• বুধবার   ১২ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৮ ১৪২৭

  • || ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
করোনায় আরও ৪২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯৯৫ করোনায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯০৭ পদ্মা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ মামলায় সাহেদ ৭ দিনের রিমান্ডে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৪৮৭ দলীয় পরিচয় কোনো অপরাধীকে রক্ষা করতে পারেনি: কাদের লাইসেন্স নবায়ন না করলেই বেসরকারি হাসপাতাল বন্ধ দেশে করোনায় আরও ৩২ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬১১ কাল অনলাইনে শুরু একাদশের ভর্তি, যেভাবে আবেদন করবেন সুযোগ আছে, করোনা সংকটেও বিনিয়োগ আনতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবের ফোন করোনায় আরও ৩৩ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৫৪ কামাল বেঁচে থাকলে সমাজকে অনেক কিছু দিতে পারতো: শেখ হাসিনা সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহার মাকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৫০ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯১৮ করোনায় আরও ৪৮ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৯৫ ঈদ-বন্যা ঘিরে করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ট্রাফিক পুলিশ বক্সে বিস্ফোরণ, ‘নব্য জেএমবির সদস্য’ আটক করোনায় আরও ৩৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৩০০৯ ১২ কোটি টাকা আত্মসাত করে গ্রেফতার যমুনা ব্যাংকের ম্যানেজার থানায় বিস্ফোরণে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা নেই : পুলিশ
১০১

আখেরাতের জীবন চিরস্থায়ী

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৫ ডিসেম্বর ২০১৯  

 

দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী। দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবন একই সঙ্গে মানুষের পরীক্ষার কালও। এ জীবনে যারা আল্লাহ ও রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশিত পথে চলবে তাদের আখেরাতের অফুরন্ত জীবনে জান্নাতদ্বারা পুরস্কৃত করা হবে। পক্ষান্তরে যারা ব্যর্থ হবে তাদের পেতে হবে জাহান্নামের শাস্তি। ইসলামী শরিয়তের পরিভাষা- মানুষের মৃত্যুর পরমুহূর্ত যে অনন্ত জীবনের শুরু, যার কোনো শেষ নেই তাকেই আখেরাত বলে। আখেরাতের দুটি পর্যায়। ‘আলমে বরজখ’ অর্থাৎ মানুষের মৃত্যুর পর থেকে কেয়ামত পর্যন্ত লোকচক্ষুর অন্তরালে যে মধ্যবর্তী সময় রয়েছে তাকে ‘আলমে বরজখ’ বলা হয়।

আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে ‘কেয়ামত’ বা পুনরুত্থান বা বিচার দিবস। কেয়ামতের আরও একটি স্তর হচ্ছে বিচারের পর শেষ আবাসস্থল। পৃথিবী লয়ের মাধ্যমে আল্লাহ ছাড়া আর সবকিছুই ধ্বংস হয়ে যাবে। অতঃপর আল্লাহরই নির্দেশে এক নতুন জগৎ তৈরি হবে। প্রতিটি মানুষ পুনর্জীবন লাভ করে আল্লাহর দরবারে হাজির হবে। দুনিয়ার জীবনে সে ভালো-মন্দ যা কিছুই করেছে, তার হিসাব-নিকাশ সেদিন তাকে দিতে হবে আল্লাহর দরবারে। একে বলা হয়েছে বিচার দিবস। এ দিবসের একচ্ছত্র মালিক ও বিচারক স্বয়ং আল্লাহ। তাঁর সঙ্গে কেউ কথা বলার সাহস করবে না। তিনি যাকে অনুমতি দেবেন কেবল তিনিই সেদিন কঠিন মুহূর্তে সুপারিশ করতে পারবেন। আলমে বরজখ, কবর, হাশর, বিচারব্যবস্থা, পুলসিরাত পর্যায়ক্রমে শেষ হওয়ার পর সর্বশেষ পরিণতি জান্নাত বা জাহান্নাম। আর এটাই শেষ ঠিকানা। আখেরাতের জীবন সম্পর্কে আল কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে, ‘আর তোমরা সেদিনের ভয় কর যেদিন কেউ কারও সামান্য উপকারে আসবে না এবং তার পক্ষে কোনো সুপারিশও কবুল হবে না, কারও কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও নেওয়া হবে না আর তারা কোনোরকম সাহায্যও পাবে না।’ সূরা বাকারা, আয়াত ৪৮।

আখেরাতের জীবনে প্রতিটি বান্দাকে তার স্রষ্টা আল্লাহর কাছে দুনিয়ার জীবনের জন্য জবাবদিহির সম্মুখীন হতে হবে। এ জবাবদিহিতে তারাই উতরে যাবে যারা দুনিয়ার জীবনে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য প্রদর্শন করেছে। যারা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশিত পথে চলে আখেরাতের জীবনের মূলধন সঞ্চয় করেছে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে আখেরাতের জীবনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার তৌফিক দান করুন।