শুক্রবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৪ ১৪২৬   ২০ মুহররম ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি : প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগকে সংযমের সঙ্গে চলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি দলের সাক্ষাত অবৈধ জুয়ার আড্ডা বা ক্যাসিনো চলতে দেওয়া হবে না: ডিএমপি কমিশনার পটুয়াখালীতে ধর্ষণ মামলার বাদীকে পেটানো প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার-৪ শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণ শুক্রবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ফকিরাপুলের ক্যাসিনো থেকে আটক ১৪২ জনের জেল রাজধানীর তিনটি ক্যাসিনোতে র‌্যাবের অভিযান জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ রিয়াদের ফিফটিতে টাইগাররা ১৭৬ রানের লক্ষ্য দিলো জিম্বাবুয়েকে টস হেরে ব্যাটিং এ বাংলাদেশ রিফাত হত্যা : পলাতক ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রোহিঙ্গা সংকট : ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ আমাদের কাজই হচ্ছে জনগণকে সেবা দেয়া : প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন বাংলাদেশের পক্ষে: মোমেন আজ গাজীপুর যাবেন প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ দূষণ: ৪ প্রতিষ্ঠানকে কোটি টাকা জরিমানা স্বর্ণজয়ী রোমান সানার মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী আরো দু’টি বোয়িং বিমান কেনার ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী
৩৯

এই দ্বীপে একটা কিছু আছে!

প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

হোমো স্যাপিয়েন্স বলতে আমরা আমাদেরই বুঝি। তবে হোমো ফ্লোরেসিয়েন্সিস নামেও একটা প্রজাতি আছে। মানুষই ওরা। পার্থক্যটা আকারে। ফ্লোরেসিয়েন্সিসরা আকারে খাটো। ঠিক বামন নয়, তবে আকারে এক মিটারের একটু বেশি হয়।

২০০৪ সালে প্রথম ওদের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পারেন ভূতাত্ত্বিকরা। ইন্দোনেশিয়ার লিয়াং বুয়া নামের একটি গুহায় পাওয়া যায় তাদের দশখানা কঙ্কাল। সবার সাইজই মোটামুটি এক। এক দশমিক এক মিটার। ফ্লোরেস দ্বীপের বাসিন্দা ছিল ওরা। বাস করত আজ থেকে এক লাখ ৯০ হাজার থেকে ৫০ হাজার বছর আগ পর্যন্ত। এখন যাদের পিগমি মানব বলে ডাকা হয়, তাদের চেয়েও ছোট ওরা। তাই আক্ষরিক অর্থেই বলা যায়, ওরা ছিল সত্যিকারের ‘হবিট’।

প্রথম দিকে ঘটনাটাকে স্রেফ জিনের খেলা বলেই চালিয়ে দেওয়া যেত। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেল, ৭০ হাজার বছরে দুই দফায় এই ফ্লোরেস দ্বীপে বসতি গেড়েছিল মানুষ। একই সময়ে ইন্দোনেশিয়ার আশপাশের অন্য দ্বীপগুলোতেও ছিল বসতি। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে বেঁটে হয়ে গেছে শুধু ফ্লোরেস দ্বীপের বাসিন্দারাই। এমনকি শুধু মানুষ হলেও কথা ছিল, আকারে খাটো হয়ে গেছে বাদবাকি স্তন্যপায়ীরাও। ফ্লোরেস দ্বীপের একটি হাতির ওজন গড়পড়তা অন্য হাতির চেয়ে ১৮ ভাগের এক ভাগ! এখানকার একটি প্রাপ্তবয়স্ক হাতির উচ্চতা বড়জোর একজন স্বাভাবিক মানুষের কাঁধ পর্যন্ত হয়! অর্থাৎ এখানে মানুষের জিনের কোনো ভূমিকা নেই, আছে দ্বীপের কোনো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের।

তার পরও ২০১৩ সালে একবার এখানকার একটি গ্রামের মানুষদের ডিএনএ নিয়ে গবেষণা চালানো হয়েছিল। তাতেও দেখা গিয়েছিল, সেখানকার অপেক্ষাকৃত বেঁটে মানুষরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাধারণ মানুষদের ডিএনএর বৈশিষ্ট্য নিয়েই বেড়ে উঠেছে। অস্বাভাবিক কিছু নেই। আর তাই অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের গবেষক পিটার ভিশারসহ আরো অনেক গবেষক জানালেন, সরাসরি একটি-দুটি জিন জড়িত না থাকলেও দ্বীপের সামগ্রিক পরিবেশ এখানে ডিএনএর কাজ করেছে। হতে পারে, ফ্লোরেস দ্বীপের খাবারের সংকটও এর জন্য দায়ী। যার কারণে কম খেতে খেতে এখানকার প্রাণীদের শরীর নিজেদের কম খাবারের সঙ্গে একটা বোঝাপড়ায় চলে এসেছে। আবার কেউ তো বলছেন, আস্ত দ্বীপটাই এখানকার প্রাণীদের এমন এক আবহে আটকে রেখেছে যে কেউ তার বলয় থেকে মুক্তি পাচ্ছে না!

এই বিভাগের আরো খবর