• রোববার   ০৭ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২৩ ১৪২৭

  • || ১৫ শাওয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
হাসপাতাল থেকে রোগী ফেরত দেওয়া মানবতাবিরোধী কাজ: তথ্যমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৩৫ ৩ হাজার মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট নিয়োগে অনুমোদন দিলেন প্রধানমন্ত্রী মানুষকে সুরক্ষিত করতে প্রাণপণে চেষ্টা করছি: প্রধানমন্ত্রী করোনায় মৃত্যুর মিছিলে আরও ৩৫ জন, নতুন শনাক্ত ২৪২৩ হলিক্রস-নটরডেমসহ চার কলেজে ভর্তি বন্ধ গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩৭ মৃত্যু, শনাক্ত আরও ২৬৯৫ আজ থেকে চলবে আরও ৯ জোড়া ট্রেন হাসপাতাল থেকে রোগী ফেরানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ: তথ্যমন্ত্রী যেকোনো প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে পারব: প্রধানমন্ত্রী সময় যত কঠিনই হোক দুর্নীতি ঘটলেই আইনি ব্যবস্থা: দুদক চেয়ারম্যান জেলা হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ ইউনিট স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর করোনা বিশ্ব বদলে দিলেও বিএনপিকে বদলাতে পারেনি: কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ মৃত্যু, শনাক্ত ২৯১১ সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশনা খাদ্য উৎপাদন আরও বাড়াতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চলছে: কৃষিমন্ত্রী সারা দেশকে লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২৩৮১ জনের করোনা শনাক্ত পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলছে: রেলমন্ত্রী দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৪৫ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৪০ জন
১১১

আউশের উৎপাদন বাড়াতে প্রণোদনা পাবেন এক লাখ কৃষক

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৯ এপ্রিল ২০২০  

চলতি অর্থবছরে (২০১৯-২০) আউশ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এক লাখ ৯ হাজার ২৬৫ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে ৯ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকার প্রণোদনা দেবে সরকার।

প্রণোদনার অংশ হিসেবে ৬৪ জেলার কৃষকরা রাসায়নিক সার ও বীজ পাবেন। বুধবার আউশ প্রণোদনার অর্থ ছাড়করণপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এই প্রণোদনার কারণে আউশ আবাদে কৃষকরা উৎসাহিত হবেন, হেক্টর প্রতি ফলন বৃদ্ধি পাবে, উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং পতিত জমিগুলো আবাদের আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

এক লাখ ৯ হাজার ২৬৫ বিঘা জমির জন্য এক লাখ ৯ হাজার ২৬৫ জন কৃষককে এই প্রণোদনা দেয়া হবে।

আউশ আবাদে প্রত্যেক কৃষককে দেয়া প্রতি বিঘার জন্য উপকরণবাবদ সরকারের ব্যয় হবে ৮৫০ টাকা। প্রত্যেক কৃষক ৫ কেজি বীজ, ২০ কেজি করে ডিএপি ও ১০ কোচি এমওপি সার পাবেন।

প্রত্যেক কৃষককে দেয়া হবে ৫ কেজি বীজের দাম ৩০০ টাকা, ২০ কেজি ডিএপি ২৮০ ও ১০ কেজি এমওপি ১৩০ টাকা এবং এসব উপকরণ পরিবহনের জন্য ১০৫ টাকা ও আনুষঙ্গিক ৩৫ টাকাসহ মোট ৮৫০ টাকা।

ছাড়করণপত্র বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইউনিয়ন কৃষি পুনর্বাসন কমিটির মাধ্যমে এ কর্মসূচির জন্য মনোনীত প্রত্যেক কৃষকের স্ট্যাম্প সাইজের ছবিযুক্ত কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ডের ভর্তুকি অংশে যথাযথভাবে উপকরণের পরিমাণ লিপিবদ্ধ করে, যথারীতি মাস্টাররোল সংরক্ষণ করে উপকরণ বিতরণ করবেন। মাস্টাররোলে অবশ্যই উপকরণ গ্রহণকারী কৃষকের স্ট্যাম্প সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বর যুক্ত করতে হবে।

এ কর্মসূচিতে সব উপকরণ বিতরণ উপজেলা সদর থেকে করতে হবে। সব উপকরণ কৃষক নিজে গ্রহণ করবেন। কোনো অবস্থায়ই প্রকৃত তালিকাভুক্ত কৃষক ছাড়া অন্য কাউকে উপকরণ দেয়া যাবে না বা একজনের উপকরণ অন্যজনকে দেয়া যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে পত্রে।

জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর