রোববার   ২০ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৪ ১৪২৬   ২০ সফর ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
রাজীবের মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান পরিচালনা করছে র‌্যাব অস্ত্র ও মাদকসহ রাজীবকে আটক করেছে র‌্যাব কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজিব গ্রেফতার আসছে ‘জলের গান’র অ্যালবাম, থাকছে বারী সিদ্দিকীর গান বছর শেষ হলেই বাতিল হচ্ছে ২ হাজার রুপির নোট ঢাকায় আসছেন নিউইয়র্ক সিটির ৫ সিনেটর বাকেরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত দাইয়ুস জান্নাতে যাবে না ড্রাগনের রক্ত বয়ে চলেছে যে গাছ! বালিশকাণ্ডের মতো কলঙ্কজনক কাজ যেন না হয় :পরিকল্পনামন্ত্রী দলে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দেওয়া হবে না: নাসিম দোয়া পাওয়ার জন্য রাজনীতি করি : শামীম ওসমান আর্থিক সংকটে দুদিন বন্ধ জাতিসংঘ ওজন কমাতে খান মিষ্টি আলু ফেসবুক সমাজের `পঞ্চম স্তম্ভ`: জাকারবার্গ দুর্নীতি ও মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম বিতরণ করেণ পংকজ নাথ কেরানি থেকে ধর্মীয় গুরু, আশ্রমে মিলল ৫০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ! মদিনায় দুর্ঘটনায় নিহতদের ১১ জন বাংলাদেশি দীর্ঘদিন ধরেই পদ্মায় ইলিশ ধরছিলেন ভারতীয় জেলেরা!
১৭

কথা বলতে না দেয়ায় সভা থেকে বেরিয়ে গেলেন নায়ক রিয়াজ

প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০১৯  

বিদায়ী শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সেক্রেটারি জায়েদ খান প্যানেলের কমিটির সাধারণ সভা ছিলো শুক্রবার। সেখানে কথা বলতে না দেয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েই সভা বয়কট করলেন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি চিত্রনায়ক রিয়াজ।

ঘড়ির কাঁটা যখন দুপুর ১২টা তখনই সভায় কথা বলার সুযোগ চান বর্তমান সমিতির সহ সভাপতি চিত্রনায়ক রিয়াজ। কিন্তু তিনি ৩০ মিনিট অপেক্ষা করেও কথা বলার সুযোগ পাননি। পরে এটি নিয়ে সভায় হইচই হয় বেঁধে যায়। সভায় উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রিয়াজকে কথা বলতে না দেয়ার কারণ হিসেবে সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর বলেন, এটি সাধারণ শিল্পীদের সভা, এখানে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া আর কেউ কথা বলতে পারবেন না। এখানে সাধারণ শিল্পীরা প্রশ্ন করবেন, চলতি কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জবাব দেবেন।

সভা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে রিয়াজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্রের কোন ধারায় আছে, সভাপতি আর সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বর্তমান কমিটির কেউ কথা বলতে পারবেন না? এমন কোনো ধারা নেই। তাদের কিসের ভয়? আমি তাদের কাণ্ডকীর্তি ফাঁস করে দিতাম? সাধারণ সভায় তারা এমনভাবে কথা বলছিলেন যে বর্তমান কমিটির সব অর্জন শুধু তাদের দুজনের। বাকিদের কোনো ভূমিকা নেই। এসব নোংরামি। এই নোংরামির মধ্যে আমি থাকতে চাইনি। তাই সেখান থেকে বের হয়ে এসেছি।

আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রসঙ্গে রিয়াজ বলেন, কমিটির কোষাধ্যক্ষ যে আয়-ব্যয়ের হিসেব দিয়েছেন, তা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। দুই বছরে অনুদান হিসেবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি সংগ্রহ করেছে ৫৮ লাখ ৭০ হাজার ৯৬ টাকা। শিল্পীদের জন্য খরচ হয়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ৩০০ টাকা। এই সহযোগিতার খরচ কি আরো বাড়ানো যেত না? এই টাকা তো শিল্পীদের সহযোগিতার জন্য দাতারা অনুদান দিয়েছেন। এত টাকা ফান্ডে ফেলে রাখার কারণ কী?

উল্লেখ্য সর্বশেষ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সহ-সভাপতি পদে জয় পেলেও এবার তিনি নির্বাচন করছেন না। 

এই বিভাগের আরো খবর