শুক্রবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৪ ১৪২৬   ২০ মুহররম ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি : প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগকে সংযমের সঙ্গে চলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি দলের সাক্ষাত অবৈধ জুয়ার আড্ডা বা ক্যাসিনো চলতে দেওয়া হবে না: ডিএমপি কমিশনার পটুয়াখালীতে ধর্ষণ মামলার বাদীকে পেটানো প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার-৪ শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণ শুক্রবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ফকিরাপুলের ক্যাসিনো থেকে আটক ১৪২ জনের জেল রাজধানীর তিনটি ক্যাসিনোতে র‌্যাবের অভিযান জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ রিয়াদের ফিফটিতে টাইগাররা ১৭৬ রানের লক্ষ্য দিলো জিম্বাবুয়েকে টস হেরে ব্যাটিং এ বাংলাদেশ রিফাত হত্যা : পলাতক ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রোহিঙ্গা সংকট : ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ আমাদের কাজই হচ্ছে জনগণকে সেবা দেয়া : প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন বাংলাদেশের পক্ষে: মোমেন আজ গাজীপুর যাবেন প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ দূষণ: ৪ প্রতিষ্ঠানকে কোটি টাকা জরিমানা স্বর্ণজয়ী রোমান সানার মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী আরো দু’টি বোয়িং বিমান কেনার ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী
২১

কিডনির বায়োপসি ও গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস

প্রকাশিত: ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

কিডনির অনেক কাজের মধ্যে প্রধান কাজ রক্ত পরিশোধন করা। আর এটি সম্পন্ন হয় যে আণুবীক্ষণিক অঙ্গের মাধ্যমে, তাকে বলে ‘গ্লোমেরুলাস’। এই গ্লোমেরুলাস আসলে এক ধরনের ছাঁকনি তৈরি করে। যা রক্তে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিকগুলো প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দিতে সহায়তা করে। সহজভাবে বললে, এ ছবি একেকটি ক্ষুদ্র রক্তনালির গুচ্ছ। মানুষের প্রতি কিডনিতে প্রায় ১০ লাখ গ্লোমেরুলাস আছে। কিন্তু বিশেষ বিশেষ রোগের কারণে এর কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়, যেমন গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস। এর উপসর্গ বা লক্ষণ নানা রকম হতে পারে অথবা কখনো কখনো সাধারণ প্রস্রাব পরীক্ষায় এটি প্রথম ধরা পড়ে। উপসর্গের মধ্যে আছে—

♦   প্রস্রাবের রং পরিবর্তন, যেমন প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া বা প্রস্রাবের রং ঘোলাটে হওয়া

♦   মুখ অথবা মুখের চারপাশে পানি জমা ও ফুলে যাওয়া

♦   পা ফুলে যাওয়া

♦   খুব অল্প বয়সে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া।

সাধারণ প্রস্রাব পরীক্ষায় অনেক সময় রক্তকণিকা অথবা বেশি মাত্রায় প্রোটিনের উপস্থিতি ধরা পড়লেও রোগটি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যায়।

সমস্যা হচ্ছে, এ ধরনের অসুখ সহজে ধরা পড়ে না। কিডনির বেশির ভাগ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেলে উপসর্গ প্রকাশ পেতে শুরু করে। অথচ দ্রুত এই রোগ নির্ণয় করা গেলে এ রোগকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনা সম্ভব। আর তা না করা গেলে কিডনি প্রতিস্থাপন করার প্রয়োজন হয়ে পড়তে পারে।

রোগটি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা গেলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ রোগ নিশ্চিত নির্ণয় করার একমাত্র উপায় ‘কিডনির বায়োপসি’ করা। কিডনির বায়োপসি একটি সহজ প্রক্রিয়া, যা ছোট একটি অপারেশনের মতো। প্রথমে আলট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষার মাধ্যমে বাঁ পাশের কিডনির নিচের সীমানা নির্ণয় করা হয়। এরপর স্থানীয়ভাবে অবচেতন করার ওষুধ বা লোকাল অ্যানেস্থেশিয়া প্রয়োগ করে স্থানটি অবশ করা হয়। তারপর একটি বিশেষ বায়োপসি নিডল বা ছোট সুইয়ের মাধ্যমে কিডনি থেকে সামান্য কিছু টিস্যু নিয়ে তা ল্যাবরেটরিতে বিশেষ মাইক্রোসকোপের নিচে পরীক্ষা করা হয়। এ পরীক্ষার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই সুনির্দিষ্ট ওষুধ প্রদানের মাধ্যমে এর চিকিৎসা করা যায়। এর সঙ্গে অবশ্য রক্তের কিছু পরীক্ষা করার প্রয়োজন পড়ে। পুরো রেনাল বায়োপসি ও আনুষাঙ্গিক পরীক্ষার জন্য রোগীকে এক-দু দিন হাসপাতালে অবস্থান করতে হয়।

আগে এ ধরনের পরীক্ষা বাংলাদেশে সম্ভব না হলেও এখন অনেক হাসপাতালেই হচ্ছে। আর পরীক্ষা সহজলভ্য হওয়ায় চিকিৎসা করাও সম্ভব হচ্ছে।