• রোববার   ১২ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৮ ১৪২৭

  • || ২১ জ্বিলকদ ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৭ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৬৬ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩০ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৮৬ লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে হত্যার ঘটনায় চক্রের দুই সদস্য কারাগারে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪১ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৩০৭ এইচএসসিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু শিগগিরই: শিক্ষামন্ত্রী করোনায় মৃত প্রবাসীর পরিবার পাবে ৩ লাখ টাকা করে: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৪৮৯ করোনা শনাক্তে প্রতারণায় কঠোর অবস্থানে সরকার : ওবায়দুল কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৫৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৩০২৭ চলে গেলেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর করোনায় আরও ৪৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩২০১ ভিসার মেয়াদ বাড়ালো সৌদি আরব: পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ২৭৩৮, মৃত্যু ৫৫ কাউকেই ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হবে না: বিদ্যুৎ সচিব আজ থেকে অধস্তন আদালতে আত্মসমর্পণ করা যাবে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৯ মৃত্যু, শনাক্ত ৩২৮৮ বেতন-ভাতা পরিশোধে মালিকরা সহমর্মিতার নজির দেখাবেন : কাদের পাটকল শ্রমিকরা দুই ধাপে সব পাওনা পাবে: পাটমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ৪০১৯, মৃত্যু ৩৮ চালের বাজার অস্থিতিশীল করলে কঠোর ব্যবস্থা : খাদ্যমন্ত্রী
১০২

কিডনির বায়োপসি ও গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

কিডনির অনেক কাজের মধ্যে প্রধান কাজ রক্ত পরিশোধন করা। আর এটি সম্পন্ন হয় যে আণুবীক্ষণিক অঙ্গের মাধ্যমে, তাকে বলে ‘গ্লোমেরুলাস’। এই গ্লোমেরুলাস আসলে এক ধরনের ছাঁকনি তৈরি করে। যা রক্তে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিকগুলো প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দিতে সহায়তা করে। সহজভাবে বললে, এ ছবি একেকটি ক্ষুদ্র রক্তনালির গুচ্ছ। মানুষের প্রতি কিডনিতে প্রায় ১০ লাখ গ্লোমেরুলাস আছে। কিন্তু বিশেষ বিশেষ রোগের কারণে এর কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়, যেমন গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস। এর উপসর্গ বা লক্ষণ নানা রকম হতে পারে অথবা কখনো কখনো সাধারণ প্রস্রাব পরীক্ষায় এটি প্রথম ধরা পড়ে। উপসর্গের মধ্যে আছে—

♦   প্রস্রাবের রং পরিবর্তন, যেমন প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া বা প্রস্রাবের রং ঘোলাটে হওয়া

♦   মুখ অথবা মুখের চারপাশে পানি জমা ও ফুলে যাওয়া

♦   পা ফুলে যাওয়া

♦   খুব অল্প বয়সে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া।

সাধারণ প্রস্রাব পরীক্ষায় অনেক সময় রক্তকণিকা অথবা বেশি মাত্রায় প্রোটিনের উপস্থিতি ধরা পড়লেও রোগটি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যায়।

সমস্যা হচ্ছে, এ ধরনের অসুখ সহজে ধরা পড়ে না। কিডনির বেশির ভাগ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেলে উপসর্গ প্রকাশ পেতে শুরু করে। অথচ দ্রুত এই রোগ নির্ণয় করা গেলে এ রোগকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনা সম্ভব। আর তা না করা গেলে কিডনি প্রতিস্থাপন করার প্রয়োজন হয়ে পড়তে পারে।

রোগটি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা গেলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ রোগ নিশ্চিত নির্ণয় করার একমাত্র উপায় ‘কিডনির বায়োপসি’ করা। কিডনির বায়োপসি একটি সহজ প্রক্রিয়া, যা ছোট একটি অপারেশনের মতো। প্রথমে আলট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষার মাধ্যমে বাঁ পাশের কিডনির নিচের সীমানা নির্ণয় করা হয়। এরপর স্থানীয়ভাবে অবচেতন করার ওষুধ বা লোকাল অ্যানেস্থেশিয়া প্রয়োগ করে স্থানটি অবশ করা হয়। তারপর একটি বিশেষ বায়োপসি নিডল বা ছোট সুইয়ের মাধ্যমে কিডনি থেকে সামান্য কিছু টিস্যু নিয়ে তা ল্যাবরেটরিতে বিশেষ মাইক্রোসকোপের নিচে পরীক্ষা করা হয়। এ পরীক্ষার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই সুনির্দিষ্ট ওষুধ প্রদানের মাধ্যমে এর চিকিৎসা করা যায়। এর সঙ্গে অবশ্য রক্তের কিছু পরীক্ষা করার প্রয়োজন পড়ে। পুরো রেনাল বায়োপসি ও আনুষাঙ্গিক পরীক্ষার জন্য রোগীকে এক-দু দিন হাসপাতালে অবস্থান করতে হয়।

আগে এ ধরনের পরীক্ষা বাংলাদেশে সম্ভব না হলেও এখন অনেক হাসপাতালেই হচ্ছে। আর পরীক্ষা সহজলভ্য হওয়ায় চিকিৎসা করাও সম্ভব হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর