রোববার   ২০ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৫ ১৪২৬   ২০ সফর ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
‘ডিজিটাল পদ্ধতিতে নাগরিক সেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে সরকার’ কুমার শানুর জন্মদিন আজ ২০২১ সাল নাগাদ সব ডিজিটাল সেবা আরও সহজ হবে: জয় ফাদার রিগনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিকেলে যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক অখ্যাত মায়োর্কার মাঠে রিয়ালের প্রথম হার টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ মাদক ব্যবসায়ী নিহত শ্রমিকের স্বার্থে কাজ করছে সরকার: শ্রম প্রতিমন্ত্রী যুবলীগ থেকে বহিষ্কার কাউন্সিলর রাজীব টেকনাফে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ রোহিঙ্গা আটক রাজীবের মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান পরিচালনা করছে র‌্যাব অস্ত্র ও মাদকসহ রাজীবকে আটক করেছে র‌্যাব কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজিব গ্রেফতার আসছে ‘জলের গান’র অ্যালবাম, থাকছে বারী সিদ্দিকীর গান বছর শেষ হলেই বাতিল হচ্ছে ২ হাজার রুপির নোট ঢাকায় আসছেন নিউইয়র্ক সিটির ৫ সিনেটর বাকেরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত দাইয়ুস জান্নাতে যাবে না ড্রাগনের রক্ত বয়ে চলেছে যে গাছ! বালিশকাণ্ডের মতো কলঙ্কজনক কাজ যেন না হয় :পরিকল্পনামন্ত্রী
২৫

আরপিও লঙ্ঘন : নির্বাচন কমিশনের জালে বিএনপি, শঙ্কায় নেতারা

প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর থেকে বিএনপি রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে বারবার ব্যর্থ হচ্ছে। এর ফলে নানা ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে দল ও দলের নেতাদের। এবার দলটির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলের কাউন্সিল নিয়ে সৃষ্ট নানামুখী জটিলতার মধ্যেই নতুন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে বিএনপি।

আইন সংশ্লিষ্টদের মতে, ছাত্রদলের সাংগঠনিক কাজে বিএনপির হস্তক্ষেপের কারণে খেসারত দিতে হতে পারে বিএনপিকে। কেননা, আরপিও অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত কোনো রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনকে নিজেদের অঙ্গসংগঠন রাখতে পারবে না। ছাত্রদল এখন বিএনপির সহযোগী সংগঠন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা এবার সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন পরিচালনা করছেন, যা আরপিওর লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন চাইলে সংশ্লিষ্ট দলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।

সূত্র বলছে, ছাত্রদলের কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে বরাবরই বিএনপি নানা তৎপরতা চালিয়েছে। এমনকি বিএনপি শীর্ষ নেতারা কাউন্সিল নিয়ে মাতোয়ারা ছিলেন। ফলে রাজনৈতিক দল হয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন পরিচালনা করছেন, যা আইনত দণ্ডনীয়। এ নিয়ে বেশ হতাশ নেতারা। তারা বলছেন, আইন জেনেও সংগঠনের করুণ অবস্থা বিবেচনায় তারা এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। এখন বাকিটুকু নিয়ে আমরা চিন্তিত।

এ নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও কথা বলতে রাজি হননি কেউই। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলের প্রায় প্রত্যেক নেতাই এ নিয়ে কথা বলতে নারাজ।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির আইনজীবী ফোরামের একজন আইনজীবী বলেন, বিষয়টি যেমন শুনছেন ঠিক তেমনই। আমরা ছাত্রদলের সংকট সমাধানে গোপনে কাজ করার কথা বলেছিলাম। কিন্তু তা প্রকাশ্যে আসায় আইন লঙ্ঘনের ফাঁদে পড়ে গেছে বিএনপি নেতারা। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের ব্যাপার।

এই বিভাগের আরো খবর