়িতে করে এনে জনতার হাতে এ কিশোরকে ছেড়ে দেয়। সেখানে পুলিশের উপস্থিতিতেই মিলনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনার পর ওই বছরের ৩ আগস্ট মিলনের মা কোহিনুর বেগম আদালতে মামলা করেন। মামলায় তিনি পুলিশের উপস্থিতিতে তার ছেলেকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ করেন। পরে ৫ নভেম্বর ২ নম্বর আমলি আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ফারহানা ভূঁইয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ না করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন।

সিআইডি দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশকে বাদ দিয়ে গত ৯ মার্চ আদালতে ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে গত ১৬ সেপ্টেম্বর আদালত মামলার নথি পর্যালোচনা করে অভিযোগপত্রের সাক্ষীর তালিকায় থাকা পুলিশের এসআই আকরাম উদ্দিন শেখকে আসামি করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

এই বিভাগের আরো খবর