সোমবার   ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯   পৌষ ২ ১৪২৬   ১৮ রবিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের বিজয়গাথা জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বিজয় দিবসে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ইসলামে বিজয় দিবসের গুরুত্ব পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় ‘মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৯’ হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত টনি-অ্যান সিং ‘সোনার তরী’ ও ‘অচীন পাখি’ উদ্বোধন ২৮ ডিসেম্বর আজ বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী বিজয় দিবসের আগে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কুচকাওয়াজে মুক্তিযোদ্ধারা আজকের ভাগ্যচক্র বিজয়ের স্মৃতি ও বঙ্গবন্ধু বিয়ে করা আর বিয়ে দেয়াও ধর্মীয় বিধান বরিশালে ১শ পিস ইয়াবা নিয়ে ওসির ছেলেসহ আটক ২ বিজয়ের শক্তি বরিশাল বিভাগে মিলেছে ৩৭ রাজাকারের অস্তিত্ব! ১৬ ডিসেম্বর কিনুন ১৬ টাকায় এয়ার টিকিট ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির ইতিহাসে সর্বোচ্চ অর্জনের দিন রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বাংলাদেশের জন্ম দেখে নিন প্রথম পর্বে প্রকাশিত ১০,৭৮৯ রাজাকারের তালিকা আজ মহান বিজয় দিবস
২৭

আগামীকাল শ্রমিক লীগের সম্মেলন কারা আসছেন শীর্ষ পদ

প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০১৯  


আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন শ্রমিক লীগের জাতীয় সম্মেলন শনিবার (৯ নভেম্বর)। এদিন সকাল ১১টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলনের উদ্বোধন ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী অধিবেশন শেষে বিকেল ৩টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এই অধিবেশনে নির্বাচন করা হবে শ্রমিক লীগের নতুন নেতৃত্ব।

শ্রমিক লীগের পরবর্তী নেতৃত্বে কারা আসছেন তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সংগঠনটিতে রয়েছে ৩৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি। সংগঠনের বর্তমান সভাপতি শুকুর মাহমুদ এই পদে আবারও প্রার্থী। বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের নামও সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া, বর্তমান কমিটির কার্যকরী সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মন্টু, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান আকন্দ, আমিনুল হক ফারুক, মোল্লা আবুল কালাম আজাদ, জহিরুল ইসলাম চৌধুরীর নামও শোনা যাচ্ছে আলোচনায়।

সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খান সিরাজুল ইসলাম, সফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আলম মিল্কি, তোফায়েল আহমেদ, প্রচার সম্পাদক কে এম আজম খসরু প্রমুখ।

শ্রমিক লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুই বছর পর পর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান কমিটি সাত বছরেরও বেশি সময় পর জাতীয় সম্মেলন করতে যাচ্ছে। বর্তমান শ্রম আইন অনুযায়ী পরেরবার থেকে কমিটির মেয়াদ তিন বছর হবে।

জাতীয় শ্রমিক লীগের এই সম্মেলন উপলক্ষে একটি প্রস্তুতি কমিটি ও নয়টি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিশাল সম্মেলন মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। এই মঞ্চেই আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এখানেই কৃষক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও যুবলীগের সম্মেলনও এই মঞ্চেই অনুষ্ঠিত হবে। শ্রমিক লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও এর আশপাশের সড়কগুলো বর্ণাঢ্য সাজে সাজানো হয়েছে।

সারাদেশে শ্রমিক লীগের ৭৮টি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে। এসব জেলা থেকে আট হাজার কাউন্সিলর ও সমান সংখ্যক ডেলিগেটস সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার সংগঠনের নেতারাও সম্মেলনে অংশ নেবেন। এছাড়া, আন্তর্জাতিক সংগঠন আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর, আইটিইউসি’র এশিয়া প্যাসিফিকের সেক্রেটারি জেনারেল ও সার্কের জেনারেল সেক্রেটারি আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে শ্রমিক লীগের সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন।

সম্মেলনের প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ  বলেন, আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। উৎসবমুখর পরিবেশে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। নেত্রী (শেখ হাসিনা) যাকে যোগ্য মনে করবেন, তিনিই পরবর্তী নেতৃত্বে আসবেন।

এই বিভাগের আরো খবর