মঙ্গলবার   ১৯ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৫ ১৪২৬   ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
লবণের দাম বাড়ালে জেল-জরিমানা : বাণিজ্যমন্ত্রী লবণ নিয়ে গুজবে কান দিবেন না: শিল্প মন্ত্রণালয় ২০২১ সালের মধ্যে ১০০০ উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা দেবে সরকার পদ্মাসেতুর প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৃশ্যমান সেনা কল্যাণ সংস্থার চারটি স্থাপনা উদ্বোধন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর জন্মদিন আজ মালিতে জঙ্গি হামলায় ২৪ সেনা নিহত কন্যা সন্তানের জনক হলেন তামিম বরিশালে পঞ্চম দিনে দেড় কোটি টাকার কর আদায় কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সভা আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী : ৫৪ স্থানে বসছে ক্ষণ গণনার ডিসপ্লে পদ্মা সেতুর ১৬তম স্প্যান বসছে আজ কার্গো বিমানে পেঁয়াজের প্রথম চালান আসছে আজ আজ দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী আইসিসি রায় দিলে সু চি অন্য দেশে পালালেও গ্রেফতার হবেন: শাহরিয়ার পেঁয়াজ পৌঁছাবে মঙ্গলবার, নাগালে আসবে দাম : বাণিজ্য সচিব রিফাত হত্যা: পেছালো ১৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন নতুন সড়ক আইন বাস্তবায়নে বাড়াবাড়ি না করার নির্দেশ আবরার হত্যা : চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আবরার হত্যা : চার্জশিট গ্রহণের শুনানি দুপুরে
১৬

আগামীকাল শ্রমিক লীগের সম্মেলন কারা আসছেন শীর্ষ পদ

প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০১৯  


আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন শ্রমিক লীগের জাতীয় সম্মেলন শনিবার (৯ নভেম্বর)। এদিন সকাল ১১টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলনের উদ্বোধন ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী অধিবেশন শেষে বিকেল ৩টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এই অধিবেশনে নির্বাচন করা হবে শ্রমিক লীগের নতুন নেতৃত্ব।

শ্রমিক লীগের পরবর্তী নেতৃত্বে কারা আসছেন তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সংগঠনটিতে রয়েছে ৩৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি। সংগঠনের বর্তমান সভাপতি শুকুর মাহমুদ এই পদে আবারও প্রার্থী। বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের নামও সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া, বর্তমান কমিটির কার্যকরী সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মন্টু, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান আকন্দ, আমিনুল হক ফারুক, মোল্লা আবুল কালাম আজাদ, জহিরুল ইসলাম চৌধুরীর নামও শোনা যাচ্ছে আলোচনায়।

সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খান সিরাজুল ইসলাম, সফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আলম মিল্কি, তোফায়েল আহমেদ, প্রচার সম্পাদক কে এম আজম খসরু প্রমুখ।

শ্রমিক লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুই বছর পর পর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান কমিটি সাত বছরেরও বেশি সময় পর জাতীয় সম্মেলন করতে যাচ্ছে। বর্তমান শ্রম আইন অনুযায়ী পরেরবার থেকে কমিটির মেয়াদ তিন বছর হবে।

জাতীয় শ্রমিক লীগের এই সম্মেলন উপলক্ষে একটি প্রস্তুতি কমিটি ও নয়টি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিশাল সম্মেলন মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। এই মঞ্চেই আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এখানেই কৃষক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও যুবলীগের সম্মেলনও এই মঞ্চেই অনুষ্ঠিত হবে। শ্রমিক লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও এর আশপাশের সড়কগুলো বর্ণাঢ্য সাজে সাজানো হয়েছে।

সারাদেশে শ্রমিক লীগের ৭৮টি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে। এসব জেলা থেকে আট হাজার কাউন্সিলর ও সমান সংখ্যক ডেলিগেটস সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার সংগঠনের নেতারাও সম্মেলনে অংশ নেবেন। এছাড়া, আন্তর্জাতিক সংগঠন আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর, আইটিইউসি’র এশিয়া প্যাসিফিকের সেক্রেটারি জেনারেল ও সার্কের জেনারেল সেক্রেটারি আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে শ্রমিক লীগের সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন।

সম্মেলনের প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ  বলেন, আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। উৎসবমুখর পরিবেশে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। নেত্রী (শেখ হাসিনা) যাকে যোগ্য মনে করবেন, তিনিই পরবর্তী নেতৃত্বে আসবেন।

এই বিভাগের আরো খবর