• মঙ্গলবার   ২২ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ৯ ১৪২৮

  • || ১১ জ্বিলকদ ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
মঙ্গলবার থেকে সাত জেলায় লকডাউন, বন্ধ গণপরিবহন সেনাবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে ঘর পেল ৫৩ হাজার অসহায় পরিবার, বিশ্বে নজিরবিহীন বিশ্ব শান্তি সূচকে সাত ধাপ এগোলো বাংলাদেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি বিধিনিষেধ বাড়লো আরো এক মাস সুন্দরবনের আয়তন ও বাঘের সংখ্যা বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নে যেন কোনোভাবেই সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় রাষ্ট্রপতি কাজাখ রাজধানীতে ওআইসি সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিবেন এসএসএফের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী একটা করে বনজ, ফলজ ও ভেষজ গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী করোনায় কোনো রকম রিস্ক না নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী এয়ার মার্শাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরলেন নতুন বিমানবাহিনী প্রধান স্কুল-কলেজে ছুটি আবার বাড়ল গণতন্ত্রের মুক্তি দিবস ১১ জুন মডেল মসজিদের মাধ্যমে ইসলামের মর্মবাণী বুঝবে মানুষ ইসলাম আমাদের মানবতার শিক্ষা দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী খুন করে কি বেহেশতে যাওয়া যায়, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন ‘লেবাস নয়, ইনসাফের ইসলামে বিশ্বাস করি’ একযোগে ৫০ মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অভিমান আর অপমানবোধ থেকেই নিষ্ক্রিয় বিএনপির সিনিয়ররা

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১০ জুন ২০২১  

জীবনের পড়ন্ত বিকেলে এসেও স্থায়ী কমিটির সদস্য হতে না পারায় বিএনপিতে নিষ্ক্রিয় থাকার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অন্তত ডজন খানেক সিনিয়র নেতা। অভিমান আর অপমানবোধ থেকেই তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে গুঞ্জন চাউর হচ্ছে বিএনপির রাজনীতিতে।

সামান্য বিতর্কের কারণে স্থায়ী কমিটিতে জায়গা না পাওয়ায় শাহ মোয়াজ্জেম, আব্দুল্লাহ আল নোমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, শামসুজ্জামান দুদু, জয়নাল আবেদিন ফারুকের মতো সিনিয়র নেতারা চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন। 

তাদের দাবি, জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতাকে মূল্যায়ন না করে স্বজনপ্রীতি ও অর্থের কাছে পরাস্ত হয়ে সেলিমা রহমান ও ইকবাল মাহমুদ টুকু’র মতো রাজপথ বিমুখ নেতাকে স্থায়ী কমিটির সদস্যের পদ দিয়েছেন তারেক রহমান।

জানতে চাইলে বিএনপি'র ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমরের এক ঘনিষ্ঠ স্বজন বলেন, বিগত বিএনপির শাসনামলে ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। স্থায়ী কমিটির পদ পেতে তার যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা নিয়ে কোনো ব্যক্তির প্রশ্ন থাকার কথা নয়। অথচ তাকে দেয়া হলো না স্থায়ী কমিটির পদ। এর চেয়ে বড় অপমান তার জন্য আর কি হতে পারে? আত্মীয়-স্বজনদের কাছে তিনি এখন মুখ দেখাতে পারছেন না। 

তিনি আরো বলেন, শাহজাহান ওমরের কথা বাদই দিলাম। কিন্তু মোয়াজ্জেম-নোমানরা কি করেছেন, যে তাদের স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হলো না?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির আরেক অভিমানী নেতা বলেন, রাজনীতি করতে গেলে ভুল-ত্রুটি হয়ে যায়। সেটির জন্য তো সারাজীবন খোটা দেয়ার মানে হয় না। ক্ষমতায় থাকাকালীন কিছু ভুল ছিল আমাদের, সেটার প্রায়শ্চিত্ত তো দিচ্ছি এক যুগ ধরে। এসময় যদি দলেও অবমূল্যায়িত হই, তাহলে তো রাজনীতি করার কোন মানে হয় না। 

তিনি বলেন, স্থায়ী কমিটির পদ বিতরণের বিষয়টি অনেকটা মনোপলির মতো। এখানে তারেক রহমান সর্বেসর্বা। তার ইচ্ছার বাইরে কারো কোন তদবিরে কাজ হবে না। কিন্তু অনেক সিনিয়র ও ডেডিকেটেড নেতা থাকার পরও সেলিমা-টুকু কিভাবে স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন, সেটি অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়। যথাযথ মূল্যায়িত না হলে মন তো খারাপ হবেই। আর এসব কারণেই বিএনপি'র রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় নেতাদের তালিকা দিন দিন ভারী হচ্ছে।